পরশুরাম (ফেনী) প্রতিনিধি

পরশুরামে বন্যার পানি অনেকটাই নেমে গেছে। এতে দৃশ্যমান হচ্ছে ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন। কোথাও আঞ্চলিক মহাসড়ক, গ্রামীণ সড়ক, কাঁচা রাস্তা, আবার কোথাও কালভার্ট ভেঙে ক্ষতবিক্ষত হয়ে গেছে। এ ছাড়া বীজতলা, ফসলের মাঠ, মাছের ঘের, বেড়িবাঁধ, ঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষতিও নজরে পড়ছে।
উল্লেখ্য, পরশুরামে গত ৭ আগস্ট সোমবার দুপুরে মুহুরী নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের অন্তত ছয়টি গ্রাম বন্যকবলিত হয়ে পড়ে। বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলি জমি, পুকুরের মাছ, রাস্তা, বসতঘর, সবজিখেত ডুবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এর আগের দিন ৬ আগস্ট রোববার মুহুরী নদীর ফুলগাজী উপজেলায় বেড়িবাঁধের দুটি স্থানে ভাঙন দেখা দেয়। ফুলগাজী উপজেলার সদরের বরইয়া ও দৌলতপুর এলাকায় বেড়িবাঁধ ভাঙনে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে ফেনী-পরশুরাম সড়ক থেকে পানি নেমে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
ফেনী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের তথ্যমতে, ফুলগাজী উপজেলার ১ হাজার ১৪৫টি পরিবারের ১৪ হাজার ৫০০ বাসিন্দা ও ১ হাজার ১৪৫টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ উপজেলায় ৫৫০ হেক্টর রোপা আমন, ১৫ হেক্টর সবজি, সাড়ে ৪৪ হেক্টর আয়তনের ৩৫০টি পুকুরের ২৫ মেট্রিক টন মাছ ভেসে গেছে।
পরশুরাম উপজেলার ৫৫০টি পরিবারের ২৬ হাজার বাসিন্দা ও ৫৫০টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ সময় ১৬৫ হেক্টর রোপা আমন, ৫ হেক্টর সবজি, ৩০টি পুকুরের প্রায় ২০ টন মাছ ও সাড়ে ৪ টন পোনা ভেসে যায়।
পরশুরাম উপজেলা প্রকৌশলী এস এম শাহ আলম ভুঁইয়া বলেন, উপজেলায় প্রায় ১৫-২০ কিলোমিটার পাকা সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকার আটটি বৈদ্যুতিক খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে মেরামতের কাজ চলছে।
চিথলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন বলেন, বিভিন্ন গ্রাম থেকে পানি নামতে শুরু করায় ক্ষতচিহ্নগুলো দৃশ্যমান হচ্ছে। ভাঙনের স্থান দিয়ে অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো তৈরি করে স্থানীয়রা কোনো রকমে পার হচ্ছেন। ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা ও ফসলি জমির ক্ষতও দৃশ্যমান হচ্ছে। মাছচাষিরা তাদের ক্ষতিগ্রস্ত পুকুরগুলোর পাড় মেরামতের কাজ শুরু করেছেন।
পরশুরাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দা শমসাদ বেগম বলেন, বন্যার পানি নামতে শুরু করায় ক্ষয়ক্ষতির চিহ্নগুলো দৃশ্যমান হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সব ধরনের সহযোগিতা করতে উপজেলা প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে।

পরশুরামে বন্যার পানি অনেকটাই নেমে গেছে। এতে দৃশ্যমান হচ্ছে ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন। কোথাও আঞ্চলিক মহাসড়ক, গ্রামীণ সড়ক, কাঁচা রাস্তা, আবার কোথাও কালভার্ট ভেঙে ক্ষতবিক্ষত হয়ে গেছে। এ ছাড়া বীজতলা, ফসলের মাঠ, মাছের ঘের, বেড়িবাঁধ, ঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষতিও নজরে পড়ছে।
উল্লেখ্য, পরশুরামে গত ৭ আগস্ট সোমবার দুপুরে মুহুরী নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের অন্তত ছয়টি গ্রাম বন্যকবলিত হয়ে পড়ে। বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলি জমি, পুকুরের মাছ, রাস্তা, বসতঘর, সবজিখেত ডুবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এর আগের দিন ৬ আগস্ট রোববার মুহুরী নদীর ফুলগাজী উপজেলায় বেড়িবাঁধের দুটি স্থানে ভাঙন দেখা দেয়। ফুলগাজী উপজেলার সদরের বরইয়া ও দৌলতপুর এলাকায় বেড়িবাঁধ ভাঙনে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে ফেনী-পরশুরাম সড়ক থেকে পানি নেমে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
ফেনী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের তথ্যমতে, ফুলগাজী উপজেলার ১ হাজার ১৪৫টি পরিবারের ১৪ হাজার ৫০০ বাসিন্দা ও ১ হাজার ১৪৫টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ উপজেলায় ৫৫০ হেক্টর রোপা আমন, ১৫ হেক্টর সবজি, সাড়ে ৪৪ হেক্টর আয়তনের ৩৫০টি পুকুরের ২৫ মেট্রিক টন মাছ ভেসে গেছে।
পরশুরাম উপজেলার ৫৫০টি পরিবারের ২৬ হাজার বাসিন্দা ও ৫৫০টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ সময় ১৬৫ হেক্টর রোপা আমন, ৫ হেক্টর সবজি, ৩০টি পুকুরের প্রায় ২০ টন মাছ ও সাড়ে ৪ টন পোনা ভেসে যায়।
পরশুরাম উপজেলা প্রকৌশলী এস এম শাহ আলম ভুঁইয়া বলেন, উপজেলায় প্রায় ১৫-২০ কিলোমিটার পাকা সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকার আটটি বৈদ্যুতিক খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে মেরামতের কাজ চলছে।
চিথলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন বলেন, বিভিন্ন গ্রাম থেকে পানি নামতে শুরু করায় ক্ষতচিহ্নগুলো দৃশ্যমান হচ্ছে। ভাঙনের স্থান দিয়ে অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো তৈরি করে স্থানীয়রা কোনো রকমে পার হচ্ছেন। ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা ও ফসলি জমির ক্ষতও দৃশ্যমান হচ্ছে। মাছচাষিরা তাদের ক্ষতিগ্রস্ত পুকুরগুলোর পাড় মেরামতের কাজ শুরু করেছেন।
পরশুরাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দা শমসাদ বেগম বলেন, বন্যার পানি নামতে শুরু করায় ক্ষয়ক্ষতির চিহ্নগুলো দৃশ্যমান হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সব ধরনের সহযোগিতা করতে উপজেলা প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে।

পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
১২ মিনিট আগে
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রতিবছর সুন্দরবনে অনেক বন্য প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্য প্রাণীদের নিরাপদে রাখতে বানানো হয়েছে সাতটি টাইগার টিলা (উঁচু কিল্লা)। বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসব বানানো হয়েছে। এ ছাড়া টিলার পাশে বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানি সরবরাহে খনন করা হয়েছে মিষ্টি পানির পুকুর।
১৭ মিনিট আগে
দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলাবস্থা কাটিয়ে ২০ জানুয়ারিতে হতে যাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে যেন শঙ্কা কাটছে না। নির্বাচনে দুবার তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থগিত করা শেষে এখন ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
১৯ মিনিট আগে
সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় গত বছর থেকে সরকার পর্যটক নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়। পর্যটক সীমিত করার পাশাপাশি দ্বীপে নিষিদ্ধ পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পণ্য বহন রোধ করাসহ ভ্রমণে ১২টি নির্দেশনা বা শর্ত আরোপ করে।
২২ মিনিট আগে