গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুরের জয়দেবপুরে তেলবাহী ট্রেনের সঙ্গে যাত্রীবাহী ট্রেনের সংঘর্ষে চালকসহ চারজন আহত হয়েছে। আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে জয়দেবপুর রেলস্টেশনের আউটার সিগনালে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তাতে টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনের ইঞ্জিনসহ চারটি এবং তেলবাহী ট্রেনের ইঞ্জিনসহ তিনটি বগি লাইনচ্যুত হয়। দুর্ঘটনার পর এই পথে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত রেলওয়ের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য আবদুল মজিদ আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, টাঙ্গাইল থেকে ছেড়ে আসা টাঙ্গাইল কম্পিউটার ট্রেনটি বেলা ১১টায় জয়দেবপুর স্টেশনে যাত্রাবিরতি শেষে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। ট্রেনটি স্টেশন থেকে ছেড়ে আউটার সিগনালে পৌঁছার পর লাইন ক্রসিং করার সময় ছোট দেওরা এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি তেলবাহী ট্রেনের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে।
আবদুল মজিদ আরও বলেন, দুর্ঘটনায় যাত্রীবাহী ট্রেনের লোকো মাস্টারসহ (চালক) চারজন আহত হয়েছেন। তাঁদের উদ্ধার করে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। খবর পেয়ে মহানগর পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন।
এ বিষয়ে ডিসি আবুল ফাতেহ মো. শফিকুল ইসলাম দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, ভুল সিগনালের কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। যাত্রীশূন্য ট্রেনটি ঢাকায় ফিরছিল। অন্যদিকে তেলবাহী ট্রেনটি যাচ্ছিল রংপুরে। এ সময় যাত্রীবাহী ট্রেনটি তেলবাহী ট্রেনের লাইনে ঢুকে পড়লে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘটনা তদন্তে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মতিউর রহমানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এদিকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার মাসুদ সারওয়ার বলেন, জয়দেবপুরে একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। শুধু ওই লাইনে ট্রেন বন্ধ আছে। এখন পশ্চিমাঞ্চলের কোনো ট্রেন নেই। দুপুরের পর আছে। তাই ঢাকা থেকে কোনো ট্রেন যাচ্ছে না।

গাজীপুরের জয়দেবপুরে তেলবাহী ট্রেনের সঙ্গে যাত্রীবাহী ট্রেনের সংঘর্ষে চালকসহ চারজন আহত হয়েছে। আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে জয়দেবপুর রেলস্টেশনের আউটার সিগনালে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তাতে টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনের ইঞ্জিনসহ চারটি এবং তেলবাহী ট্রেনের ইঞ্জিনসহ তিনটি বগি লাইনচ্যুত হয়। দুর্ঘটনার পর এই পথে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত রেলওয়ের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য আবদুল মজিদ আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, টাঙ্গাইল থেকে ছেড়ে আসা টাঙ্গাইল কম্পিউটার ট্রেনটি বেলা ১১টায় জয়দেবপুর স্টেশনে যাত্রাবিরতি শেষে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। ট্রেনটি স্টেশন থেকে ছেড়ে আউটার সিগনালে পৌঁছার পর লাইন ক্রসিং করার সময় ছোট দেওরা এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি তেলবাহী ট্রেনের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে।
আবদুল মজিদ আরও বলেন, দুর্ঘটনায় যাত্রীবাহী ট্রেনের লোকো মাস্টারসহ (চালক) চারজন আহত হয়েছেন। তাঁদের উদ্ধার করে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। খবর পেয়ে মহানগর পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন।
এ বিষয়ে ডিসি আবুল ফাতেহ মো. শফিকুল ইসলাম দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, ভুল সিগনালের কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। যাত্রীশূন্য ট্রেনটি ঢাকায় ফিরছিল। অন্যদিকে তেলবাহী ট্রেনটি যাচ্ছিল রংপুরে। এ সময় যাত্রীবাহী ট্রেনটি তেলবাহী ট্রেনের লাইনে ঢুকে পড়লে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘটনা তদন্তে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মতিউর রহমানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এদিকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার মাসুদ সারওয়ার বলেন, জয়দেবপুরে একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। শুধু ওই লাইনে ট্রেন বন্ধ আছে। এখন পশ্চিমাঞ্চলের কোনো ট্রেন নেই। দুপুরের পর আছে। তাই ঢাকা থেকে কোনো ট্রেন যাচ্ছে না।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে