
গাজীপুরের শ্রীপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন পোশাকশ্রমিকেরা। এ সময় মহাসড়কের দুই পাশে যানবাহন আটকে দীর্ঘ জটের সৃষ্টি হয়েছে। প্রচণ্ড গরমে ভোগান্তি অসহনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয় যাত্রীদের।
আজ রোববার বেলা ২টা থেকে উপজেলার আবদার গ্রামের জৈনা বাজার বাসস্ট্যান্ডে এইচ ডি এফ অ্যাপারেলস নামের একটি তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা বিক্ষোভ করেন। বিকেল ৫টা পর্যন্ত (এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত) সড়কে শ্রমিকেরা অবস্থান করেন।
এইচ ডি এফ অ্যাপারেলস কারখানার নারী শ্রমিক অভিযোগ করেন, গত আগস্ট মাসের বেতন বকেয়া পাওনা। কিন্তু কারখানা কর্তৃপক্ষ বেতন পরিশোধ করছে না। বেতন পরিশোধ করার কথা ৭ তারিখে। কিন্তু আজ ২২ তারিখ তবুও বেতন পরিশোধ করেনি।
ওই কারখানার শ্রমিক লিমা আক্তার বলেন, ‘বেতনের তারিখ শেষ হতে না হতেই বাড়ির মালিক ভাড়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। আর মুদিদোকানি বাকি পরিশোধের জন্য। বাড়ির মালিক আর দোকানি অজুহাত বলে বাড়ি ছাড়তে বলে। সামান্য কষ্টের কারণে রাস্তায় আসেনি। এমন রোদে আপনারা তো থাকতে পারেন না। কিন্তু আপনার ঘণ্টাব্যাপী আছি কীভাবে? পেট তো আর কষ্ট বুঝে না।’
কারখানার শ্রমিক সোহেল বলেন, ‘৭ তারিখের পর থেকে ১০ তারিখ দিয়েছে বকেয়া বেতন পরিশোধের জন্য। কিন্তু পরিশোধ করেনি। আজ দেয়াল পিঠ ঠেকেছে, এ জন্য রাস্তায় এসেছি। আমরা জানি, হাজার হাজার যাত্রীর কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু আমাদের কষ্ট তো কম না। এত কষ্ট করে ডিউটি করি, আর মাস শেষে বেতনের জন্য পিছু পিছু ঘুরতে হয়।’
এইচ ডি এফ অ্যাপারেলস কারখানার মানবসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা পিন্স মাহমুদ বলেন, ‘আমরা শ্রমিকদের বেতন নিয়মিত পরিশোধ করি। কিন্তু এ মাসে মালিকের একটু অর্থনৈতিক সমস্যা থাকার কারণে বেতন পরিশোধ করতে পারিনি। আগস্ট মাসের বকেয়া বেতন চলতি মাসের ২৪ তারিখ পরিশোধ করার কথা জানালে শ্রমিকেরা মহাসড়কে চলে যায়।’
শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে থানা ও শিল্প পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে শ্রমিকদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা হচ্ছে। শ্রমিকদের বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা চলছে।

গাজীপুরের শ্রীপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন পোশাকশ্রমিকেরা। এ সময় মহাসড়কের দুই পাশে যানবাহন আটকে দীর্ঘ জটের সৃষ্টি হয়েছে। প্রচণ্ড গরমে ভোগান্তি অসহনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয় যাত্রীদের।
আজ রোববার বেলা ২টা থেকে উপজেলার আবদার গ্রামের জৈনা বাজার বাসস্ট্যান্ডে এইচ ডি এফ অ্যাপারেলস নামের একটি তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা বিক্ষোভ করেন। বিকেল ৫টা পর্যন্ত (এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত) সড়কে শ্রমিকেরা অবস্থান করেন।
এইচ ডি এফ অ্যাপারেলস কারখানার নারী শ্রমিক অভিযোগ করেন, গত আগস্ট মাসের বেতন বকেয়া পাওনা। কিন্তু কারখানা কর্তৃপক্ষ বেতন পরিশোধ করছে না। বেতন পরিশোধ করার কথা ৭ তারিখে। কিন্তু আজ ২২ তারিখ তবুও বেতন পরিশোধ করেনি।
ওই কারখানার শ্রমিক লিমা আক্তার বলেন, ‘বেতনের তারিখ শেষ হতে না হতেই বাড়ির মালিক ভাড়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। আর মুদিদোকানি বাকি পরিশোধের জন্য। বাড়ির মালিক আর দোকানি অজুহাত বলে বাড়ি ছাড়তে বলে। সামান্য কষ্টের কারণে রাস্তায় আসেনি। এমন রোদে আপনারা তো থাকতে পারেন না। কিন্তু আপনার ঘণ্টাব্যাপী আছি কীভাবে? পেট তো আর কষ্ট বুঝে না।’
কারখানার শ্রমিক সোহেল বলেন, ‘৭ তারিখের পর থেকে ১০ তারিখ দিয়েছে বকেয়া বেতন পরিশোধের জন্য। কিন্তু পরিশোধ করেনি। আজ দেয়াল পিঠ ঠেকেছে, এ জন্য রাস্তায় এসেছি। আমরা জানি, হাজার হাজার যাত্রীর কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু আমাদের কষ্ট তো কম না। এত কষ্ট করে ডিউটি করি, আর মাস শেষে বেতনের জন্য পিছু পিছু ঘুরতে হয়।’
এইচ ডি এফ অ্যাপারেলস কারখানার মানবসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা পিন্স মাহমুদ বলেন, ‘আমরা শ্রমিকদের বেতন নিয়মিত পরিশোধ করি। কিন্তু এ মাসে মালিকের একটু অর্থনৈতিক সমস্যা থাকার কারণে বেতন পরিশোধ করতে পারিনি। আগস্ট মাসের বকেয়া বেতন চলতি মাসের ২৪ তারিখ পরিশোধ করার কথা জানালে শ্রমিকেরা মহাসড়কে চলে যায়।’
শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে থানা ও শিল্প পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে শ্রমিকদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা হচ্ছে। শ্রমিকদের বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা চলছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে