গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধায় বড় ভাইকে হত্যার ঘটনায় মো. আরিফ বিল্লাহ (৩৬) নামের এক যুবকের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে গাইবান্ধার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আতিকুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মো. আরিফ বিল্লাহ জেলার সাদুল্যাপুর উপজেলার হাসানপাড়া গ্রামের আবদুস ছাত্তার মণ্ডলের ছেলে।
আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি নিরঞ্জন কুমার ঘোষ এই তথ্য জানিয়েছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর সাদুল্যাপুর উপজেলার হাসানপাড়ার আরিফ বিল্লাহ সঙ্গে তাঁর মা হামিদা বেগমের রাতে ভাত খাওয়া নিয়ে ঝগড়া হয়। এ ঘটনা নিয়ে আরিফের সঙ্গে তাঁর বড় ভাই শহিদুলের বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে আরিফ ক্ষিপ্ত হয়ে শহিদুলের মাথায় আঘাত করেন। তাতে গুরুতর অবস্থায় শহিদুলকে প্রথমে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে তিনি মারা যান।
পরদিন ২০ সেপ্টেম্বর দুপুরে নিহত শহিদুলের স্ত্রী তাসফুরা আকতার বাদী হয়ে সাদুল্যাপুর থানায় আরিফ বিল্লাহকে একমাত্র আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
এ মামলায় পাঁচজনকে সাক্ষী করা হয়। দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় মামলার আসামি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।
বাদীপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন নিরঞ্জন কুমার ঘোষ এবং আসামিপক্ষে ছিলেন আবু আলা মো. সিদ্দিকুল ইসলাম রিপু।
বাদীর আইনজীবী নিরঞ্জন কুমার ঘোষ বলেন, ‘দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত যে রায় দিয়েছেন, সেই রায়ে আমরা সন্তুষ্ট।’
আসামিপক্ষের আইনজীবী আবু আলা মো. সিদ্দিকুল ইসলাম রিপু বলেন, ‘এ রায়ে আমরা অসন্তোষ প্রকাশ করছি। আমরা উচ্চ আদালতে যাব। আশা করছি, সেখানে আমরা ন্যায়বিচার পাব।’

গাইবান্ধায় বড় ভাইকে হত্যার ঘটনায় মো. আরিফ বিল্লাহ (৩৬) নামের এক যুবকের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে গাইবান্ধার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আতিকুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মো. আরিফ বিল্লাহ জেলার সাদুল্যাপুর উপজেলার হাসানপাড়া গ্রামের আবদুস ছাত্তার মণ্ডলের ছেলে।
আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি নিরঞ্জন কুমার ঘোষ এই তথ্য জানিয়েছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর সাদুল্যাপুর উপজেলার হাসানপাড়ার আরিফ বিল্লাহ সঙ্গে তাঁর মা হামিদা বেগমের রাতে ভাত খাওয়া নিয়ে ঝগড়া হয়। এ ঘটনা নিয়ে আরিফের সঙ্গে তাঁর বড় ভাই শহিদুলের বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে আরিফ ক্ষিপ্ত হয়ে শহিদুলের মাথায় আঘাত করেন। তাতে গুরুতর অবস্থায় শহিদুলকে প্রথমে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে তিনি মারা যান।
পরদিন ২০ সেপ্টেম্বর দুপুরে নিহত শহিদুলের স্ত্রী তাসফুরা আকতার বাদী হয়ে সাদুল্যাপুর থানায় আরিফ বিল্লাহকে একমাত্র আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
এ মামলায় পাঁচজনকে সাক্ষী করা হয়। দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় মামলার আসামি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।
বাদীপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন নিরঞ্জন কুমার ঘোষ এবং আসামিপক্ষে ছিলেন আবু আলা মো. সিদ্দিকুল ইসলাম রিপু।
বাদীর আইনজীবী নিরঞ্জন কুমার ঘোষ বলেন, ‘দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত যে রায় দিয়েছেন, সেই রায়ে আমরা সন্তুষ্ট।’
আসামিপক্ষের আইনজীবী আবু আলা মো. সিদ্দিকুল ইসলাম রিপু বলেন, ‘এ রায়ে আমরা অসন্তোষ প্রকাশ করছি। আমরা উচ্চ আদালতে যাব। আশা করছি, সেখানে আমরা ন্যায়বিচার পাব।’

নিজের অবৈধ আয়কে বৈধ দেখাতে ‘মায়ের দান’ হিসেবে উল্লেখ করার অভিযোগ উঠেছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও ওয়েস্টার্ন বাংলাদেশ ব্রিজ ইম্প্রুভমেন্ট প্রজেক্টের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক মো. আবু হেনা মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে।
১ ঘণ্টা আগে
মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে আহত টেকনাফের শিশু হুজাইফা আফনানকে (৯) রাজধানীর জাতীয় নিউরোসায়েন্সেস ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার রাত সোয়া ১১টার দিকে তাকে হাসপাতালে আনা হয়। এর আগে দুপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্সে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল...
১ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বউভাতের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে একটি মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এক নারী নিহত হয়েছেন। তিনি কনের নানি। এ ঘটনায় তিনজন আহত হন। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার জোরারগঞ্জ থানার বাদামতলা এলাকায় বারইয়ারহাট-রামগড় সড়কের এ দুর্ঘটনা ঘটে।
৪ ঘণ্টা আগে
সিলেট-৫ আসনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুককে শোকজ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এতে জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান পাপলু বিরুদ্ধে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে অশালীন আচরণের কথা উল্লেখ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে