নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

গোপালগঞ্জ জেলা কারাগারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় সরকারি গাড়িতে আগুন এবং জেলারের বাসভবনেও লুটপাট চালানো হয়। তবে এ ঘটনায় কোনো আসামি পালানোর খবর পাওয়া যায়নি।
আজ বুধবার (১৬ জুলাই) বিকেলের এ ঘটনায় কারাকর্মকর্তাসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে গোপালগঞ্জ জেলা কারাগারের ভারপ্রাপ্ত জেলার তানিয়া জামান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কারাগারের মূল ফটকে ভাঙচুর চালানো হয় এবং একটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। হামলার দায়িত্বরত বেশ কয়েকজন কারারক্ষী আহত হন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে হামলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
ভারপ্রাপ্ত জেলার তানিয়া জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, এনসিপির সমাবেশকে ঘিরে প্রথমে হামলা ও সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে জেলা কারাগারেও হামলা হয়। এ সময় কারাগারের প্রধান ফটক বন্ধ ছিল। দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এ হামলা চালানো হয়। তবে কোনো আসামি পালাতে পারেনি। এর আগেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা গেছে। তবে কারারক্ষীসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
জেলার জানান, এ সময় চারটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। বাসা বাড়িতে লুটপাট করা হয়। তাঁর বাসায়ও লুটপাট করা হয়েছে। তিনি নিজেও এ সময় আহত হয়েছেন।
এর আগে এ দিন দুপুরে গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশস্থলে এবং পরে দলটির নেতা-কর্মীদের গাড়িবহর লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা ঘটে। একই দিন পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং ইউএনওর গাড়িবহরে হামলা হয়।
এনসিপির পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে বুধবার সকাল থেকে উত্তপ্ত ছিল গোপালগঞ্জ। বেলা পৌনে ৩টার দিকে শহরের পৌর পার্কে সমাবেশ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একদল ব্যক্তি নেতা-কর্মীদের ঘিরে ধরে হামলার চেষ্টা করেন। চারদিক থেকে এনসিপির নেতা-কর্মী ও পুলিশ সদস্যদের বহনকারী গাড়ি আটকে দেন।
এ সময় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। এনসিপির নেতা-কর্মীরা অন্যদিক দিয়ে গাড়ি ঘুরিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
এ পরিস্থিতিতে গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. কামরুজ্জামান গোপালগঞ্জ জেলায় ১৪৪ ধারা জারি করেছেন। জেলা প্রশাসনের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
এর আগে বেলা পৌনে ২টার দিকে ২০০ থেকে ৩০০ লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে এনসিপির সমাবেশস্থলে যান। সে সময় মঞ্চের আশপাশে থাকা পুলিশ সদস্যরা সেখান থেকে দ্রুত আদালত চত্বরে ঢুকে পড়েন। একই সময়ে মঞ্চে ও মঞ্চের সামনে থাকা এনসিপির নেতা-কর্মীরাও দৌড়ে সরে যান।
হামলাকারীরা মঞ্চের চেয়ার ভাঙচুর করেন, ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন। ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে। একপর্যায়ে জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান ঘটনাস্থলে যান। এনসিপির নেতা-কর্মী ও পুলিশ এক হয়ে ধাওয়া দিলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান।
হামলাকারীরা সবাই ‘আওয়ামী লীগের সমর্থক’ বলে এনসিপির নেতা-কর্মীরা অভিযোগ করেন।এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ ও সেনাবাহিনী নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। বলা হয়েছিল, সবকিছু ঠিক আছে। কিন্তু তাঁরা সমাবেশস্থলে এসে দেখেন পরিস্থিতি ঠিক নেই।
আরও খবর পড়ুন:

গোপালগঞ্জ জেলা কারাগারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় সরকারি গাড়িতে আগুন এবং জেলারের বাসভবনেও লুটপাট চালানো হয়। তবে এ ঘটনায় কোনো আসামি পালানোর খবর পাওয়া যায়নি।
আজ বুধবার (১৬ জুলাই) বিকেলের এ ঘটনায় কারাকর্মকর্তাসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে গোপালগঞ্জ জেলা কারাগারের ভারপ্রাপ্ত জেলার তানিয়া জামান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কারাগারের মূল ফটকে ভাঙচুর চালানো হয় এবং একটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। হামলার দায়িত্বরত বেশ কয়েকজন কারারক্ষী আহত হন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে হামলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
ভারপ্রাপ্ত জেলার তানিয়া জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, এনসিপির সমাবেশকে ঘিরে প্রথমে হামলা ও সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে জেলা কারাগারেও হামলা হয়। এ সময় কারাগারের প্রধান ফটক বন্ধ ছিল। দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এ হামলা চালানো হয়। তবে কোনো আসামি পালাতে পারেনি। এর আগেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা গেছে। তবে কারারক্ষীসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
জেলার জানান, এ সময় চারটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। বাসা বাড়িতে লুটপাট করা হয়। তাঁর বাসায়ও লুটপাট করা হয়েছে। তিনি নিজেও এ সময় আহত হয়েছেন।
এর আগে এ দিন দুপুরে গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশস্থলে এবং পরে দলটির নেতা-কর্মীদের গাড়িবহর লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা ঘটে। একই দিন পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং ইউএনওর গাড়িবহরে হামলা হয়।
এনসিপির পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে বুধবার সকাল থেকে উত্তপ্ত ছিল গোপালগঞ্জ। বেলা পৌনে ৩টার দিকে শহরের পৌর পার্কে সমাবেশ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একদল ব্যক্তি নেতা-কর্মীদের ঘিরে ধরে হামলার চেষ্টা করেন। চারদিক থেকে এনসিপির নেতা-কর্মী ও পুলিশ সদস্যদের বহনকারী গাড়ি আটকে দেন।
এ সময় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। এনসিপির নেতা-কর্মীরা অন্যদিক দিয়ে গাড়ি ঘুরিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
এ পরিস্থিতিতে গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. কামরুজ্জামান গোপালগঞ্জ জেলায় ১৪৪ ধারা জারি করেছেন। জেলা প্রশাসনের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
এর আগে বেলা পৌনে ২টার দিকে ২০০ থেকে ৩০০ লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে এনসিপির সমাবেশস্থলে যান। সে সময় মঞ্চের আশপাশে থাকা পুলিশ সদস্যরা সেখান থেকে দ্রুত আদালত চত্বরে ঢুকে পড়েন। একই সময়ে মঞ্চে ও মঞ্চের সামনে থাকা এনসিপির নেতা-কর্মীরাও দৌড়ে সরে যান।
হামলাকারীরা মঞ্চের চেয়ার ভাঙচুর করেন, ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন। ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে। একপর্যায়ে জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান ঘটনাস্থলে যান। এনসিপির নেতা-কর্মী ও পুলিশ এক হয়ে ধাওয়া দিলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান।
হামলাকারীরা সবাই ‘আওয়ামী লীগের সমর্থক’ বলে এনসিপির নেতা-কর্মীরা অভিযোগ করেন।এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ ও সেনাবাহিনী নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। বলা হয়েছিল, সবকিছু ঠিক আছে। কিন্তু তাঁরা সমাবেশস্থলে এসে দেখেন পরিস্থিতি ঠিক নেই।
আরও খবর পড়ুন:

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
১ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে