গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুরে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিক রুবিনা খাতুন নিহতের ঘটনার দুই দিনের মাথায় দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে গাজীপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছোরা ও মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহত পোশাক কর্মী রুবিনা খাতুন (২২) স্থানীয় শেনন সোয়েটার লিমিটেড কারখানায় ট্রিমিং সেকশনে জুনিয়র অপারেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ময়মনসিংহের নান্দাইল থানার কামালপুর গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে নাঈম ইসলাম (২৩) এবং নীলফামারী জেলার ডোমার থানার নিজবুডাবুরী গ্রামের বাদল মিয়ার ছেলে রাকিবুল ইসলাম ইমন (২৩)।
গতকাল শুক্রবার রাতে তাদের ময়মনসিংহ এবং গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ কামাল হোসেন এতথ্য জানান।
স্থানীয়রা জানান, গত বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৮ টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া বাইপাস এলাকা থেকে একটি অটোরিকশা যোগে অপর দুই যাত্রীর সঙ্গে রুবিনা কোনাবাড়ীর দিকে যাচ্ছিলেন। পথে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মহানগরীর কোনাবাড়ী থানাধীন বাইমাইল ব্রিজে পৌঁছালে পেছন দিক থেকে একটি মোটরসাইকেলে চড়ে তিন যুবক অটোরিকশার সামনে এসে গতিরোধ করে। তারা অটোরিকশার নারী যাত্রীর কাছে তার হাতে থাকা মোবাইল দিয়ে দিতে বলে। কিন্তু ওই নারী মোবাইল দিতে অস্বীকার করলে যুবকেরা নারীর পিঠে এবং উরতে ছুরিকাঘাত করে হাতের মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে চলে যায়।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে কোনাবাড়ী পপুলার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, ‘সিসিটিভি ফুটেজসহ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় মহানগর গোয়েন্দা (উত্তর) বিভাগের একটি চৌকস টিম পুলিশ পরিদর্শক মো. শাহ আলমের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে গতকাল শুক্রবার ময়মনসিংহ জেলাসহ গাজীপুর মহানগর এবং গাজীপুর জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত ২ আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারের সময় আসামিদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি রক্তমাখা ছোরা এবং একটি লাল রঙের পালসার মোটরসাইকেল উদ্ধার করে জব্দ করা হয়। শনিবার দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

গাজীপুরে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিক রুবিনা খাতুন নিহতের ঘটনার দুই দিনের মাথায় দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে গাজীপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছোরা ও মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহত পোশাক কর্মী রুবিনা খাতুন (২২) স্থানীয় শেনন সোয়েটার লিমিটেড কারখানায় ট্রিমিং সেকশনে জুনিয়র অপারেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ময়মনসিংহের নান্দাইল থানার কামালপুর গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে নাঈম ইসলাম (২৩) এবং নীলফামারী জেলার ডোমার থানার নিজবুডাবুরী গ্রামের বাদল মিয়ার ছেলে রাকিবুল ইসলাম ইমন (২৩)।
গতকাল শুক্রবার রাতে তাদের ময়মনসিংহ এবং গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ কামাল হোসেন এতথ্য জানান।
স্থানীয়রা জানান, গত বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৮ টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া বাইপাস এলাকা থেকে একটি অটোরিকশা যোগে অপর দুই যাত্রীর সঙ্গে রুবিনা কোনাবাড়ীর দিকে যাচ্ছিলেন। পথে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মহানগরীর কোনাবাড়ী থানাধীন বাইমাইল ব্রিজে পৌঁছালে পেছন দিক থেকে একটি মোটরসাইকেলে চড়ে তিন যুবক অটোরিকশার সামনে এসে গতিরোধ করে। তারা অটোরিকশার নারী যাত্রীর কাছে তার হাতে থাকা মোবাইল দিয়ে দিতে বলে। কিন্তু ওই নারী মোবাইল দিতে অস্বীকার করলে যুবকেরা নারীর পিঠে এবং উরতে ছুরিকাঘাত করে হাতের মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে চলে যায়।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে কোনাবাড়ী পপুলার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, ‘সিসিটিভি ফুটেজসহ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় মহানগর গোয়েন্দা (উত্তর) বিভাগের একটি চৌকস টিম পুলিশ পরিদর্শক মো. শাহ আলমের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে গতকাল শুক্রবার ময়মনসিংহ জেলাসহ গাজীপুর মহানগর এবং গাজীপুর জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত ২ আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারের সময় আসামিদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি রক্তমাখা ছোরা এবং একটি লাল রঙের পালসার মোটরসাইকেল উদ্ধার করে জব্দ করা হয়। শনিবার দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
২৮ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে