
গাজীপুরের শ্রীপুরে ট্রেন দুর্ঘটনার পর নাশকতাকারীদের খুঁজতে পাশের গ্রামে অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উপজেলার প্রহলাদপুর ইউনিয়নের বনখড়িয়া গ্রামে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনী এই অভিযান পরিচালনা করছে।
এ বিষয়ে গাজীপুর ব্যাটালিয়ন (৬৩ বিজিবি) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, গতকাল বুধবার একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। ভবিষ্যতে যাতে এই এলাকায় এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে, সে জন্য সিভিল প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য নিয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, ‘আমরা মনে করি, যেভাবে গ্যাস দিয়ে রেললাইন কেটে ফেলা হয়েছে, সে কাজ এই অঞ্চলের মানুষ ছাড়া বাইরের কোনো জেলা থেকে লোকজন এসে করেনি। বিষয়টি মাথায় রেখে আমরা বনখড়িয়া গ্রাম ও আশপাশের এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছি। আমরা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কোনো সন্দেহভাজনকে পেলে গ্রেপ্তার করব।’
সরেজমিনে দেখা যায়, শ্রীপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল মামুনের নেতৃত্বে তিন প্লাটুন বিজিবি, বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও র্যাব সদস্যদের সমন্বয়ে বনখড়িয়া গ্রামে অভিযান চালানো হয়। এ সময় বিভিন্ন বাড়ি, দোকানপাট, সন্দেহভাজন ব্যক্তি, গ্যাস সিলিন্ডারের দোকানিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল মামুন আজকের পত্রিকাকে বলেন, সকাল থেকে ট্রেনে নাশকতার ঘটনায় বনখড়িয়া ও আশপাশের এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। যৌথ অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য রয়েছে।
উল্লেখ্য, গতকাল বুধবার ভোরে উপজেলার প্রহলাদপুর ইউনিয়নের বনখড়িয়া গ্রামের ঢাকা-ময়মনসিংহ রেললাইনে ঢাকাগামী মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিনসহ সাতটি বগি লাইনচ্যুত হয়। তাতে একজন নিহতসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়।

গাজীপুরের শ্রীপুরে ট্রেন দুর্ঘটনার পর নাশকতাকারীদের খুঁজতে পাশের গ্রামে অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উপজেলার প্রহলাদপুর ইউনিয়নের বনখড়িয়া গ্রামে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনী এই অভিযান পরিচালনা করছে।
এ বিষয়ে গাজীপুর ব্যাটালিয়ন (৬৩ বিজিবি) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, গতকাল বুধবার একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। ভবিষ্যতে যাতে এই এলাকায় এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে, সে জন্য সিভিল প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য নিয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, ‘আমরা মনে করি, যেভাবে গ্যাস দিয়ে রেললাইন কেটে ফেলা হয়েছে, সে কাজ এই অঞ্চলের মানুষ ছাড়া বাইরের কোনো জেলা থেকে লোকজন এসে করেনি। বিষয়টি মাথায় রেখে আমরা বনখড়িয়া গ্রাম ও আশপাশের এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছি। আমরা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কোনো সন্দেহভাজনকে পেলে গ্রেপ্তার করব।’
সরেজমিনে দেখা যায়, শ্রীপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল মামুনের নেতৃত্বে তিন প্লাটুন বিজিবি, বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও র্যাব সদস্যদের সমন্বয়ে বনখড়িয়া গ্রামে অভিযান চালানো হয়। এ সময় বিভিন্ন বাড়ি, দোকানপাট, সন্দেহভাজন ব্যক্তি, গ্যাস সিলিন্ডারের দোকানিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল মামুন আজকের পত্রিকাকে বলেন, সকাল থেকে ট্রেনে নাশকতার ঘটনায় বনখড়িয়া ও আশপাশের এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। যৌথ অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য রয়েছে।
উল্লেখ্য, গতকাল বুধবার ভোরে উপজেলার প্রহলাদপুর ইউনিয়নের বনখড়িয়া গ্রামের ঢাকা-ময়মনসিংহ রেললাইনে ঢাকাগামী মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিনসহ সাতটি বগি লাইনচ্যুত হয়। তাতে একজন নিহতসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে