ফেনী প্রতিনিধি

পাওনা টাকা নিয়ে ভাই-ভাইয়ের দ্বন্দ্বের জেরে মারামারিতে এক পরিবারের চারজন আহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে ফেনী জেনারেল হাসপাতালের প্রধান ফটকে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে দুজন আপন ভাই ও একজন চাচাতো ভাই।
আহতরা হলেন কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার আবদুল বাতেনের ছেলে মোবারক হোসেন মানিক, তাঁর ছোট ভাই সাদ্দাম হোসেন, সাদ্দামের ছেলে রবিউল হোসেন এবং তাঁদের চাচাতো ভাই মো. সুমন মিয়া। তাঁরা ফেনীতে ভাড়া বাসায় থেকে হকারি করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পাওনা টাকা নিয়ে মানিক ও তাঁর চাচাতো ভাই সুমন মিয়ার মধ্যে প্রথমে শহরের একাডেমি রোডের ফারুক হোটেলে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সুমন সাদ্দামকে ডেকে আনেন। সাদ্দাম সুমনের পক্ষ নেওয়ায় দুই ভাইয়ের মধ্যে হাতাহাতি হয়। স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে সুমন ও সাদ্দাম থানায় অভিযোগ জানাতে যান।
অভিযোগ উঠেছে, এ সময় মানিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ফটকে লোকজন জড়ো করে অপেক্ষা করছিলেন। সাদ্দাম ও সুমন হাসপাতালে প্রবেশ করতে গেলে দুই পক্ষ আবারও মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। লাঠিসোঁটা নিয়ে মারধরে চারজন আহত হন। পরে হাসপাতালের পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় তাঁদের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়।
মানিক হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সুমন ও সাদ্দামের কাছে আমি ৪০ হাজার টাকা পাই। টাকা চাইতে গেলে তারা আমাকে মারধর করে। পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এলে তারা আবারও হামলা চালায়। এ সময় আমি তাদের প্রতিহত করেছি।’
অন্যদিকে সুমন মিয়া দাবি করেন, ‘আমার কাছে কোনো টাকা পাওনা নেই। তবুও মানিক আমাকে ও আমার ছোট ভাইকে দুই দফায় মারধর করেছে। হাসপাতালের গেটে কিশোর গ্যাং দিয়ে আবারও হামলা চালিয়েছে।’
প্রত্যক্ষদর্শী আবির হোসেন জয় আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হাসপাতালের ফটকে দুই পক্ষ লাঠিসোঁটা নিয়ে মারামারি শুরু করলে মুহূর্তে সেখানে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে জানতে পারি, তারা আপন ভাই ও কাছের আত্মীয়।’
ফেনী জেনারেল হাসপাতাল পুলিশ বক্সের ইনচার্জ আবদুল কাদির বলেন, ‘প্রথমে এক ভাই চিকিৎসা নিয়ে বের হয়। পরে হাসপাতালের গেটে দুই পক্ষের মধ্যে ফের সংঘর্ষ হয়। তাদের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি থানাকে জানানো হয়েছে।’

পাওনা টাকা নিয়ে ভাই-ভাইয়ের দ্বন্দ্বের জেরে মারামারিতে এক পরিবারের চারজন আহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে ফেনী জেনারেল হাসপাতালের প্রধান ফটকে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে দুজন আপন ভাই ও একজন চাচাতো ভাই।
আহতরা হলেন কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার আবদুল বাতেনের ছেলে মোবারক হোসেন মানিক, তাঁর ছোট ভাই সাদ্দাম হোসেন, সাদ্দামের ছেলে রবিউল হোসেন এবং তাঁদের চাচাতো ভাই মো. সুমন মিয়া। তাঁরা ফেনীতে ভাড়া বাসায় থেকে হকারি করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পাওনা টাকা নিয়ে মানিক ও তাঁর চাচাতো ভাই সুমন মিয়ার মধ্যে প্রথমে শহরের একাডেমি রোডের ফারুক হোটেলে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সুমন সাদ্দামকে ডেকে আনেন। সাদ্দাম সুমনের পক্ষ নেওয়ায় দুই ভাইয়ের মধ্যে হাতাহাতি হয়। স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে সুমন ও সাদ্দাম থানায় অভিযোগ জানাতে যান।
অভিযোগ উঠেছে, এ সময় মানিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ফটকে লোকজন জড়ো করে অপেক্ষা করছিলেন। সাদ্দাম ও সুমন হাসপাতালে প্রবেশ করতে গেলে দুই পক্ষ আবারও মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। লাঠিসোঁটা নিয়ে মারধরে চারজন আহত হন। পরে হাসপাতালের পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় তাঁদের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়।
মানিক হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সুমন ও সাদ্দামের কাছে আমি ৪০ হাজার টাকা পাই। টাকা চাইতে গেলে তারা আমাকে মারধর করে। পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এলে তারা আবারও হামলা চালায়। এ সময় আমি তাদের প্রতিহত করেছি।’
অন্যদিকে সুমন মিয়া দাবি করেন, ‘আমার কাছে কোনো টাকা পাওনা নেই। তবুও মানিক আমাকে ও আমার ছোট ভাইকে দুই দফায় মারধর করেছে। হাসপাতালের গেটে কিশোর গ্যাং দিয়ে আবারও হামলা চালিয়েছে।’
প্রত্যক্ষদর্শী আবির হোসেন জয় আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হাসপাতালের ফটকে দুই পক্ষ লাঠিসোঁটা নিয়ে মারামারি শুরু করলে মুহূর্তে সেখানে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে জানতে পারি, তারা আপন ভাই ও কাছের আত্মীয়।’
ফেনী জেনারেল হাসপাতাল পুলিশ বক্সের ইনচার্জ আবদুল কাদির বলেন, ‘প্রথমে এক ভাই চিকিৎসা নিয়ে বের হয়। পরে হাসপাতালের গেটে দুই পক্ষের মধ্যে ফের সংঘর্ষ হয়। তাদের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি থানাকে জানানো হয়েছে।’

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে