নাঈমুল হাসান, টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি

কয়েক বছর আগে ভারতে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিলেন শীর্ষ সন্ত্রাসী ত্রিমাতি সুব্রত বাইন। তবে ২০২২ সালের মার্চ মাসে ভারতের কারাগার থেকে পালিয়ে যান তিনি। তারপর থেকে কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি তাঁর।
তবে গত ৫ আগস্টের পর বাংলাদেশে আসেন সুব্রত বাইন। গাজীপুরের পুবাইলের হারবাইদ নন্দী বাড়ী গ্রামে বৃদ্ধ বাবা, তিন বোন ও তাঁর ছেলে রিপন বাইনের সঙ্গে দেখা করেন। এলাকায় মায়ের সমাধিও দেখতে যান সুব্রত।
ভারতের কারাগারে থাকাকালে তিনি মা, বাবা ও বোনদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। তারপর কয়েক বছর আর যোগাযোগ করেননি। এরই মধ্যে প্রায় দুই বছর আগে সুব্রত বাইনের মা কুমুলিনি বাইন মারা যান।
আজকের পত্রিকার প্রতিবেদককে এমনি তথ্য জানান সুব্রত বাইনের বাবা বিপুল বাইন। তিনি বলেন, ‘প্রায় দুই যুগ পর সুব্রত চলতি বছর দেশে ফিরে আমার সঙ্গে দেখা করে। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান পরিচালনার খবর পেয়ে সটকে পড়ে।’
এদিকে সেনাবাহিনীর অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের গ্রেপ্তার হওয়ার বিষয়টি জেনেছে তাঁর পরিবারের সদস্যরা। আজ মঙ্গলবার ভোরে কুষ্টিয়া শহরের কালিশংকরপুর সোনার বাংলা সড়ক এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিন সন্ধ্যায় পুবাইলের হারবাইদ নন্দী বাড়ী এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সুব্রত বাইনের পরিবারের সদস্যরা বাড়িতেই অবস্থান করছেন। সুব্রত বাইনের বাড়ির পাশেই থাকেন তাঁর দুই বোন মেরি, চেরি, আর ছোট বোন পরী থাকেন তাঁর স্বামীর বাড়ি ঢাকার মিরপুরে।
ছোট বোন মেরি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত এপ্রিল মাসে সুব্রত এসেছিল। আজ তার গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানতে পেরেছি। আমরা কারাগারে আমার ভাইকে দেখতে যাব।’
অপরদিকে একাধিক প্রতিবেশী জানান, গত আগস্ট মাসের পর বেশ কয়েকবার সুব্রত তাঁর বাবার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলে। তিনি গভীর রাতে আসতেন। তাঁর ফিরে আসায় প্রতিবেশীরা ভীত ছিলেন। তিনি স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির নেতা-কর্মীদের নিয়ে একটি চক্র তৈরি করতে চেয়েছিলেন। তাঁর গ্রেপ্তারের বিষয়টি শুনে স্বস্তি প্রকাশ করেন অনেকে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুবাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘সুব্রত বাইনের বাড়িতে আসার কোনো খবর আমাদের কাছে নেই। বিএনপি নেতাদের নিয়ে কোনো চক্র গঠন করার বিষয়টি আমাদের জানা নেই।’

কয়েক বছর আগে ভারতে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিলেন শীর্ষ সন্ত্রাসী ত্রিমাতি সুব্রত বাইন। তবে ২০২২ সালের মার্চ মাসে ভারতের কারাগার থেকে পালিয়ে যান তিনি। তারপর থেকে কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি তাঁর।
তবে গত ৫ আগস্টের পর বাংলাদেশে আসেন সুব্রত বাইন। গাজীপুরের পুবাইলের হারবাইদ নন্দী বাড়ী গ্রামে বৃদ্ধ বাবা, তিন বোন ও তাঁর ছেলে রিপন বাইনের সঙ্গে দেখা করেন। এলাকায় মায়ের সমাধিও দেখতে যান সুব্রত।
ভারতের কারাগারে থাকাকালে তিনি মা, বাবা ও বোনদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। তারপর কয়েক বছর আর যোগাযোগ করেননি। এরই মধ্যে প্রায় দুই বছর আগে সুব্রত বাইনের মা কুমুলিনি বাইন মারা যান।
আজকের পত্রিকার প্রতিবেদককে এমনি তথ্য জানান সুব্রত বাইনের বাবা বিপুল বাইন। তিনি বলেন, ‘প্রায় দুই যুগ পর সুব্রত চলতি বছর দেশে ফিরে আমার সঙ্গে দেখা করে। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান পরিচালনার খবর পেয়ে সটকে পড়ে।’
এদিকে সেনাবাহিনীর অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের গ্রেপ্তার হওয়ার বিষয়টি জেনেছে তাঁর পরিবারের সদস্যরা। আজ মঙ্গলবার ভোরে কুষ্টিয়া শহরের কালিশংকরপুর সোনার বাংলা সড়ক এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিন সন্ধ্যায় পুবাইলের হারবাইদ নন্দী বাড়ী এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সুব্রত বাইনের পরিবারের সদস্যরা বাড়িতেই অবস্থান করছেন। সুব্রত বাইনের বাড়ির পাশেই থাকেন তাঁর দুই বোন মেরি, চেরি, আর ছোট বোন পরী থাকেন তাঁর স্বামীর বাড়ি ঢাকার মিরপুরে।
ছোট বোন মেরি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত এপ্রিল মাসে সুব্রত এসেছিল। আজ তার গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানতে পেরেছি। আমরা কারাগারে আমার ভাইকে দেখতে যাব।’
অপরদিকে একাধিক প্রতিবেশী জানান, গত আগস্ট মাসের পর বেশ কয়েকবার সুব্রত তাঁর বাবার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলে। তিনি গভীর রাতে আসতেন। তাঁর ফিরে আসায় প্রতিবেশীরা ভীত ছিলেন। তিনি স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির নেতা-কর্মীদের নিয়ে একটি চক্র তৈরি করতে চেয়েছিলেন। তাঁর গ্রেপ্তারের বিষয়টি শুনে স্বস্তি প্রকাশ করেন অনেকে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুবাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘সুব্রত বাইনের বাড়িতে আসার কোনো খবর আমাদের কাছে নেই। বিএনপি নেতাদের নিয়ে কোনো চক্র গঠন করার বিষয়টি আমাদের জানা নেই।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে