গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধায় জামায়াতে ইসলামীর গণসংযোগ কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের হামলায় দুজন আহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় গাইবান্ধা সদর উপজেলার সাহাপাড়া ইউনিয়নের নান্দিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত দুজন হলেন সদর উপজেলার সাহাপাড়া ইউনিয়নের নান্দিনা গ্রামের আব্দুর রহমান মণ্ডলের ছেলে জামায়াতের ওয়ার্ড সেক্রেটারি মো. শিপন মণ্ডল ও তাঁর ছোট ভাই জামায়াতের কর্মী মো. স্বপন মণ্ডল।
জানা গেছে, জামায়াতের কর্মীরা দাওয়াতি কাজ করতে গেলে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বাধা দেন। বাধা উপেক্ষা করে কাজ চালিয়ে গেলে সাহাপাড়া ইউনিয়নের নান্দিয়া গ্রামের ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়। হামলায় আহত দুজন গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আহত জামায়াত কর্মী স্বপন মণ্ডল বলেন, ‘কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে দাওয়াতি গণসংযোগ করার সময় আওয়ামী লীগের কিছু লোক আমাদের বাধা দেয়। বাধা উপেক্ষা করে কার্যক্রম অব্যাহত রাখলে স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলামের লোকজন হামলা চালায়। তাতে আমি ও আমার ভাই শিপন মণ্ডল আহত হই। ভাইয়ের কানে ছয়টি সেলাই দেওয়া হয়েছে।’
এ বিষয়ে জামায়াতের গাইবান্ধা সদর উপজেলা আমির মো. নুরুল ইসলাম মণ্ডল ও সেক্রেটারি প্রভাষক মো. ওবায়দুল হক যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে তাঁরা বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। তাদের সন্ত্রাসী এই হামলার তীব্র নিন্দাসহ দোষীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি দাবি জানাচ্ছি।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম তালুকদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ দেননি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গাইবান্ধায় জামায়াতে ইসলামীর গণসংযোগ কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের হামলায় দুজন আহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় গাইবান্ধা সদর উপজেলার সাহাপাড়া ইউনিয়নের নান্দিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত দুজন হলেন সদর উপজেলার সাহাপাড়া ইউনিয়নের নান্দিনা গ্রামের আব্দুর রহমান মণ্ডলের ছেলে জামায়াতের ওয়ার্ড সেক্রেটারি মো. শিপন মণ্ডল ও তাঁর ছোট ভাই জামায়াতের কর্মী মো. স্বপন মণ্ডল।
জানা গেছে, জামায়াতের কর্মীরা দাওয়াতি কাজ করতে গেলে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বাধা দেন। বাধা উপেক্ষা করে কাজ চালিয়ে গেলে সাহাপাড়া ইউনিয়নের নান্দিয়া গ্রামের ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়। হামলায় আহত দুজন গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আহত জামায়াত কর্মী স্বপন মণ্ডল বলেন, ‘কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে দাওয়াতি গণসংযোগ করার সময় আওয়ামী লীগের কিছু লোক আমাদের বাধা দেয়। বাধা উপেক্ষা করে কার্যক্রম অব্যাহত রাখলে স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলামের লোকজন হামলা চালায়। তাতে আমি ও আমার ভাই শিপন মণ্ডল আহত হই। ভাইয়ের কানে ছয়টি সেলাই দেওয়া হয়েছে।’
এ বিষয়ে জামায়াতের গাইবান্ধা সদর উপজেলা আমির মো. নুরুল ইসলাম মণ্ডল ও সেক্রেটারি প্রভাষক মো. ওবায়দুল হক যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে তাঁরা বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। তাদের সন্ত্রাসী এই হামলার তীব্র নিন্দাসহ দোষীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি দাবি জানাচ্ছি।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম তালুকদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ দেননি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে