Ajker Patrika

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ: ত্রাণের চাল ওজনে ৫ কেজি কম, ক্ষোভ

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি 
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ: ত্রাণের চাল ওজনে ৫ কেজি কম, ক্ষোভ
ফাইল ছবি

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যান ও ট্যাগ অফিসারের সামনে ত্রাণের চাল ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন সুবিধাভোগী ব্যক্তিরা। গত মঙ্গলবার উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নে চাল বিতরণের সময় এই ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, মঙ্গলবার কাপাসিয়া ইউনিয়নে বন্যাদুর্গত ব্যক্তিদের মধ্যে ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে চাল বিতরণ করা হয়। মোট বরাদ্দ ছিল ৭ টন। এতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩৫০ জনের প্রত্যেকে ২০ কেজি চাল পাওয়ার কথা।

তবে সুবিধাভোগী ব্যক্তিদের অভিযোগ, নির্ধারিত ২০ কেজির জায়গায় তাঁদের কম চাল দেওয়া হয়েছে। তাঁরা বলেন, ‘আমরা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ। সরকার আমাদের সহায়তার জন্য চাল দিয়েছে; কিন্তু সেই চাল বিতরণে অনিয়ম করা হয়েছে।’

জানতে চাইলে সুবিধাভোগী মোছা. রিনা বেগম (৩২) বলেন, ‘গরিব মানুষ হামরা। ভ্যান ভাড়া করি চাউল নিতে গেইছিলাম। চাউল পাওয়ার পরে বাজারের এক দোকানে মাপি দেখি ১৫ কেজি চাউল। পরে চেয়ারম্যানকে বলি। তাই মোর কথা শোনে নাই। পরে বাড়ি আসি। চাউল আনতে ভ্যান ভাড়া গেল মোর ৬০ টাকা। দিনটেও মোর মাটি। চাউলও ৫ কেজি কম। কী লাভ হলো মোর?’ রিনা বেগমের স্বামীর নাম মো. আবদুল মজিদ মিয়া। তাঁর বাড়ি ওই ইউনিয়নের লাল চামার গ্রামে।

আরেক সুবিধাভোগী মো. মোজা মিয়া (৩২) বলেন, ‘আমাকে চাল দেওয়ার পরে মনে হয়েছে ওজনে কম। স্থানীয় এক দোকানে ওজন দিয়ে দেখি ১৬ কেজি। চার কেজি চাল কম দেওয়া হয়েছে। পরে আবারও যাই এবং বাকি চাল চাই। শেষে এক থেকে দেড় কেজি চাল দিয়েছে।’

জানতে চাইলে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার মুকুল চন্দ্র বর্মন বলেন, ‘প্রথম দিকে কয়েকজন সুবিধাভোগী চাল কম পেয়েছিলেন। তাঁরা অভিযোগ দিলে তাঁদের চাল ওজন করে দেখি এবং সত্যতা পাওয়া যায়। এরপর আর কাউকে চাল কম দেওয়া হয়নি।’

ইউপি চেয়ারম্যান মো. মনজু মিয়া বলেন, ‘চাল বিতরণে আমি উপস্থিত ছিলাম। কম দেওয়া হয়নি।’ ইউএনও ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, ‘বিষয়টি আপনার মাধ্যমে জানলাম। খোঁজ নিয়ে দেখছি। প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত