
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় ছেলের মৃত্যুর খবর শুনে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন আছিয়া বেগম (৪৮) নামের এক নারী। গতকাল শুক্রবার উপজেলার ভরতখালী ইউনিয়নের নীলকুঠি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
আছিয়া বেগম নীলকুঠি গ্রামের রহিম উদ্দিনের স্ত্রী। এই দম্পতির ছেলে আশরাফুল ইসলাম (২৮) গতকাল হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বলে জানা গেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আশরাফুল ইসলাম ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। গতকাল বেলা ১১টার দিকে ঢাকায় জুমার নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হওয়ার পর তিনি হঠাৎ হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। দুপুরের দিকে আশরাফুলের মৃত্যুর খবর গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়। ছেলের মৃত্যুর খবর শোনামাত্রই তাঁর মা আছিয়া বেগম অসুস্থ হয়ে পড়েন। স্বজনেরা জানায়, তীব্র মানসিক যন্ত্রণা ও শোকে তিনি হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে বিকেলে মারা যান। অন্যদিকে চোখের সামনে স্ত্রীর মৃত্যু এবং ঢাকায় ছেলের মৃত্যুর সংবাদে আশরাফুলের বাবা রহিম উদ্দিনও গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আশরাফুলের চাচা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আশরাফুল খুব দায়িত্বশীল ছেলে ছিল। পরিবারের হাল ধরতে ঢাকায় কষ্ট করে চাকরি করত। শুক্রবার নামাজের সময় এমনভাবে তাকে হারাতে হবে, এটা আমরা কল্পনাও করিনি। ছেলের শোকেই তার মা চলে গেল। এক দিনে আমাদের পরিবারের যেন সব হারাল।’

একসময়ের খরস্রোতা ব্রহ্মপুত্র নদ আজ তার স্বাভাবিক গতিপথ হারাতে বসেছে। গাইবান্ধা সদর ও ফুলছড়ি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে নদের বুকে পলি জমে জেগে উঠেছে ডুবোচর ও বিস্তীর্ণ বালুচর। পানি কমে যাওয়ায় থমকে গেছে নৌযান চলাচল। ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাইলের পর মাইল হেঁটে কিংবা ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে
জীবনের পুরো সময়টাই মানবসেবায় কাটিয়েছেন আজাদুল কবির আজু। সবশেষে মানুষের কল্যাণে নিজের দেহটাও দান করে গেছেন দেশের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা, উন্নয়নকর্মী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আজাদুল কবির আজু।
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরগরম ময়মনসিংহের রাজনীতির মাঠ। গল্প আড্ডায় চলছে ভোটের হিসাবনিকাশ। তবে জেলার ১১টি আসনের ৯টিতে বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। ভোটের প্রচারে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২২ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু হলেও যশোরের ছয়টি আসনের পাঁচটিতেই মেটেনি বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল। আসনগুলোয় মনোনয়নবঞ্চিত প্রার্থী কিংবা তাঁদের অনুসারীদের এখনো মাঠে নামাতে পারেনি দলটি। মনোনয়নবঞ্চিত এই অংশের নিষ্ক্রিয়তায় আসনগুলোয় বিএনপির প্রার্থীরা বড় চ্যালেঞ্জে পড়বেন বলে দলের
৬ ঘণ্টা আগে