সহিবুর রহমান, হবিগঞ্জ

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার সাদুল্লাপুর গ্রামে ইংল্যান্ডপ্রবাসী আখলাক চৌধুরী গুলজারের মা মালা বেগম (৫০) ও স্ত্রী রুমি বেগমকে (২২) হত্যার দায়ে দুই যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার বেলা একটার দিকে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজের (১) বিচারক মো. আজিজুল হক এই রায় ঘোষণা করেন।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন নবীগঞ্জ উপজেলার আমতৈল গ্রামের তালেব মিয়া (২৯) এবং একই উপজেলার হোসেনপুর গ্রামের জাকারিয়া আহমেদ শুভ (২৫)। রায় দেওয়ার সময় তাঁরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি সালেহ আহমেদ। তিনি জানান, আসামিরা অসৎ কাজ করতে না পেরে শাশুড়ি ও তাঁর পুত্রবধূকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করেন। তাঁরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন। মামলার ৩২ জন সাক্ষীর মধ্যে ৩১ জনের সাক্ষ্য নেওয়া শেষে আদালত আজ এই রায় দেন।
মামলা থেকে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১৩ মে রাত ১১টার দিকে সাদুল্লাপুর গ্রামে ইংল্যান্ডপ্রবাসী আখলাক চৌধুরী গুলজারের বাড়ি থেকে হঠাৎ ‘আগুন আগুন’ চিৎকার শুনে গ্রামের লোকজন এসে দেখেন আখলাকের মা মালা বেগম ও স্ত্রী রুমি বেগম রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। তাঁদের উদ্ধার করে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানা-পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে লাশ দুটির সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। এ ঘটনায় নিহত রুমির ভাই পরদিন নবীগঞ্জ থানায় তালেব ও শুভকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তী সময় পুলিশ সুপারের নির্দেশে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পান। এই দুজনকে আসামি রেখে ২০১৮ সালের ১১ আগস্ট গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহআলম আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার সাদুল্লাপুর গ্রামে ইংল্যান্ডপ্রবাসী আখলাক চৌধুরী গুলজারের মা মালা বেগম (৫০) ও স্ত্রী রুমি বেগমকে (২২) হত্যার দায়ে দুই যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার বেলা একটার দিকে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজের (১) বিচারক মো. আজিজুল হক এই রায় ঘোষণা করেন।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন নবীগঞ্জ উপজেলার আমতৈল গ্রামের তালেব মিয়া (২৯) এবং একই উপজেলার হোসেনপুর গ্রামের জাকারিয়া আহমেদ শুভ (২৫)। রায় দেওয়ার সময় তাঁরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি সালেহ আহমেদ। তিনি জানান, আসামিরা অসৎ কাজ করতে না পেরে শাশুড়ি ও তাঁর পুত্রবধূকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করেন। তাঁরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন। মামলার ৩২ জন সাক্ষীর মধ্যে ৩১ জনের সাক্ষ্য নেওয়া শেষে আদালত আজ এই রায় দেন।
মামলা থেকে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১৩ মে রাত ১১টার দিকে সাদুল্লাপুর গ্রামে ইংল্যান্ডপ্রবাসী আখলাক চৌধুরী গুলজারের বাড়ি থেকে হঠাৎ ‘আগুন আগুন’ চিৎকার শুনে গ্রামের লোকজন এসে দেখেন আখলাকের মা মালা বেগম ও স্ত্রী রুমি বেগম রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। তাঁদের উদ্ধার করে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানা-পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে লাশ দুটির সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। এ ঘটনায় নিহত রুমির ভাই পরদিন নবীগঞ্জ থানায় তালেব ও শুভকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তী সময় পুলিশ সুপারের নির্দেশে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পান। এই দুজনকে আসামি রেখে ২০১৮ সালের ১১ আগস্ট গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহআলম আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে