হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে হযরত আলী (৫৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। গতকাল রোববার (৮ জুন) বিকেলে উপজেলার কাগাপাশা ইউনিয়নের বাতাকান্দি গ্রামে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাতাকান্দি গ্রামের উসমান মিয়া ও একই গ্রামের হারুন মিয়ার লোকজনের মধ্যে আগের বিরোধকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। গতকাল বিকেলে নতুন হাটিতে উসমান মিয়ার চাচা রহিম মিয়া ও হযরত আলীর মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত বেধে যায়। বিকেল সাড়ে ৫টার থেকে প্রায় দেড় ঘণ্টার মতো সংঘর্ষ চলে।
সংঘর্ষে হযরত আলী গুরুতর আহত হলে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। হযরত আলী হারুন মিয়ার পক্ষের লোক ছিলেন।
নিহতের ভাই মস্ত মিয়া জানান, সংঘর্ষে তাঁদের পক্ষের অন্তত ২০-২৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ঘটনার খবর পেয়ে কাগাপাশা ইউনিয়নের বিট পুলিশ কর্মকর্তা এসআই রুপক দাসের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। তিনি জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে উসমান মিয়ার নানাবাড়ি কাগাপাশা ইউনিয়নের বগী গ্রাম থেকে একজনকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এ বিষয়ে বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, পূর্ববিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন প্রায় ৩০ জন। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তিনি আরও বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে হযরত আলী (৫৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। গতকাল রোববার (৮ জুন) বিকেলে উপজেলার কাগাপাশা ইউনিয়নের বাতাকান্দি গ্রামে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাতাকান্দি গ্রামের উসমান মিয়া ও একই গ্রামের হারুন মিয়ার লোকজনের মধ্যে আগের বিরোধকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। গতকাল বিকেলে নতুন হাটিতে উসমান মিয়ার চাচা রহিম মিয়া ও হযরত আলীর মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত বেধে যায়। বিকেল সাড়ে ৫টার থেকে প্রায় দেড় ঘণ্টার মতো সংঘর্ষ চলে।
সংঘর্ষে হযরত আলী গুরুতর আহত হলে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। হযরত আলী হারুন মিয়ার পক্ষের লোক ছিলেন।
নিহতের ভাই মস্ত মিয়া জানান, সংঘর্ষে তাঁদের পক্ষের অন্তত ২০-২৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ঘটনার খবর পেয়ে কাগাপাশা ইউনিয়নের বিট পুলিশ কর্মকর্তা এসআই রুপক দাসের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। তিনি জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে উসমান মিয়ার নানাবাড়ি কাগাপাশা ইউনিয়নের বগী গ্রাম থেকে একজনকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এ বিষয়ে বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, পূর্ববিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন প্রায় ৩০ জন। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তিনি আরও বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
২ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে