কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি

‘মা, আমি আবার বিকেলে আসতেছি। তোমার সাথে কথা আছে।’ এটাই ছিল মায়ের সঙ্গে সিয়ামের শেষ কথা। মায়ের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান তিনি।
নিহত কাজী সিয়াম (২৪) গাজীপুরের কালীগঞ্জের পৈলানপুর এলাকার মৃত কাজী রুহুল আমিনের ছেলে। গতকাল শনিবার দুপুরে উপজেলার পৈলানপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পরিবার বলছে, সিয়াম গাজীপুরের টঙ্গীতে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। সেই সুবাদে তিনি টঙ্গী এলাকায় থাকতেন। গতকাল সেখান থেকে ঈদের নামাজ পড়ে মায়ের সঙ্গে দেখা করতে বাড়িতে যান। মায়ের সঙ্গে কথা বলে জানান, কিছু কাজ আছে সেগুলো সেরে আবার বিকেলে বাড়িতে ফিরবেন। বিদায় নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে মোটরসাইকেলে চড়ে পৈলানপুর বটতলায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। তিনি পেছনে বসে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে থাকা মোটরসাইকেলচালক কিছুটা আহত হয়েছেন।
নিহত সিয়ামের মা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কিছু কাজ আছে বলে সিয়াম বাইরে গেল। বলল, মা, আমি আবার বিকেলে আসতেছি। তোমার সাথে কথা আছে। কিন্তু ফিরল লাশ হয়ে।’
সিয়ামের মা আরও বলেন, ‘ওর বাবা মারা যাওয়ার পর থেকেই আমার ছেলে আমার সংসারকে ধরে রেখেছিল। সে ছোটবেলা থেকেই পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছে। আমরা মেয়েও দেখছিলাম বিয়ে করাব বলে। এখন ছেলেকে হারিয়ে আমার সব শেষ হয়ে গেল।’
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই সিয়ামের মৃত্যু হয়েছে।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফায়েজুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মরদেহ নিয়ে থানায় আসি। ময়নাতদন্তের ব্যাপারে পরিবারের অনাপত্তি থাকায় তাদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করি। এ ব্যাপারে কোনো মামলা রুজু হয়নি।’

‘মা, আমি আবার বিকেলে আসতেছি। তোমার সাথে কথা আছে।’ এটাই ছিল মায়ের সঙ্গে সিয়ামের শেষ কথা। মায়ের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান তিনি।
নিহত কাজী সিয়াম (২৪) গাজীপুরের কালীগঞ্জের পৈলানপুর এলাকার মৃত কাজী রুহুল আমিনের ছেলে। গতকাল শনিবার দুপুরে উপজেলার পৈলানপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পরিবার বলছে, সিয়াম গাজীপুরের টঙ্গীতে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। সেই সুবাদে তিনি টঙ্গী এলাকায় থাকতেন। গতকাল সেখান থেকে ঈদের নামাজ পড়ে মায়ের সঙ্গে দেখা করতে বাড়িতে যান। মায়ের সঙ্গে কথা বলে জানান, কিছু কাজ আছে সেগুলো সেরে আবার বিকেলে বাড়িতে ফিরবেন। বিদায় নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে মোটরসাইকেলে চড়ে পৈলানপুর বটতলায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। তিনি পেছনে বসে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে থাকা মোটরসাইকেলচালক কিছুটা আহত হয়েছেন।
নিহত সিয়ামের মা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কিছু কাজ আছে বলে সিয়াম বাইরে গেল। বলল, মা, আমি আবার বিকেলে আসতেছি। তোমার সাথে কথা আছে। কিন্তু ফিরল লাশ হয়ে।’
সিয়ামের মা আরও বলেন, ‘ওর বাবা মারা যাওয়ার পর থেকেই আমার ছেলে আমার সংসারকে ধরে রেখেছিল। সে ছোটবেলা থেকেই পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছে। আমরা মেয়েও দেখছিলাম বিয়ে করাব বলে। এখন ছেলেকে হারিয়ে আমার সব শেষ হয়ে গেল।’
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই সিয়ামের মৃত্যু হয়েছে।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফায়েজুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মরদেহ নিয়ে থানায় আসি। ময়নাতদন্তের ব্যাপারে পরিবারের অনাপত্তি থাকায় তাদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করি। এ ব্যাপারে কোনো মামলা রুজু হয়নি।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে