নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

চার বছর ছদ্মবেশে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পালিয়ে থাকা নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আল্লাহর দলের সক্রিয় সদস্য মো. রুহুল আমিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ)। তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছাড়াও তাঁর স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি জব্দ করতে ক্রোকি পরোয়ানা জারি করেছিলেন আদালত। গতকাল বুধবার রাতে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর উদয়সাগর এলাকা থেকে রুহুল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এটিইউ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন ‘আল্লাহর দল’-এর পলাতক সক্রিয় সদস্য রুহুল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় মামলা রয়েছে। মামলা নম্বর-১৩। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে তাঁর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এ (সংশোধনী-২০১৩) মামলা হয়।
২০১৯ সালের ২৩ ডিসেম্বর পলাশবাড়ীর হরিণমারি এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। নাশকতার পরিকল্পনায় গোপন বৈঠক চলাকালে আল্লাহর দলের ছয় সদস্যকে উগ্রবাদী বই, লিফলেট ও সাংগঠনিক দলিলাদিসহ গ্রেপ্তার করা হয়। রুহুল আমিন সে সময় কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে আত্মগোপনে চলে যান। পরে আদালত গ্রেপ্তারি ও ক্রোকি পরোয়ানা জারি করেন।
এটিইউ জানিয়েছে, রুহুল আমিন ও তাঁর সহযোগীরা নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আল্লাহর দলের সক্রিয় সদস্য হয়ে প্রচলিত শাসনব্যবস্থা বিপন্ন করে তাদের কথিত শাসনব্যবস্থা কায়েম করতে চান। তাঁরা মুসলিম জাকাতব্যবস্থাকে অস্বীকার করেন এবং তাদের দলের সদস্যদের কাছ থেকে প্রতি মাসে চাঁদা আদায় করেন।
এটিইউ আরও জানিয়েছে, রুহুল আমিন দীর্ঘ চার বছর দেশের বিভিন্ন জায়গায় ছদ্মনাম ব্যবহার করে আত্মগোপনে ছিলেন। অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট তাঁর বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করে দীর্ঘদিন ধরে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল। তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

চার বছর ছদ্মবেশে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পালিয়ে থাকা নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আল্লাহর দলের সক্রিয় সদস্য মো. রুহুল আমিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ)। তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছাড়াও তাঁর স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি জব্দ করতে ক্রোকি পরোয়ানা জারি করেছিলেন আদালত। গতকাল বুধবার রাতে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর উদয়সাগর এলাকা থেকে রুহুল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এটিইউ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন ‘আল্লাহর দল’-এর পলাতক সক্রিয় সদস্য রুহুল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় মামলা রয়েছে। মামলা নম্বর-১৩। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে তাঁর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এ (সংশোধনী-২০১৩) মামলা হয়।
২০১৯ সালের ২৩ ডিসেম্বর পলাশবাড়ীর হরিণমারি এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। নাশকতার পরিকল্পনায় গোপন বৈঠক চলাকালে আল্লাহর দলের ছয় সদস্যকে উগ্রবাদী বই, লিফলেট ও সাংগঠনিক দলিলাদিসহ গ্রেপ্তার করা হয়। রুহুল আমিন সে সময় কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে আত্মগোপনে চলে যান। পরে আদালত গ্রেপ্তারি ও ক্রোকি পরোয়ানা জারি করেন।
এটিইউ জানিয়েছে, রুহুল আমিন ও তাঁর সহযোগীরা নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আল্লাহর দলের সক্রিয় সদস্য হয়ে প্রচলিত শাসনব্যবস্থা বিপন্ন করে তাদের কথিত শাসনব্যবস্থা কায়েম করতে চান। তাঁরা মুসলিম জাকাতব্যবস্থাকে অস্বীকার করেন এবং তাদের দলের সদস্যদের কাছ থেকে প্রতি মাসে চাঁদা আদায় করেন।
এটিইউ আরও জানিয়েছে, রুহুল আমিন দীর্ঘ চার বছর দেশের বিভিন্ন জায়গায় ছদ্মনাম ব্যবহার করে আত্মগোপনে ছিলেন। অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট তাঁর বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করে দীর্ঘদিন ধরে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল। তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১১ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দিবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
১৪ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
২৫ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
৩৩ মিনিট আগে