নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে আউশকান্দি রশিদিয়া পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষক মনসুর আলম। প্রতিদিন হেঁটেই আসতেন কলেজে। কিন্তু গতকাল রোববার দুপুরে ক্লাস চলাকালে হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েন।
পরে তাঁকে সিলেটের একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এদিন রাতে শেষবারের মতো চিরচেনা ক্যাম্পাসে ফেরেন মনসুর আলম। কিন্তু লাশ হয়ে।
জানা যায়, প্রতিদিন মনসুর আলম সকালে স্কুল ও কলেজে ক্লাস নিতেন। রোববার ক্লাস চলাকালে হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করেন। সঙ্গে সঙ্গে সহকর্মীরা তাঁকে সিলেট ইবনে সিনা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
খবরটি ছড়িয়ে পরলে নবীগঞ্জ উপজেলা জুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। রোববার রাত ৮টায় শিক্ষক মনসুর আলমের মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স আউশকান্দি রশিদিয়া পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ মাঠে নিয়ে আসলে অত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী তাঁকে শেষ বারের মতো দেখতে ভিড় জমান। পরে রাত সাড়ে ৮টায় বিদ্যালয় মাঠেই তাঁর জানাজার নামাজ হয়।
জানাজার নামাজের পূর্বে বক্তব্য দেন আউশকান্দি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো. দিলাওর হোসেন, অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমান, প্রভাষক ইকবাল বাহার তালুকদার, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী সুহুল আমিন, আবদুল হামিদ নিকছন, ইসলাম শিক্ষক জিয়াউর রহমান মির, শিক্ষক কায়ছার হামিদসহ আরও অনেকেই।
নামাজে অনুষ্ঠিত নামাজে অংশ নেন নবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মুজিবুর রহমান সেফ, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী ওবায়দুল কাদের হেলাল, আউশকান্দি হীরাগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সভাপতি মুর্শেদ আহমদে, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডাইরেক্ট শাহ মুস্তাকিম আলী প্রিন্স, সাবেক ডাইরেক্ট শফিকুল আলম হেলাল, নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি এম. এ আহমদ আজাদ, নির্বাহী সদস্য মুরাদ আহমদ, হাজী ফুল মিয়া, আজিজ হাবিব উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান হাবিব, দীঘলবাক স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবু সালেহ, নবীগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বুলবুল আহমেদসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।
জানাজার নামাজে ইমামতি করেন অত্র প্রতিষ্ঠানের ইসলাম শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষক জিয়াউর রহমান মীর। নামাজ শেষে শিক্ষকের রুহের আত্মার মাগফিরাত কামনায় মোনাজাত করেন অত্র প্রতিষ্ঠান জামে মসজিদের ঈমাম জিয়াউর রহমান।
জানাজা শেষে শিক্ষক মনসুর আলমের জন্মস্থান ময়মনসিংহে লাশবাহী গাড়ি নিয়ে রওনা হন। সেখানে পরে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
উল্লেখ যে, ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার খারুয়া গ্রামের মৃত আবদুল মজিদ এর পুত্র এ. বি. এম মনসুর আলম। মৃত্যুকালে তিনি এক পুত্র সন্তান ও এক স্ত্রীসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
তিনি বিগত ৩ নভেম্বর ১৯৯০ সালে ঘোলডুবা এম. সি উচ্চ বিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। পরে ১ ফেব্রুয়ারি ২০০০ সালে আউশকান্দি রশিদিয়া পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগদান করেন

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে আউশকান্দি রশিদিয়া পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষক মনসুর আলম। প্রতিদিন হেঁটেই আসতেন কলেজে। কিন্তু গতকাল রোববার দুপুরে ক্লাস চলাকালে হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েন।
পরে তাঁকে সিলেটের একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এদিন রাতে শেষবারের মতো চিরচেনা ক্যাম্পাসে ফেরেন মনসুর আলম। কিন্তু লাশ হয়ে।
জানা যায়, প্রতিদিন মনসুর আলম সকালে স্কুল ও কলেজে ক্লাস নিতেন। রোববার ক্লাস চলাকালে হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করেন। সঙ্গে সঙ্গে সহকর্মীরা তাঁকে সিলেট ইবনে সিনা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
খবরটি ছড়িয়ে পরলে নবীগঞ্জ উপজেলা জুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। রোববার রাত ৮টায় শিক্ষক মনসুর আলমের মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স আউশকান্দি রশিদিয়া পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ মাঠে নিয়ে আসলে অত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী তাঁকে শেষ বারের মতো দেখতে ভিড় জমান। পরে রাত সাড়ে ৮টায় বিদ্যালয় মাঠেই তাঁর জানাজার নামাজ হয়।
জানাজার নামাজের পূর্বে বক্তব্য দেন আউশকান্দি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো. দিলাওর হোসেন, অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমান, প্রভাষক ইকবাল বাহার তালুকদার, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী সুহুল আমিন, আবদুল হামিদ নিকছন, ইসলাম শিক্ষক জিয়াউর রহমান মির, শিক্ষক কায়ছার হামিদসহ আরও অনেকেই।
নামাজে অনুষ্ঠিত নামাজে অংশ নেন নবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মুজিবুর রহমান সেফ, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী ওবায়দুল কাদের হেলাল, আউশকান্দি হীরাগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সভাপতি মুর্শেদ আহমদে, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডাইরেক্ট শাহ মুস্তাকিম আলী প্রিন্স, সাবেক ডাইরেক্ট শফিকুল আলম হেলাল, নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি এম. এ আহমদ আজাদ, নির্বাহী সদস্য মুরাদ আহমদ, হাজী ফুল মিয়া, আজিজ হাবিব উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান হাবিব, দীঘলবাক স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবু সালেহ, নবীগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বুলবুল আহমেদসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।
জানাজার নামাজে ইমামতি করেন অত্র প্রতিষ্ঠানের ইসলাম শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষক জিয়াউর রহমান মীর। নামাজ শেষে শিক্ষকের রুহের আত্মার মাগফিরাত কামনায় মোনাজাত করেন অত্র প্রতিষ্ঠান জামে মসজিদের ঈমাম জিয়াউর রহমান।
জানাজা শেষে শিক্ষক মনসুর আলমের জন্মস্থান ময়মনসিংহে লাশবাহী গাড়ি নিয়ে রওনা হন। সেখানে পরে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
উল্লেখ যে, ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার খারুয়া গ্রামের মৃত আবদুল মজিদ এর পুত্র এ. বি. এম মনসুর আলম। মৃত্যুকালে তিনি এক পুত্র সন্তান ও এক স্ত্রীসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
তিনি বিগত ৩ নভেম্বর ১৯৯০ সালে ঘোলডুবা এম. সি উচ্চ বিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। পরে ১ ফেব্রুয়ারি ২০০০ সালে আউশকান্দি রশিদিয়া পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগদান করেন

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে