গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে বস্তাভর্তি মাধ্যমিক পর্বের সরকারি বই ভাঙারির দোকানে বিক্রি করতে এসে স্থানীয়দের কাছে ধরা পড়েছেন বিদ্যালয়ের এক নৈশ প্রহরী ও এক জুনিয়র শিক্ষিকা। গতকাল রোববার রাত ৯টার দিকে হরিরামপুরের শিপের বাজারে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা খবর দিলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ আলম পারভেজ মোবাইল ফোনে ওই শিক্ষিকাকে বইগুলো স্কুলে ফেরত নিয়ে যেতে বলেন। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া হলেও তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে জেলা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল রাত ৯টার দিকে উপজেলার হরিরামপুর বালিকা বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী উত্তম কুমার ও জুনিয়র শিক্ষিকা চামেলি বেগম শিপের বাজারের একটি ভাঙারির দোকানে বইগুলো নিয়ে আসেন। বিক্রি করার সময় ওজন করতে গেলে স্থানীয়দের কাছে সরকারি বইয়ের বিষয়টি ধরা পড়ে। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্যকে জানান তাঁরা। ইউপি সদস্য ফিরোজ কবির উপস্থিত হয়ে তাঁদের দুজনকে আটক করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ আলম পারভেজকে বিষয়টি জানান। কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে শাহ আলম পারভেজ মোবাইল ফোনে ওই শিক্ষিকাকে বইগুলো স্কুলে ফেরত নিয়ে যেতে বলেন।
বই বিক্রির কথা স্বীকার করে শিক্ষিকা চামেলি বেগম বলেন, ‘বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ বিল দিতে এবং সাউন্ড বক্স ঠিক করতে গুদাম পরিষ্কার করে ২০২২ শিক্ষাবর্ষের বইগুলো বিক্রির জন্য পাঠিয়েছি।’
এ নিয়ে জানাতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘আমি চামেলি বেগমের স্বামীর করা মামলাজনিত কারণে ঢাকায় আছি। গতকাল রাতে অফিস সহকারীর মারফত বিষয়টি জেনেছি। এটি কাম্য নয়। আমি ফিরে এসে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।’
স্থানীয় সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘এ ঘটনায় শিক্ষক ও নৈশ প্রহরীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
এ নিয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহআলম পারভেজ বলেন, ‘অনেক রাত হয়ে যাওয়ার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থার নেওয়ার সুযোগ হয়নি। আমি এখন বিদ্যালয়ে সরেজমিনে তদন্তের জন্য অবস্থান করছি।’
জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রোকসানা বেগম জানান, জেলায় বিভিন্ন স্থানে বই বিক্রির ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায়ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে বস্তাভর্তি মাধ্যমিক পর্বের সরকারি বই ভাঙারির দোকানে বিক্রি করতে এসে স্থানীয়দের কাছে ধরা পড়েছেন বিদ্যালয়ের এক নৈশ প্রহরী ও এক জুনিয়র শিক্ষিকা। গতকাল রোববার রাত ৯টার দিকে হরিরামপুরের শিপের বাজারে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা খবর দিলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ আলম পারভেজ মোবাইল ফোনে ওই শিক্ষিকাকে বইগুলো স্কুলে ফেরত নিয়ে যেতে বলেন। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া হলেও তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে জেলা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল রাত ৯টার দিকে উপজেলার হরিরামপুর বালিকা বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী উত্তম কুমার ও জুনিয়র শিক্ষিকা চামেলি বেগম শিপের বাজারের একটি ভাঙারির দোকানে বইগুলো নিয়ে আসেন। বিক্রি করার সময় ওজন করতে গেলে স্থানীয়দের কাছে সরকারি বইয়ের বিষয়টি ধরা পড়ে। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্যকে জানান তাঁরা। ইউপি সদস্য ফিরোজ কবির উপস্থিত হয়ে তাঁদের দুজনকে আটক করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ আলম পারভেজকে বিষয়টি জানান। কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে শাহ আলম পারভেজ মোবাইল ফোনে ওই শিক্ষিকাকে বইগুলো স্কুলে ফেরত নিয়ে যেতে বলেন।
বই বিক্রির কথা স্বীকার করে শিক্ষিকা চামেলি বেগম বলেন, ‘বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ বিল দিতে এবং সাউন্ড বক্স ঠিক করতে গুদাম পরিষ্কার করে ২০২২ শিক্ষাবর্ষের বইগুলো বিক্রির জন্য পাঠিয়েছি।’
এ নিয়ে জানাতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘আমি চামেলি বেগমের স্বামীর করা মামলাজনিত কারণে ঢাকায় আছি। গতকাল রাতে অফিস সহকারীর মারফত বিষয়টি জেনেছি। এটি কাম্য নয়। আমি ফিরে এসে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।’
স্থানীয় সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘এ ঘটনায় শিক্ষক ও নৈশ প্রহরীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
এ নিয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহআলম পারভেজ বলেন, ‘অনেক রাত হয়ে যাওয়ার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থার নেওয়ার সুযোগ হয়নি। আমি এখন বিদ্যালয়ে সরেজমিনে তদন্তের জন্য অবস্থান করছি।’
জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রোকসানা বেগম জানান, জেলায় বিভিন্ন স্থানে বই বিক্রির ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায়ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৪ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে