
গাজীপুরের শ্রীপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে প্রাণীর মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর বিষয়টি গোপন রাখে পার্ক কর্তৃপক্ষ। তবে মৃত্যুর পরপরই থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষ।
বিষয়টি নিশ্চিত করে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম নাসিম জানান, গত সপ্তাহে প্রাণীর মৃত্যুর বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী বনসংরক্ষক এসিএফ মো. রফিকুল ইসলাম। এর আগে পার্কে একটি ব্লু ম্যাকাউ পাখির মৃত্যু হয়েছে।
আজ শুক্রবার সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে প্রাণী মৃত্যুর বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি জানান, গত ৭ জুলাই একটি ব্লু ম্যাকাউ পাখি ও একটি ওয়াইল্ডবিস্টের বাচ্চার মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে পার্ক কর্তৃপক্ষ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছে।
থানায় লিখিত সাধারণ ডায়েরি সূত্রে জানা গেছে, ওয়াইল্ডবিস্টের একটি বাচ্চা এক বছরের বেশি সময় যাবৎ অসুস্থ থাকার পর ৭ জুলাই মারা গেছে। এ ছাড়া একটি ব্লু ম্যাকাউ পার্কের বেষ্টনীর কোয়ারেন্টিন শেডে মারা যায়।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী বন সংরক্ষক এসিএফ মো. রফিকুল ইসলামের বক্তব্য জানতে একাধিকবার তাঁকে কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বন বিভাগের বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতির সংরক্ষণ অঞ্চলের বন সংরক্ষক ও বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের প্রকল্প পরিচালক ইমরান আহমেদ প্রাণী মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, সম্প্রতি অসুস্থজনিত কারণে সাফারি পার্কে একটি পাখি ও একটি প্রাণীর মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে শ্রীপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। পার্কে প্রাণী মৃত্যুুর বিষয়গুলো গোপন রাখার তথ্য সঠিক নয়।
গত বছরের ২ জানুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে ১১টি জেব্রা, একটি বাঘ ও একটি সিংহী মারা যায়। ওই বছর মোট ২৬টি প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাণী মারা গেলেও সেই সময় সংশ্লিষ্ট থানায় জিডি করা হয়নি।

গাজীপুরের শ্রীপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে প্রাণীর মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর বিষয়টি গোপন রাখে পার্ক কর্তৃপক্ষ। তবে মৃত্যুর পরপরই থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষ।
বিষয়টি নিশ্চিত করে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম নাসিম জানান, গত সপ্তাহে প্রাণীর মৃত্যুর বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী বনসংরক্ষক এসিএফ মো. রফিকুল ইসলাম। এর আগে পার্কে একটি ব্লু ম্যাকাউ পাখির মৃত্যু হয়েছে।
আজ শুক্রবার সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে প্রাণী মৃত্যুর বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি জানান, গত ৭ জুলাই একটি ব্লু ম্যাকাউ পাখি ও একটি ওয়াইল্ডবিস্টের বাচ্চার মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে পার্ক কর্তৃপক্ষ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছে।
থানায় লিখিত সাধারণ ডায়েরি সূত্রে জানা গেছে, ওয়াইল্ডবিস্টের একটি বাচ্চা এক বছরের বেশি সময় যাবৎ অসুস্থ থাকার পর ৭ জুলাই মারা গেছে। এ ছাড়া একটি ব্লু ম্যাকাউ পার্কের বেষ্টনীর কোয়ারেন্টিন শেডে মারা যায়।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী বন সংরক্ষক এসিএফ মো. রফিকুল ইসলামের বক্তব্য জানতে একাধিকবার তাঁকে কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বন বিভাগের বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতির সংরক্ষণ অঞ্চলের বন সংরক্ষক ও বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের প্রকল্প পরিচালক ইমরান আহমেদ প্রাণী মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, সম্প্রতি অসুস্থজনিত কারণে সাফারি পার্কে একটি পাখি ও একটি প্রাণীর মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে শ্রীপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। পার্কে প্রাণী মৃত্যুুর বিষয়গুলো গোপন রাখার তথ্য সঠিক নয়।
গত বছরের ২ জানুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে ১১টি জেব্রা, একটি বাঘ ও একটি সিংহী মারা যায়। ওই বছর মোট ২৬টি প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাণী মারা গেলেও সেই সময় সংশ্লিষ্ট থানায় জিডি করা হয়নি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে