সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে আপন চাচার ছোড়া অ্যাসিডে ঝলসে গেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. আসাদ মন্ডলের মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ। শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট (ঢাকা) থেকে এক মাস চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন তিনি। ডিসেম্বর মাসের ১ তারিখ থেকে তাঁর ক্লাস শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। ভয় দূর করাসহ পুরোপুরি সুস্থ না হওয়ায় ক্লাসে যেতে পারছেন না আসাদ মন্ডল। সে কারণে ক্ষোভ আর দুঃখ প্রকাশ করেছেন আসাদ ও তাঁর পরিবার।
মো. আসাদ মন্ডল উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের উত্তর সাহাবাজ গ্রামের মো. ফিরোজ মন্ডলের ছেলে।
আজ রোববার আসাদ মন্ডলের বাড়িতে কথা হয় তাঁর সঙ্গে। আক্ষেপের স্বরে আসাদ মন্ডল বললেন, ‘সহপাঠীরা ঘুরছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। আর আমি কাতরাচ্ছি অ্যাসিডের যন্ত্রণায়। ঘরের চারদেয়ালে বন্দী। ডিসেম্বর মাসের প্রথম দিন ক্লাস শুরু হবে, কিন্তু আমার যাওয়া হবে না। দুর্ভাগ্য আমার! স্বপ্নভঙ্গের অনুভূতিগুলো প্রকাশ করতে পারছি না।’
জানালেন সপ্তাহখানেক হলো চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন আসাদ। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়েছেন তিনি। আজকের পত্রিকার এই প্রতিনিধির কাছে বলছিলেন নিজের জীবনের কথাগুলো।
আসাদ বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্যে বড় হয়েছি। অভাব-অনটনের মধ্যেও পড়ালেখা বন্ধ হতে দেননি বাবা-মা। একপর্যায়ে দেশ ত্যাগ করে প্রবাস জীবন বেছে নেন বাবা। বাড়ি ছেড়ে উপজেলা শহরে বসবাস শুরু করেন মা। শুধু পড়াশোনা করার জন্য। তাঁদের স্বপ্ন বুঝতে পারি এবং সর্বোচ্চ চেষ্টা করে পড়াশোনা করতে থাকি। আল্লাহ তাআলার অশেষ রহমতে এসএসসি ও এইচএসসিতে গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছি। বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণে ছোটবেলা থেকেই এত কষ্ট করে পড়াশোনা করলাম। সব থমকে যাচ্ছে মনে হয়। আমি আর পারছি না সহ্য করতে।’ কথাগুলো বলতে বলতে কেঁদে ফেলেন আসাদ মন্ডল।
এ সময় কথা হয় আসাদের মা মোছা. আনোয়ারা বেগমের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘ছেলের বন্ধুরা ফোন করেছিল। উদ্বোধনী ক্লাস ডিসেম্বর মাসের ১ তারিখে। কী করব বুঝতে পারছি না। নিজের বাড়িতেই নিরাপত্তা দিতে পারিনি ছেলেকে। বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলে কে দেখে রাখবে তাঁকে? শত্রুরা তো আর বসে নেই।’ কথাগুলো বলতে বলতে কেঁদে ফেলেন তিনিও।
এ ঘটনার পেছনে কী কারণ ছিল জানতে চাইলে আনোয়ারা বেগম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জমি নিয়ে বিরোধ ছিল আমাদের মধ্যে। ছেলেরা তো কোনো অন্যায় করেনি। কী কারণে তাদের শরীরে অ্যাসিড নিক্ষেপ করা হলো? আইনের আশ্রয়ও নিয়েছি। আসামি ঘুরে বেড়াচ্ছে, পুলিশ তাঁদের ধরছে না। বুঝতে পারছি না কী আছে আমাদের কপালে। ছেলে পুরোপুরি সুস্থ হয়নি, এখনো সে চোখে কম দেখে, কানেও শোনে কম। পুরো রাতের বেশি সময় জেগে থাকে, ঘুমাতে পারে না। ঠিকমতো খেতেও পারে না, বাইরে বের হতেও ভয় পায়। সারা দিন ঘরেই শুয়ে-বসে থাকে। মনে হচ্ছে আমাদের স্বপ্ন আর কখনোই পূরণ হবে না।’
আসাদের বাবা ফিরোজ মন্ডলের সঙ্গেও কথা হয়। তিনি বলেন, ‘বাবার অসুস্থতার কথা শুনে দেশে আসি। অপারেশন করানোর মাসখানেক পরে তিনি মারা যান। মূলত বাবার চিকিৎসার ব্যয়ভারকে কেন্দ্র করেই দুই ভাইয়ের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এতে ইন্ধন দেন আমার বোনজামাই। সর্বশেষ বন্ধকি এক জমিকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে মারামারি হয়। এতে ছোট ভাই আমার পরিবারের সবাইকে জড়িয়ে মামলা দেয়। নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি ভেবে মামলা করিনি। ভেবেছিলাম ঠিক হয়ে যাবে, কিন্তু হয়ে গেল উল্টোটা, যেটা আমি কখনো ভাবতেও পারিনি। সে আমার ঘুমন্ত দুই ছেলেকে অ্যাসিড নিক্ষেপ করে। ছোট ছেলে এখন অনেকটা সুস্থ। কিন্তু বড় ছেলের বিপদ এখনো কাটেনি। প্রায় দেড় মাস চিকিৎসা শেষে চিকিৎসক বাড়িতে পাঠিয়েছেন, হাঁটাচলা নিষেধ করেছেন। ক্যাম্পাসে যাওয়া তো দূরের কথা, পড়াশোনার কথা শুনলেই আঁতকে ওঠে। তার নাকি ভীষণ ভয় হয়। মেধাবী ছাত্র হওয়াটাই যেন তার কাল হয়ে গেল।’
মামলার এজাহার ও বিভিন্ন তথ্যে জানা যায়, ফিরোজ ও রাশেদুল সহোদর ভাই। তাঁদের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। সে কারণে রাশেদুল বিভিন্ন সময়ে ভয়ভীতি ও হুমকি দিতেন ফিরোজ মন্ডল ও তাঁর স্ত্রী-সন্তানদের। এ অবস্থা চলতে থাকলে বাবার রেখে যাওয়া টাকাকে কেন্দ্র করে মায়ের সঙ্গে বিবাদ হয় রাশেদুলের। সেই দ্বন্দ্ব চরমে উঠলে রাশেদুলের বিরুদ্ধে মামলা করেন তাঁর মা রোকেয়া বেগম। মামলায় ফিরোজের হাত আছে ভেবে আরও ক্ষিপ্ত হন রাশেদুল। সর্বশেষ গত ২৯ সেপ্টেম্বর ভোররাত ৩টার দিকে একই কক্ষে থাকা ফিরোজ মন্ডলের দুই ছেলে আসাদ ও আসিবের ওপর অ্যাসিড নিক্ষেপ করে পালিয়ে যান রাশেদুল গংরা। পরে ঘটনার দিন রাতে থানায় এজাহার দেন মোছা. আনোয়ারা বেগম।
এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুজ্জামান সরকার বলেন, ‘আসামি ধরতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আশা করছি খুব দ্রুত সময়ে এর একটা রেজাল্ট পাব।’

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে আপন চাচার ছোড়া অ্যাসিডে ঝলসে গেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. আসাদ মন্ডলের মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ। শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট (ঢাকা) থেকে এক মাস চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন তিনি। ডিসেম্বর মাসের ১ তারিখ থেকে তাঁর ক্লাস শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। ভয় দূর করাসহ পুরোপুরি সুস্থ না হওয়ায় ক্লাসে যেতে পারছেন না আসাদ মন্ডল। সে কারণে ক্ষোভ আর দুঃখ প্রকাশ করেছেন আসাদ ও তাঁর পরিবার।
মো. আসাদ মন্ডল উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের উত্তর সাহাবাজ গ্রামের মো. ফিরোজ মন্ডলের ছেলে।
আজ রোববার আসাদ মন্ডলের বাড়িতে কথা হয় তাঁর সঙ্গে। আক্ষেপের স্বরে আসাদ মন্ডল বললেন, ‘সহপাঠীরা ঘুরছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। আর আমি কাতরাচ্ছি অ্যাসিডের যন্ত্রণায়। ঘরের চারদেয়ালে বন্দী। ডিসেম্বর মাসের প্রথম দিন ক্লাস শুরু হবে, কিন্তু আমার যাওয়া হবে না। দুর্ভাগ্য আমার! স্বপ্নভঙ্গের অনুভূতিগুলো প্রকাশ করতে পারছি না।’
জানালেন সপ্তাহখানেক হলো চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন আসাদ। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়েছেন তিনি। আজকের পত্রিকার এই প্রতিনিধির কাছে বলছিলেন নিজের জীবনের কথাগুলো।
আসাদ বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্যে বড় হয়েছি। অভাব-অনটনের মধ্যেও পড়ালেখা বন্ধ হতে দেননি বাবা-মা। একপর্যায়ে দেশ ত্যাগ করে প্রবাস জীবন বেছে নেন বাবা। বাড়ি ছেড়ে উপজেলা শহরে বসবাস শুরু করেন মা। শুধু পড়াশোনা করার জন্য। তাঁদের স্বপ্ন বুঝতে পারি এবং সর্বোচ্চ চেষ্টা করে পড়াশোনা করতে থাকি। আল্লাহ তাআলার অশেষ রহমতে এসএসসি ও এইচএসসিতে গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছি। বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণে ছোটবেলা থেকেই এত কষ্ট করে পড়াশোনা করলাম। সব থমকে যাচ্ছে মনে হয়। আমি আর পারছি না সহ্য করতে।’ কথাগুলো বলতে বলতে কেঁদে ফেলেন আসাদ মন্ডল।
এ সময় কথা হয় আসাদের মা মোছা. আনোয়ারা বেগমের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘ছেলের বন্ধুরা ফোন করেছিল। উদ্বোধনী ক্লাস ডিসেম্বর মাসের ১ তারিখে। কী করব বুঝতে পারছি না। নিজের বাড়িতেই নিরাপত্তা দিতে পারিনি ছেলেকে। বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলে কে দেখে রাখবে তাঁকে? শত্রুরা তো আর বসে নেই।’ কথাগুলো বলতে বলতে কেঁদে ফেলেন তিনিও।
এ ঘটনার পেছনে কী কারণ ছিল জানতে চাইলে আনোয়ারা বেগম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জমি নিয়ে বিরোধ ছিল আমাদের মধ্যে। ছেলেরা তো কোনো অন্যায় করেনি। কী কারণে তাদের শরীরে অ্যাসিড নিক্ষেপ করা হলো? আইনের আশ্রয়ও নিয়েছি। আসামি ঘুরে বেড়াচ্ছে, পুলিশ তাঁদের ধরছে না। বুঝতে পারছি না কী আছে আমাদের কপালে। ছেলে পুরোপুরি সুস্থ হয়নি, এখনো সে চোখে কম দেখে, কানেও শোনে কম। পুরো রাতের বেশি সময় জেগে থাকে, ঘুমাতে পারে না। ঠিকমতো খেতেও পারে না, বাইরে বের হতেও ভয় পায়। সারা দিন ঘরেই শুয়ে-বসে থাকে। মনে হচ্ছে আমাদের স্বপ্ন আর কখনোই পূরণ হবে না।’
আসাদের বাবা ফিরোজ মন্ডলের সঙ্গেও কথা হয়। তিনি বলেন, ‘বাবার অসুস্থতার কথা শুনে দেশে আসি। অপারেশন করানোর মাসখানেক পরে তিনি মারা যান। মূলত বাবার চিকিৎসার ব্যয়ভারকে কেন্দ্র করেই দুই ভাইয়ের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এতে ইন্ধন দেন আমার বোনজামাই। সর্বশেষ বন্ধকি এক জমিকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে মারামারি হয়। এতে ছোট ভাই আমার পরিবারের সবাইকে জড়িয়ে মামলা দেয়। নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি ভেবে মামলা করিনি। ভেবেছিলাম ঠিক হয়ে যাবে, কিন্তু হয়ে গেল উল্টোটা, যেটা আমি কখনো ভাবতেও পারিনি। সে আমার ঘুমন্ত দুই ছেলেকে অ্যাসিড নিক্ষেপ করে। ছোট ছেলে এখন অনেকটা সুস্থ। কিন্তু বড় ছেলের বিপদ এখনো কাটেনি। প্রায় দেড় মাস চিকিৎসা শেষে চিকিৎসক বাড়িতে পাঠিয়েছেন, হাঁটাচলা নিষেধ করেছেন। ক্যাম্পাসে যাওয়া তো দূরের কথা, পড়াশোনার কথা শুনলেই আঁতকে ওঠে। তার নাকি ভীষণ ভয় হয়। মেধাবী ছাত্র হওয়াটাই যেন তার কাল হয়ে গেল।’
মামলার এজাহার ও বিভিন্ন তথ্যে জানা যায়, ফিরোজ ও রাশেদুল সহোদর ভাই। তাঁদের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। সে কারণে রাশেদুল বিভিন্ন সময়ে ভয়ভীতি ও হুমকি দিতেন ফিরোজ মন্ডল ও তাঁর স্ত্রী-সন্তানদের। এ অবস্থা চলতে থাকলে বাবার রেখে যাওয়া টাকাকে কেন্দ্র করে মায়ের সঙ্গে বিবাদ হয় রাশেদুলের। সেই দ্বন্দ্ব চরমে উঠলে রাশেদুলের বিরুদ্ধে মামলা করেন তাঁর মা রোকেয়া বেগম। মামলায় ফিরোজের হাত আছে ভেবে আরও ক্ষিপ্ত হন রাশেদুল। সর্বশেষ গত ২৯ সেপ্টেম্বর ভোররাত ৩টার দিকে একই কক্ষে থাকা ফিরোজ মন্ডলের দুই ছেলে আসাদ ও আসিবের ওপর অ্যাসিড নিক্ষেপ করে পালিয়ে যান রাশেদুল গংরা। পরে ঘটনার দিন রাতে থানায় এজাহার দেন মোছা. আনোয়ারা বেগম।
এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুজ্জামান সরকার বলেন, ‘আসামি ধরতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আশা করছি খুব দ্রুত সময়ে এর একটা রেজাল্ট পাব।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে