টুঙ্গিপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বিএনপি নেতার বাড়িতে হামলা চালিয়ে আসবাব ভাঙচুর, খাবার নষ্ট ও মারধরের অভিযোগে করা মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক কাউন্সিলর গাউস শেখকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে গতকাল বুধবার রাতে উপজেলার বালাডাঙ্গা বাজার থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার গাউস শেখ (৫৫) টুঙ্গিপাড়া পৌর আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক এবং পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্ত (ওসি) খোরশেদ আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে আসবাব ভাঙচুর, খাবার নষ্ট ও মারধরের মামলায় সংশ্লিষ্টতা থাকায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ সকালে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জ জেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও এস এম জিলানীর ভাতিজা জুলকার শেখ বাদী হয়ে ২৯ জন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের নামে টুঙ্গিপাড়া থানায় মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাত আসামি করা হয় আরও ৪০-৫০ জনকে।
মামলার বিবরণীতে জানা গেছে, গত ১৩ সেপ্টেম্বর এস এম জিলানীর গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার নিজ বাড়িতে অতিথিদের সঙ্গে খাওয়াদাওয়ার কর্মসূচি ছিল। বিকেল ৪টায় তাঁর গাড়িবহর সদর উপজেলার ঘোনাপাড়া পৌঁছালে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা হামলা করে। পরে তিনি গুরুতর আহত হয়ে ঢাকা ফিরে যান।
মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, ওই ঘটনার জের ধরে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জিলানীর বাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে আসবাব ও দরজা-জানালা ভাঙচুর করে। এ ছাড়া মেহমানদের জন্য রান্না করে রাখা খাবার নষ্ট করে দেয়। পরে বিএনপি নেতা জাহিদুল ইসলামসহ বাড়িতে থাকা অনেককে এলোপাতাড়ি মারধর করে জখম করেন আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীরা।

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বিএনপি নেতার বাড়িতে হামলা চালিয়ে আসবাব ভাঙচুর, খাবার নষ্ট ও মারধরের অভিযোগে করা মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক কাউন্সিলর গাউস শেখকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে গতকাল বুধবার রাতে উপজেলার বালাডাঙ্গা বাজার থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার গাউস শেখ (৫৫) টুঙ্গিপাড়া পৌর আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক এবং পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্ত (ওসি) খোরশেদ আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে আসবাব ভাঙচুর, খাবার নষ্ট ও মারধরের মামলায় সংশ্লিষ্টতা থাকায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ সকালে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জ জেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও এস এম জিলানীর ভাতিজা জুলকার শেখ বাদী হয়ে ২৯ জন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের নামে টুঙ্গিপাড়া থানায় মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাত আসামি করা হয় আরও ৪০-৫০ জনকে।
মামলার বিবরণীতে জানা গেছে, গত ১৩ সেপ্টেম্বর এস এম জিলানীর গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার নিজ বাড়িতে অতিথিদের সঙ্গে খাওয়াদাওয়ার কর্মসূচি ছিল। বিকেল ৪টায় তাঁর গাড়িবহর সদর উপজেলার ঘোনাপাড়া পৌঁছালে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা হামলা করে। পরে তিনি গুরুতর আহত হয়ে ঢাকা ফিরে যান।
মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, ওই ঘটনার জের ধরে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জিলানীর বাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে আসবাব ও দরজা-জানালা ভাঙচুর করে। এ ছাড়া মেহমানদের জন্য রান্না করে রাখা খাবার নষ্ট করে দেয়। পরে বিএনপি নেতা জাহিদুল ইসলামসহ বাড়িতে থাকা অনেককে এলোপাতাড়ি মারধর করে জখম করেন আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীরা।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে