গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে জুমবাংলা ইয়ুথ ফাউন্ডেশন। আজ বুধবার বিকেলে জেলা শহরের রেল কলোনিতে জুম বাংলাদেশ স্কুল মাঠে শিশুদের মধ্যে শীতের কাপড় ও অভিভাবকেদের কম্বল বিতরণ করে সংগঠনটি।
প্রথম শ্রেণির ছাত্র মোস্তাফিজুর জানায়, সে রেল কলোনির বস্তিতে থাকে। আগে স্কুলে পড়ত না। পৌর পার্কে বেলুন, পপকর্ন বিক্রয় করত। জুম বাংলাদেশ স্কুলে ভর্তি হওয়ার পর থেকে নিয়মিত স্কুলে যায়। স্কুলে আসার ফলে তার অনেক কিছুর পরিবর্তন হয়েছে। স্কুল থেকে শিখেছি অনেক কিছু। জুম বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন সময়ে শীতের পোশাক, স্কুলের নতুন পোশাক, ঈদে রঙিন জামা, খাবার সামগ্রী, প্রতিদিন স্কুলে টিফিনসহ অনেক কিছু দিয়ে থাকে বলে জানায় সে।
আয়শা বেগম নামে এক অভিভাবক বলেন, ‘আমাদের দিনে এনে দিনে খাই। আমরা সন্তানদের প্রতি যত্ন নিতে পারি না। অনেক কষ্টে করে চলতে হয়। তারপরও যতটুকু পারি আমরা চেষ্টা করি। কিন্তু জুম বাংলাদেশ স্কুলে আমার ছেলেকে ভর্তি করার পর থেকে চিন্তা করতে হয় না।’
জুম বাংলাদেশ এর সমন্বয়ক মো. মেহেদী হাসান বলেন, ‘আমরা প্রতি বছর শিশুদের শীতের সোয়েটার ও অভিভাবকেদের কম্বল দিয়ে থাকি। এই শিশুরা শীতে অনেক কষ্ট করে থাকে। আমরা শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহযোগিতায় এই আয়োজন করে থাকি। আমাদের এসব উদ্যোগে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানাই।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) সভাপতি অধ্যাপক জহুরুল কাইয়ুম, গাইবান্ধা জেলা ওষুধ প্রশাসনের সহকারী পরিচালক শিকদার কামরুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন শাহ্, সাংস্কৃতিক কর্মী আফরোজা লুপু, জুম বাংলাদেশের শুভাকাঙ্ক্ষীসহ জুম বাংলাদেশ স্কুলের শিক্ষক ও সেবচ্ছাসেবকেরা।
উল্লেখ্য, জুম বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে সুবিধাবঞ্চিত ছিন্নমূল শিশুদের মানসম্মত শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বস্ত্র নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

গাইবান্ধায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে জুমবাংলা ইয়ুথ ফাউন্ডেশন। আজ বুধবার বিকেলে জেলা শহরের রেল কলোনিতে জুম বাংলাদেশ স্কুল মাঠে শিশুদের মধ্যে শীতের কাপড় ও অভিভাবকেদের কম্বল বিতরণ করে সংগঠনটি।
প্রথম শ্রেণির ছাত্র মোস্তাফিজুর জানায়, সে রেল কলোনির বস্তিতে থাকে। আগে স্কুলে পড়ত না। পৌর পার্কে বেলুন, পপকর্ন বিক্রয় করত। জুম বাংলাদেশ স্কুলে ভর্তি হওয়ার পর থেকে নিয়মিত স্কুলে যায়। স্কুলে আসার ফলে তার অনেক কিছুর পরিবর্তন হয়েছে। স্কুল থেকে শিখেছি অনেক কিছু। জুম বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন সময়ে শীতের পোশাক, স্কুলের নতুন পোশাক, ঈদে রঙিন জামা, খাবার সামগ্রী, প্রতিদিন স্কুলে টিফিনসহ অনেক কিছু দিয়ে থাকে বলে জানায় সে।
আয়শা বেগম নামে এক অভিভাবক বলেন, ‘আমাদের দিনে এনে দিনে খাই। আমরা সন্তানদের প্রতি যত্ন নিতে পারি না। অনেক কষ্টে করে চলতে হয়। তারপরও যতটুকু পারি আমরা চেষ্টা করি। কিন্তু জুম বাংলাদেশ স্কুলে আমার ছেলেকে ভর্তি করার পর থেকে চিন্তা করতে হয় না।’
জুম বাংলাদেশ এর সমন্বয়ক মো. মেহেদী হাসান বলেন, ‘আমরা প্রতি বছর শিশুদের শীতের সোয়েটার ও অভিভাবকেদের কম্বল দিয়ে থাকি। এই শিশুরা শীতে অনেক কষ্ট করে থাকে। আমরা শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহযোগিতায় এই আয়োজন করে থাকি। আমাদের এসব উদ্যোগে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানাই।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) সভাপতি অধ্যাপক জহুরুল কাইয়ুম, গাইবান্ধা জেলা ওষুধ প্রশাসনের সহকারী পরিচালক শিকদার কামরুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন শাহ্, সাংস্কৃতিক কর্মী আফরোজা লুপু, জুম বাংলাদেশের শুভাকাঙ্ক্ষীসহ জুম বাংলাদেশ স্কুলের শিক্ষক ও সেবচ্ছাসেবকেরা।
উল্লেখ্য, জুম বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে সুবিধাবঞ্চিত ছিন্নমূল শিশুদের মানসম্মত শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বস্ত্র নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে