গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় আব্দুল্লাহ মিয়া নামের ৮ মাস বয়সী এক নিখোঁজ শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়।
আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর (নন্দীর ভিটা) গ্রামের মোস্তফা মিয়ার সেপটিক ট্যাংক থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়। শিশু আব্দুল্লাহ মিয়া ওই গ্রামের মাহাবুর রহমান ও জোসনা বেগম দম্পতির ছেলে।
স্বজনেরা জানান, গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে হঠাৎ শিশু আব্দুল্লাহ মিয়া নিখোঁজ হয়। এরপর অনেক খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে আজ সকালে পাশের বাড়ির সেপটিক ট্যাংকের পাশে একটি কাঁথা পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে সেখান থেকে আব্দুল্লাহ মিয়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
শিশুটির বাবা মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আমার শিশুটি হত্যার সঙ্গে কাউকে সন্দেহ করতে পারছি না। আমি কারও সঙ্গে এমন কোনো আচরণ করিনি যে আমার ছেলেকে হত্যা করে তার প্রতিশোধ নেবে। কেউ পূর্বশত্রুতার জেরে এমন কাজ করছে কি না আমি জানি না।’
শিশুটির চাচাতো ভাই মুন্না বলেন, ‘আমাদের ধারণা, আব্দুল্লাহকে অপহরণ করা হয়েছিল। কিন্তু সবাই মিলে সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করার কারণে তাকে তারা নিয়ে যেতে পারেনি। তাই হত্যা করে টয়লেটের ভেতরে রেখে গেছে।’
গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান বলেন, শিশুটির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে বিকেলে পরিবারে কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়। এ বিষয়ে পরিবারের কারও পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ থানায় করা হয়নি। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় আব্দুল্লাহ মিয়া নামের ৮ মাস বয়সী এক নিখোঁজ শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়।
আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর (নন্দীর ভিটা) গ্রামের মোস্তফা মিয়ার সেপটিক ট্যাংক থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়। শিশু আব্দুল্লাহ মিয়া ওই গ্রামের মাহাবুর রহমান ও জোসনা বেগম দম্পতির ছেলে।
স্বজনেরা জানান, গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে হঠাৎ শিশু আব্দুল্লাহ মিয়া নিখোঁজ হয়। এরপর অনেক খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে আজ সকালে পাশের বাড়ির সেপটিক ট্যাংকের পাশে একটি কাঁথা পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে সেখান থেকে আব্দুল্লাহ মিয়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
শিশুটির বাবা মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আমার শিশুটি হত্যার সঙ্গে কাউকে সন্দেহ করতে পারছি না। আমি কারও সঙ্গে এমন কোনো আচরণ করিনি যে আমার ছেলেকে হত্যা করে তার প্রতিশোধ নেবে। কেউ পূর্বশত্রুতার জেরে এমন কাজ করছে কি না আমি জানি না।’
শিশুটির চাচাতো ভাই মুন্না বলেন, ‘আমাদের ধারণা, আব্দুল্লাহকে অপহরণ করা হয়েছিল। কিন্তু সবাই মিলে সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করার কারণে তাকে তারা নিয়ে যেতে পারেনি। তাই হত্যা করে টয়লেটের ভেতরে রেখে গেছে।’
গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান বলেন, শিশুটির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে বিকেলে পরিবারে কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়। এ বিষয়ে পরিবারের কারও পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ থানায় করা হয়নি। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
২৭ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
৩০ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
৪২ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে