হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে হবিগঞ্জে মানববন্ধন করেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। মানববন্ধন শেষে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজনসহ দুই সাংবাদিক আহত হয়েছেন।
আজ রোববার দুপুর ১২টার দিকে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। দেড় ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার (ওসি) অজয় চন্দ্র দেবসহ কয়েকজন পুলিশ ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা আহত হন। সংঘর্ষের সংবাদ সংগ্রহের সময় মাই টিভির জেলা প্রতিনিধি নীরঞ্জন গোস্বামী শুভ ও দেশ টিভির জেলা প্রতিনিধি আমীর হামজা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাঁরা হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সমকালের জেলা প্রতিনিধি রাসেল চৌধুরী জানান, আজ বেলা সাড়ে ১১টায় হবিগঞ্জ শহরের শায়েস্তানগর এলাকায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে জেলা বিএনপির মানববন্ধনের খবর সংগ্রহ করতে যান নীরঞ্জন গোস্বামী ও আমীর হামজা। তখন বিএনপি ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ বাধলে দুজন সাংবাদিক গুলিবিদ্ধ হন। তাৎক্ষণিক তাঁদের হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। দুজনের শরীরে ১০টির অধিক গুলি লেগেছে। এর মধ্যে নীরঞ্জন গোস্বামী শুভর চোখে বেশি আঘাত লেগেছে। তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে।
হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান বলেন, ‘আজ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে হবিগঞ্জ জেলা বিএনপি শহরের শায়েস্তানগরে মানববন্ধন করে। জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক শাম্মী আক্তার শিপার সভাপতিত্বে মানববন্ধন শান্তিপূর্ণভাবেই সমাপ্ত হয়। এরপর একদল দুর্বৃত্ত পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে। তাঁরা আমাদের নেতা-কর্মী নন। তবে এই সংঘর্ষে বিএনপির প্রায় ২৫ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।’
হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় চন্দ্র দেব বলেন, বিএনপির মানববন্ধন শেষে দলটির নেতা-কর্মীরা পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। এতে তিনিসহ পুলিশের আরও ১০-১৫ সদস্য আহত হয়েছেন। পরে পুলিশ রাবার বুলেট, কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে হামলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করে। ওই এলাকায় বর্তমানে পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন রয়েছে।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে হবিগঞ্জে মানববন্ধন করেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। মানববন্ধন শেষে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজনসহ দুই সাংবাদিক আহত হয়েছেন।
আজ রোববার দুপুর ১২টার দিকে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। দেড় ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার (ওসি) অজয় চন্দ্র দেবসহ কয়েকজন পুলিশ ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা আহত হন। সংঘর্ষের সংবাদ সংগ্রহের সময় মাই টিভির জেলা প্রতিনিধি নীরঞ্জন গোস্বামী শুভ ও দেশ টিভির জেলা প্রতিনিধি আমীর হামজা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাঁরা হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সমকালের জেলা প্রতিনিধি রাসেল চৌধুরী জানান, আজ বেলা সাড়ে ১১টায় হবিগঞ্জ শহরের শায়েস্তানগর এলাকায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে জেলা বিএনপির মানববন্ধনের খবর সংগ্রহ করতে যান নীরঞ্জন গোস্বামী ও আমীর হামজা। তখন বিএনপি ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ বাধলে দুজন সাংবাদিক গুলিবিদ্ধ হন। তাৎক্ষণিক তাঁদের হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। দুজনের শরীরে ১০টির অধিক গুলি লেগেছে। এর মধ্যে নীরঞ্জন গোস্বামী শুভর চোখে বেশি আঘাত লেগেছে। তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে।
হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান বলেন, ‘আজ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে হবিগঞ্জ জেলা বিএনপি শহরের শায়েস্তানগরে মানববন্ধন করে। জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক শাম্মী আক্তার শিপার সভাপতিত্বে মানববন্ধন শান্তিপূর্ণভাবেই সমাপ্ত হয়। এরপর একদল দুর্বৃত্ত পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে। তাঁরা আমাদের নেতা-কর্মী নন। তবে এই সংঘর্ষে বিএনপির প্রায় ২৫ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।’
হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় চন্দ্র দেব বলেন, বিএনপির মানববন্ধন শেষে দলটির নেতা-কর্মীরা পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। এতে তিনিসহ পুলিশের আরও ১০-১৫ সদস্য আহত হয়েছেন। পরে পুলিশ রাবার বুলেট, কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে হামলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করে। ওই এলাকায় বর্তমানে পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন রয়েছে।

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
৪ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে