টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি

সৌদি আরবে ওমরাহ পালন করতে গিয়ে আটজন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে নিহত ইমাম হোসাইন রনির (৪০) বাড়ি গাজীপুরের টঙ্গীতে। তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিতের পর থেকেই বাড়িতে মাতম চলছে। স্বজনদের আহাজারিতে চারপাশের পরিবেশ যেন ভারী হয়ে উঠেছে। স্বজনেরা দ্রুত রনির মরদেহ দেশে আনার দাবি জানিয়েছেন।
আজ বুধবার রনির বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, আহাজারি করছেন তাঁর স্ত্রী শিমু আক্তার (২৮)। বাবা আব্দুল লতিফ (৭০) ছেলে হারিয়ে অঝোরে কেঁদেই চলেছেন। ছোট ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যুর কথা মনে করে বড় বোন হাজেরা খাতুন (৪৫) বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন।
নিহত রনির ছোট ভাই হোসাইন আহমেদ জসিম (৩৮) আজকের পত্রিকাকে জানান, চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জে তাঁদের গ্রামের বাড়ি। টঙ্গীর বড় দেওড়া জামে মসজিদ রোডে বাড়ি করে দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা সপরিবারে বসবাস করে আসছেন। রনি দেওড়া এলাকায় টেইলার্স ও মুদিদোকানে কাজ করতেন। ব্যবসায় লোকসান হওয়ার পর পাড়ি জমান সৌদি আরবে। ৮ বছর ধরে সৌদি আরবে একটি কোম্পানিতে চাকরি করেন। দুই মাস আগে ছুটি নিয়ে দেশে আসেন। ছুটি কাটিয়ে গত শনিবার সৌদি আরবের উদ্দেশে দেশত্যাগ করেন।
জসিম আরও বলেন, ‘আগামী ১ এপ্রিল তাঁর কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। চাকরিতে যোগ দেওয়ার আগে হাতে বেশ কিছুদিন সময় থাকায় ওমরাহ পালন করে সবার জন্য দোয়া করার কথা ছিল ভাইয়ার। সেই আশা আর পূরণ হলো না তাঁর। সরকার তাঁর লাশ দ্রুত ফিরিয়ে আনবে বলে আশা করি।’
রনির ছোট বোন সীমা আক্তার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রনি দাদা দুই মাসের ছুটিতে ফেব্রুয়ারি মাসের ৫ তারিখে বাসায় আসেন ও ৭ তারিখে বিয়ে করেন। তাঁর প্রথম স্ত্রী এক সন্তান রেখে তাঁকে তালাক দিয়ে চলে গেছে। দাদার প্রথম পক্ষের একমাত্র ছেলে ইসমাইল হোসেন (১১) স্থানীয় এরাবিক ইনস্টিটিউট নামের একটি মাদ্রাসায় তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তাঁর ছেলে ইসমাইল দাদার সঙ্গেই থাকে। এই অবস্থায় ছুটিতে এবার বাড়ি এসে শিমু আক্তারকে বিয়ে করেছিলেন।’

সৌদি আরবে ওমরাহ পালন করতে গিয়ে আটজন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে নিহত ইমাম হোসাইন রনির (৪০) বাড়ি গাজীপুরের টঙ্গীতে। তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিতের পর থেকেই বাড়িতে মাতম চলছে। স্বজনদের আহাজারিতে চারপাশের পরিবেশ যেন ভারী হয়ে উঠেছে। স্বজনেরা দ্রুত রনির মরদেহ দেশে আনার দাবি জানিয়েছেন।
আজ বুধবার রনির বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, আহাজারি করছেন তাঁর স্ত্রী শিমু আক্তার (২৮)। বাবা আব্দুল লতিফ (৭০) ছেলে হারিয়ে অঝোরে কেঁদেই চলেছেন। ছোট ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যুর কথা মনে করে বড় বোন হাজেরা খাতুন (৪৫) বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন।
নিহত রনির ছোট ভাই হোসাইন আহমেদ জসিম (৩৮) আজকের পত্রিকাকে জানান, চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জে তাঁদের গ্রামের বাড়ি। টঙ্গীর বড় দেওড়া জামে মসজিদ রোডে বাড়ি করে দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা সপরিবারে বসবাস করে আসছেন। রনি দেওড়া এলাকায় টেইলার্স ও মুদিদোকানে কাজ করতেন। ব্যবসায় লোকসান হওয়ার পর পাড়ি জমান সৌদি আরবে। ৮ বছর ধরে সৌদি আরবে একটি কোম্পানিতে চাকরি করেন। দুই মাস আগে ছুটি নিয়ে দেশে আসেন। ছুটি কাটিয়ে গত শনিবার সৌদি আরবের উদ্দেশে দেশত্যাগ করেন।
জসিম আরও বলেন, ‘আগামী ১ এপ্রিল তাঁর কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। চাকরিতে যোগ দেওয়ার আগে হাতে বেশ কিছুদিন সময় থাকায় ওমরাহ পালন করে সবার জন্য দোয়া করার কথা ছিল ভাইয়ার। সেই আশা আর পূরণ হলো না তাঁর। সরকার তাঁর লাশ দ্রুত ফিরিয়ে আনবে বলে আশা করি।’
রনির ছোট বোন সীমা আক্তার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রনি দাদা দুই মাসের ছুটিতে ফেব্রুয়ারি মাসের ৫ তারিখে বাসায় আসেন ও ৭ তারিখে বিয়ে করেন। তাঁর প্রথম স্ত্রী এক সন্তান রেখে তাঁকে তালাক দিয়ে চলে গেছে। দাদার প্রথম পক্ষের একমাত্র ছেলে ইসমাইল হোসেন (১১) স্থানীয় এরাবিক ইনস্টিটিউট নামের একটি মাদ্রাসায় তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তাঁর ছেলে ইসমাইল দাদার সঙ্গেই থাকে। এই অবস্থায় ছুটিতে এবার বাড়ি এসে শিমু আক্তারকে বিয়ে করেছিলেন।’

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
২৮ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে