হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের মাধবপুরে এক মধ্যবয়সীকে নরসিংদীতে ডেকে নিয়ে জিম্মির পর মুক্তিপণ আদায় চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গতকাল রোববার রাতে মাধবপুর থানার পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় মাধবপুরের কৃষ্ণপুর গ্রামের ছাবু মিয়াকে (৬৫) নরসিংদীর রেল কলোনির একটি কক্ষ থেকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মো. হোসাইন (২৬) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার ঘুমড়াগুল গ্রামের তাহের আলীর ছেলে মো. হোসাইন দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে ছাবু মিয়ার সঙ্গে মোবাইল ফোনে মেয়ে কণ্ঠে কথা বলতেন। একপর্যায়ে কথা বলার সময় তাঁকে (ছাবু মিয়া) বাবা সম্বোধন করেন।
ফোনে আবেগতাড়িত হয়ে কথা বলার নাটক করে তাঁকে দেখতে চাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন। বিকাশে ছাবু মিয়াকে ৮০০ টাকা পাঠিয়ে নরসিংদীতে যাওয়ার কথা বলা হয়। ছাবু মিয়া গত ৩১ আগস্ট মেয়ে ছদ্মবেশী হোসাইনের কথামতো নরসিংদীতে যায়। সেখানে গিয়ে হোসাইনের প্রতারণার বিষয়টি ধরা পড়ে। ছাবু মিয়াকে একটি অন্ধকার ঘরে আটকে রেখে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে ভয় দেখিয়ে তাঁর পরিবারের কাছে ফোন দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য ফরিদ জানান, এ ঘটনা ছাবু মিয়ার পরিবার তাঁকে জানালে তিনি বিষয়টি মাধবপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুনকে অবগত করেন। পরে মনতলা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আষিশ চন্দ্র তালুকদার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে নরসিংদীর থানা-পুলিশের সহযোগিতায় নরসিংদীর রেল কলোনির একটি কক্ষ থেকে ছাবু মিয়াকে উদ্ধার ও ঘটনার মূলহোতা হোসাইনকে গ্রেপ্তার করেন।
মাধবপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এ ঘটনায় ছাবু মিয়া বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় মামলা করেছেন। মামলায় মো. হোসাইনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে হবিগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

হবিগঞ্জের মাধবপুরে এক মধ্যবয়সীকে নরসিংদীতে ডেকে নিয়ে জিম্মির পর মুক্তিপণ আদায় চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গতকাল রোববার রাতে মাধবপুর থানার পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় মাধবপুরের কৃষ্ণপুর গ্রামের ছাবু মিয়াকে (৬৫) নরসিংদীর রেল কলোনির একটি কক্ষ থেকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মো. হোসাইন (২৬) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার ঘুমড়াগুল গ্রামের তাহের আলীর ছেলে মো. হোসাইন দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে ছাবু মিয়ার সঙ্গে মোবাইল ফোনে মেয়ে কণ্ঠে কথা বলতেন। একপর্যায়ে কথা বলার সময় তাঁকে (ছাবু মিয়া) বাবা সম্বোধন করেন।
ফোনে আবেগতাড়িত হয়ে কথা বলার নাটক করে তাঁকে দেখতে চাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন। বিকাশে ছাবু মিয়াকে ৮০০ টাকা পাঠিয়ে নরসিংদীতে যাওয়ার কথা বলা হয়। ছাবু মিয়া গত ৩১ আগস্ট মেয়ে ছদ্মবেশী হোসাইনের কথামতো নরসিংদীতে যায়। সেখানে গিয়ে হোসাইনের প্রতারণার বিষয়টি ধরা পড়ে। ছাবু মিয়াকে একটি অন্ধকার ঘরে আটকে রেখে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে ভয় দেখিয়ে তাঁর পরিবারের কাছে ফোন দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য ফরিদ জানান, এ ঘটনা ছাবু মিয়ার পরিবার তাঁকে জানালে তিনি বিষয়টি মাধবপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুনকে অবগত করেন। পরে মনতলা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আষিশ চন্দ্র তালুকদার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে নরসিংদীর থানা-পুলিশের সহযোগিতায় নরসিংদীর রেল কলোনির একটি কক্ষ থেকে ছাবু মিয়াকে উদ্ধার ও ঘটনার মূলহোতা হোসাইনকে গ্রেপ্তার করেন।
মাধবপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এ ঘটনায় ছাবু মিয়া বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় মামলা করেছেন। মামলায় মো. হোসাইনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে হবিগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
১ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
১ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
১ ঘণ্টা আগে