নাঈমুল হাসান, টঙ্গী (গাজীপুর)

‘যদি জানতাম ও আন্দোলনে যাইব, তাইলে আমিও লগে যাইতাম। একলগেই গুলি খাইতাম। বাপজান খুব কষ্ট পাইছে। কেন মারলেন ওরে?’
১৮ জুলাই রাজধানীর উত্তরায় কোটা আন্দোলনে গিয়ে গুলিতে নিহত রাহাত হোসাইন শরিফের (১৭) মা স্বপ্না আক্তার কেঁদে কেঁদে কথাগুলো বলছিলেন।
মা–বাবার একমাত্র সন্তান ছিল রাহাত হোসাইন শরিফ। ২০২৪ সালে গাজীপুরের টঙ্গীর শহীদ স্মৃতি উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। চলতি জুলাই মাসে রাজধানীর আজমপুর এলাকার নওয়াব হাবিবুল্লাহ মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হয় সে। তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদীর রায়পুরায়।
পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা ফেরাতে রাহাতের মা স্বপ্না আক্তার চাকরি নেন টঙ্গীর একটি পোশাক কারখানায়। ছেলেকে উচ্চশিক্ষিত করতে অর্থের জোগান দিতে কয়েক মাস আগে তার বাবা মো. সেলিম প্রবাসে পাড়ি জমান।
এরই মধ্যে শুরু হয় কোটা সংস্কার আন্দোলন। ঘরে টেলিভিশন না থাকায় মায়ের মোবাইল ফোনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে ছড়িয়ে পড়া রংপুরে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী আবু সাঈদ নিহত হওয়ার ঘটনাটি বারবার দেখতে থাকে রাহাত। পরিবারে থাকা মা ও নানি সালেহা বেগমকে কয়েকবার দেখায় সেই ভিডিও। গত ১৭ জুলাই রাতে মাকে সে জিজ্ঞেস করে, ‘পুলিশগোর মায়া হয় না? ছাত্রগোরে ক্যামনে মারে? কেমনে গুলি করে?’
গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীর গোপালপুর এলাকায় মা ও নানির সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকত রাহাত। ১৮ জুলাই রাজধানীর উত্তরায় কোটা সংস্কার আন্দোলনে গিয়ে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে রাহাতের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ও আশপাশের লোকজন সে দিন সন্ধ্যায় উত্তরার আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে লাশ নিয়ে যায়। পরে রাতেই নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার বাহারচর গ্রামে নিয়ে যাওয়া হলেও পরদিন শুক্রবার লাশ দাফন করা হয়।
আজ বুধবার দুপুরে কেঁদে কেঁদে ছেলে হারানোর সেই বর্ণনা দেন রাহাত হোসাইন শরিফের মা স্বপ্না আক্তার। তিনি বলেন, গত ১৮ জুলাই দুপুরে কারখানা থেকে বাসায় আসেন স্বপ্না। মা সালেহা বেগম ও ছেলে রাহাতকে নিয়ে দুপুরে খাবার শেষে আবার কাজে যান তিনি। বিকেল ৫টার দিকে কয়েকজন বন্ধু ফোন করে রাহাতকে ডেকে নেয়। তারা রাজধানীর উত্তরা এলাকায় কোটা সংস্কার আন্দোলনে যায়। সেখানে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয় রাহাত। বন্ধুরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান স্বপ্না আক্তার।
কেঁদে কেঁদে ক্ষুব্ধ হয়ে স্বপ্না আক্তার বলেন, ‘আমি কোটা চাই না, আমার সন্তান চাই। ওরে মানুষ করতাছিলাম, ভবিষ্যতে আমার কষ্ট শেষ হইব। এহন কই যামু, ঘরটা খালি খালি লাগে। দাবি একটাই, আমার সন্তান ফেরত চাই।’

‘যদি জানতাম ও আন্দোলনে যাইব, তাইলে আমিও লগে যাইতাম। একলগেই গুলি খাইতাম। বাপজান খুব কষ্ট পাইছে। কেন মারলেন ওরে?’
১৮ জুলাই রাজধানীর উত্তরায় কোটা আন্দোলনে গিয়ে গুলিতে নিহত রাহাত হোসাইন শরিফের (১৭) মা স্বপ্না আক্তার কেঁদে কেঁদে কথাগুলো বলছিলেন।
মা–বাবার একমাত্র সন্তান ছিল রাহাত হোসাইন শরিফ। ২০২৪ সালে গাজীপুরের টঙ্গীর শহীদ স্মৃতি উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। চলতি জুলাই মাসে রাজধানীর আজমপুর এলাকার নওয়াব হাবিবুল্লাহ মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হয় সে। তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদীর রায়পুরায়।
পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা ফেরাতে রাহাতের মা স্বপ্না আক্তার চাকরি নেন টঙ্গীর একটি পোশাক কারখানায়। ছেলেকে উচ্চশিক্ষিত করতে অর্থের জোগান দিতে কয়েক মাস আগে তার বাবা মো. সেলিম প্রবাসে পাড়ি জমান।
এরই মধ্যে শুরু হয় কোটা সংস্কার আন্দোলন। ঘরে টেলিভিশন না থাকায় মায়ের মোবাইল ফোনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে ছড়িয়ে পড়া রংপুরে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী আবু সাঈদ নিহত হওয়ার ঘটনাটি বারবার দেখতে থাকে রাহাত। পরিবারে থাকা মা ও নানি সালেহা বেগমকে কয়েকবার দেখায় সেই ভিডিও। গত ১৭ জুলাই রাতে মাকে সে জিজ্ঞেস করে, ‘পুলিশগোর মায়া হয় না? ছাত্রগোরে ক্যামনে মারে? কেমনে গুলি করে?’
গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীর গোপালপুর এলাকায় মা ও নানির সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকত রাহাত। ১৮ জুলাই রাজধানীর উত্তরায় কোটা সংস্কার আন্দোলনে গিয়ে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে রাহাতের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ও আশপাশের লোকজন সে দিন সন্ধ্যায় উত্তরার আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে লাশ নিয়ে যায়। পরে রাতেই নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার বাহারচর গ্রামে নিয়ে যাওয়া হলেও পরদিন শুক্রবার লাশ দাফন করা হয়।
আজ বুধবার দুপুরে কেঁদে কেঁদে ছেলে হারানোর সেই বর্ণনা দেন রাহাত হোসাইন শরিফের মা স্বপ্না আক্তার। তিনি বলেন, গত ১৮ জুলাই দুপুরে কারখানা থেকে বাসায় আসেন স্বপ্না। মা সালেহা বেগম ও ছেলে রাহাতকে নিয়ে দুপুরে খাবার শেষে আবার কাজে যান তিনি। বিকেল ৫টার দিকে কয়েকজন বন্ধু ফোন করে রাহাতকে ডেকে নেয়। তারা রাজধানীর উত্তরা এলাকায় কোটা সংস্কার আন্দোলনে যায়। সেখানে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয় রাহাত। বন্ধুরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান স্বপ্না আক্তার।
কেঁদে কেঁদে ক্ষুব্ধ হয়ে স্বপ্না আক্তার বলেন, ‘আমি কোটা চাই না, আমার সন্তান চাই। ওরে মানুষ করতাছিলাম, ভবিষ্যতে আমার কষ্ট শেষ হইব। এহন কই যামু, ঘরটা খালি খালি লাগে। দাবি একটাই, আমার সন্তান ফেরত চাই।’

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে সড়কে ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। কৃষকেরা দাবি করেছেন, তাঁদের ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে সড়ক নির্মাণের পর সেই জমি আবার ভরাট করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু আট মাস পেরিয়ে গেলেও কথা রাখেনি তারা।
৫ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে লক্ষ্মীপুরে চারটি আসনে বইছে ভোটের আমেজ। সব কটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা দিয়ে গণসংযোগ ও উঠান বৈঠকে ব্যস্ত সময় পার করছে বড় দুই রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াত। বসে নেই অন্য দলের প্রার্থীরাও। সকাল-বিকেল চালাচ্ছেন প্রচারণা।
৫ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রীয় শোক এবং পুলিশের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রাজধানীতে আতশবাজি ফোটানো ও ফানুস উড়িয়ে খ্রিষ্টীয় নববর্ষ উদ্যাপন করেছে নগরবাসী। খ্রিষ্টীয় নববর্ষ ২০২৬-এর প্রথম প্রহরে নগরজুড়ে বাসাবাড়ির ছাদে ছাদে আতশবাজি ফোটানো ও ফানুস ওড়ানোর দৃশ্য দেখা যায়। এ সময় চারপাশে বিকট শব্দ শোনা যায়।
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের মোট সম্পদের পরিমাণ ৮৯ লাখ ৮২ হাজার ৮৪১ টাকা। তাঁর স্ত্রী মারিয়া আক্তারের সম্পদের পরিমাণ ২ লাখ ৬৬ হাজার ৮১৮ টাকা। তাঁদের কোনো স্বর্ণালংকার নেই।
৭ ঘণ্টা আগে