ফুলছড়ি (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি

‘এক বেলা না খায়া থাকা যায়, কিনতু এমন ঠান্ডার মোধ্যে থাকা যায় না। এ রকম ঠান্ডা দেখোম নাই। ঠান্ডার জন্যে সারা রাত ঘুম ধরে না। আজ কমবোলখান পায়া খুব খুশি নাগছে। এখন যদিল একটু ঘুমবার পাই’—এভাবেই হাড় কাঁপানো শীতের মধ্যে কাঁপতে কাঁপতে কথাগুলো বলছিলেন গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার উদাখালী ইউনিয়নের পূর্ব ছালুয়া গ্রামের বৃদ্ধা মমিনা বেগম (৭২)।
আজ মঙ্গলবার সকালে কালীর বাজারের প্রশিকা ফুলছড়ি উন্নয়ন কার্যালয়ে শীতার্ত দুস্থ পরিবারের মধ্যে কম্বল বিতরণকালে এসব কথা বলেন তিনি।
বৃদ্ধা মমিনা বেগম ওই গ্রামের মৃত বুদা শেখের স্ত্রী।
একই কথা বলেন ধলী বেগম (৬৫), আলেকজান (৫০), ওসনা বেগমসহ বিভিন্ন গ্রাম থেকে কম্বল নিতে আসা লোকজন।
কম্বল বিতরণের বিষয়ে প্রশিকার কর্মকর্তারা জানান, ১৯৭৬ সাল থেকে বাংলাদেশের দরিদ্র লোকজনের অবস্থার উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে প্রশিকা। এ বছর গাইবান্ধার বিভিন্ন এলাকায় ৮০০ কম্বল বিতরণ করা হচ্ছে।
প্রশিকার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলামের পৃষ্ঠপোষকতায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় কম্বল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান।
প্রশিকা গাইবান্ধা জোনের বিভাগীয় ব্যবস্থাপক আনন্দ মোহনের সভাপতিত্বে বিতরণকালে আরও উপস্থিত ছিলেন ফুলছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাওছার আলী; প্রশিকার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মসূচির উপপরিচালক এবং বিভাগ প্রধান নুরুল ইসলাম রেনু; গাইবান্ধার এলাকা ব্যবস্থাপক রিপন খান, ফুলছড়ি উন্নয়ন এলাকা ব্যবস্থাপক শামসুল আলম, শাখা ব্যবস্থাপক আলতাফ হোসেন, মোশারফ হোসেন, সুরেশ চন্দ্র রায় প্রমুখ।

‘এক বেলা না খায়া থাকা যায়, কিনতু এমন ঠান্ডার মোধ্যে থাকা যায় না। এ রকম ঠান্ডা দেখোম নাই। ঠান্ডার জন্যে সারা রাত ঘুম ধরে না। আজ কমবোলখান পায়া খুব খুশি নাগছে। এখন যদিল একটু ঘুমবার পাই’—এভাবেই হাড় কাঁপানো শীতের মধ্যে কাঁপতে কাঁপতে কথাগুলো বলছিলেন গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার উদাখালী ইউনিয়নের পূর্ব ছালুয়া গ্রামের বৃদ্ধা মমিনা বেগম (৭২)।
আজ মঙ্গলবার সকালে কালীর বাজারের প্রশিকা ফুলছড়ি উন্নয়ন কার্যালয়ে শীতার্ত দুস্থ পরিবারের মধ্যে কম্বল বিতরণকালে এসব কথা বলেন তিনি।
বৃদ্ধা মমিনা বেগম ওই গ্রামের মৃত বুদা শেখের স্ত্রী।
একই কথা বলেন ধলী বেগম (৬৫), আলেকজান (৫০), ওসনা বেগমসহ বিভিন্ন গ্রাম থেকে কম্বল নিতে আসা লোকজন।
কম্বল বিতরণের বিষয়ে প্রশিকার কর্মকর্তারা জানান, ১৯৭৬ সাল থেকে বাংলাদেশের দরিদ্র লোকজনের অবস্থার উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে প্রশিকা। এ বছর গাইবান্ধার বিভিন্ন এলাকায় ৮০০ কম্বল বিতরণ করা হচ্ছে।
প্রশিকার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলামের পৃষ্ঠপোষকতায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় কম্বল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান।
প্রশিকা গাইবান্ধা জোনের বিভাগীয় ব্যবস্থাপক আনন্দ মোহনের সভাপতিত্বে বিতরণকালে আরও উপস্থিত ছিলেন ফুলছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাওছার আলী; প্রশিকার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মসূচির উপপরিচালক এবং বিভাগ প্রধান নুরুল ইসলাম রেনু; গাইবান্ধার এলাকা ব্যবস্থাপক রিপন খান, ফুলছড়ি উন্নয়ন এলাকা ব্যবস্থাপক শামসুল আলম, শাখা ব্যবস্থাপক আলতাফ হোসেন, মোশারফ হোসেন, সুরেশ চন্দ্র রায় প্রমুখ।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে