টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরে টঙ্গীতে তেলবাহী ট্রাকের চাপায় সাইফ মাহমুদ খান (৪৬) নামে এক পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার টঙ্গীর কলেজ গেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শ্রমিক মাগুরা জেলার শালিখা থানার দেশমুখ পাড়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। সাইফ তার স্ত্রী দৃষ্টি আক্তারকে নিয়ে টঙ্গীর হোসেন মার্কেট এলাকার ভাড়া বাড়িতে বাস করতেন।
টঙ্গী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শাহিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নিহত শ্রমিকের লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের কলেজ গেট এলাকায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন সাইফ ও তার স্ত্রী দৃষ্টি আক্তার। এ সময় গাজীপুরগামী একটি তেলবাহী ট্রাক সাইফকে চাপা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহতাবস্থায় উদ্ধার করে টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে হাসপাতাল থেকে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
নিহতের স্ত্রী দৃষ্টি আক্তার বলেন, ‘সাইফ টঙ্গীর একটি পোশাক কারখানায় কাজ করত। আজ আমরা ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন করে কলেজগেট এলাকায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ একটি তেলবাহী ট্রাক সাইফকে চাপা দেয়।’
শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ইসরাত জাহান এনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, সাইফকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে। পরে হাসপাতাল থেকে পুলিশে খবর পাঠানো হয়।’
টঙ্গী পশ্চিম থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। ট্রাকচালক আটক হয়েছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

গাজীপুরে টঙ্গীতে তেলবাহী ট্রাকের চাপায় সাইফ মাহমুদ খান (৪৬) নামে এক পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার টঙ্গীর কলেজ গেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শ্রমিক মাগুরা জেলার শালিখা থানার দেশমুখ পাড়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। সাইফ তার স্ত্রী দৃষ্টি আক্তারকে নিয়ে টঙ্গীর হোসেন মার্কেট এলাকার ভাড়া বাড়িতে বাস করতেন।
টঙ্গী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শাহিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নিহত শ্রমিকের লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের কলেজ গেট এলাকায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন সাইফ ও তার স্ত্রী দৃষ্টি আক্তার। এ সময় গাজীপুরগামী একটি তেলবাহী ট্রাক সাইফকে চাপা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহতাবস্থায় উদ্ধার করে টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে হাসপাতাল থেকে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
নিহতের স্ত্রী দৃষ্টি আক্তার বলেন, ‘সাইফ টঙ্গীর একটি পোশাক কারখানায় কাজ করত। আজ আমরা ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন করে কলেজগেট এলাকায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ একটি তেলবাহী ট্রাক সাইফকে চাপা দেয়।’
শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ইসরাত জাহান এনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, সাইফকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে। পরে হাসপাতাল থেকে পুলিশে খবর পাঠানো হয়।’
টঙ্গী পশ্চিম থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। ট্রাকচালক আটক হয়েছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে