নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়ে নির্বাচনী মাঠে ফিরলেন আরও ৫৮ প্রার্থী। রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আপিল শুনানির দ্বিতীয় দিন আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, জামায়াতের চাঁদপুর-২ ও জামালপুর-৩ আসনের প্রার্থী রয়েছেন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে নির্বাচন কমিশন আজ ৭১টি আপিলের শুনানি করে। এর মধ্যে ৫৮টি আপিল মঞ্জুর, সাতটি খারিজ এবং ছয়টি আপিল পরে নিষ্পত্তির জন্য মুলতবি রাখা হয়েছে বলে জানান ইসির জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক।
এর আগের দিনে আপিল শুনানিতে প্রার্থিতা ফিরে পান ৫১ জন। এ নিয়ে দুদিনে ১৩২টি শুনানি শেষে ১০৯ জন প্রার্থী তাঁদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধরা ইসিতে ৬৪৫টি আপিল করেছেন। সেগুলো ১৮ জানুয়ারির মধ্যে শুনানি ও নিষ্পত্তি করবে কমিশন।
যাঁরা প্রার্থিতা ফিরে পেলেন
চাঁদপুর-২ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল মুবিন, জামালপুর-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মজিবুর রহমান আজাদী, কুড়িগ্রাম-২-এ বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির আতিকুর রহমান, গাজীপুর-২-এ খেলাফতে মজলিসের খন্দকার রুহুল আমিন, টাঙ্গাইল-৫-এ খেলাফতে মজলিসের হাসনাত আল আমীন, টাঙ্গাইল-৮-এ খেলাফতে মজলিসের শহীদুল ইসলাম, টাঙ্গাইল-৭-এ খেলাফতে মজলিসের মোহাম্মদ আবু তাহের, বগুড়া-২-এ স্বতন্ত্র রেজাউল করিম তালু, জয়পুরহাট-২-এ এবি পার্টির এস এ জাহিদ, রাঙামাটির স্বতন্ত্র পহেল চাকমা, জয়পুরহাট-১-এ এবি পার্টির সুলতান মোহাম্মদ শামছুজ্জামান, কুমিল্লা-১-এ জাতীয় পার্টির ইফতেখার আহসান ও ঢাকা-১-এ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নুরুল ইসলাম।
কুমিল্লা-৬ আসনে বাসদের কামরুন্নাহার সাথী, কুমিল্লা-৮-এ বাসদের আলী আশ্রাফ, নেত্রকোনা-১-এ জেএসডির বেলাল হোসেন, হবিগঞ্জ-৩-এ মুক্তিজোটের শাহিনুর রহমান, নড়াইল-২-এ গণঅধিকার পরিষদের নূরল ইসলাম, হবিগঞ্জ-৪-এ মুক্তিজোটের রাশেদুল ইসলাম খোকন, লক্ষ্মীপুর-২-এ বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির ফরহাদ মিয়া, সাতক্ষীরা-৩-এ স্বতন্ত্র শহীদুল আলম, বগুড়া-২-এ জাতীয় পার্টির শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ, লক্ষ্মীপুর-২-এ গণঅধিকার পরিষদের আবুল বাশার, চাঁদপুর-১-এ গণঅধিকার পরিষদের এনায়েত হোসেন, মাদারীপুর-৩-এ বাসদের আমিনুল ইসলাম, যশোর-২-এ স্বতন্ত্র জহুরুল ইসলাম, ঢাকা-৮-এ জনতার দলের গোলাম সরোয়ার, ঢাকা-১০-এ জনতার দলের জাকির হোসেন, নারায়ণগঞ্জ-৪-এ বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির সেলিম আহমেদ, চাঁদপুর-২-এ রিপাবলিকান পার্টির ফয়জুননুর, নারায়ণগঞ্জ-৪-এ গণঅধিকার পরিষদের আরিফ ভূঁইয়া ও নারায়ণগঞ্জ-৫-এ গণঅধিকার পরিষদের নাহিদ হোসেন।
টাঙ্গাইল-৮-এ আমজনতার দলের আলমগীর হোসেন, বগুড়া-৬-এ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মামুনুর রশীদ, রাজগঞ্জ-১-এ নাগরিক ঐক্যের নাজমুস সাকিব, ঢাকা-১৮-এ ন্যাশনাল পিপলস পার্টির সাবিনা জাবেদ, বগুড়া-২-এ নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, ঝালকাঠি-১-এ গণঅধিকার পরিষদের শাহাদৎ হোসেন, ঢাকা-১৫-এ সুপ্রিম পার্টির মোবারক হোসেন, নীলফামারী-৪-এ স্বতন্ত্র রিয়াদ আরফান সরকার, সুনামগঞ্জ-১-এ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের হাজী মুখলেছুর রহমান, জামালপুর-৩-এ স্বতন্ত্র সাদিকুর রহমান, ঝালকাঠি-২-এ স্বতন্ত্র নুরুদ্দীন সরদার, জয়পুরহাট-১-এ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আনোয়ার হোসেন, হবিগঞ্জ-৪-এ স্বতন্ত্র মিজানুর রহমান চৌধুরী, ঢাকা-১৮-এ লিবারেশন ডেমোক্রেটিক পার্টির মফিজুল ইসলাম, ঢাকা-৭-এ বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মাকসুদুর রহমান, নড়াইল-১-এ স্বতন্ত্র এস এম সাজ্জাদ হোসেন, বগুড়া-৫-এ এলডিপির খান কুদরদ ই সাকলায়েন, গাইবান্ধা-২-এ খেলাফতে মজলিসের এ কে এম গোলাম আযম, গাইবান্ধা-৩-এ জনতার দলের মঞ্জুরুল হক, ফেনী-৩-এ খেলফত মজলিসের মোহাম্মদ আলী, মাগুরা-১-এ গণফোরামের মিজানুর রহমান, যশোর-৪-এ জাতীয় পার্টির জহরুল হক, যশোর-৫-এ জাতীয় পার্টির এম এ হালিম, যশোর-৬-এ জাতীয় পার্টির জি এম হাসান ও রাজশাহী-৬-এ জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন।
এদিকে প্রথম দিন গতকাল শনিবারে শুনানি হলেও আজ মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনে স্বতন্ত্র মো. মহিউদ্দিনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে ইসি। ঋণখেলাপির কারণ দেখিয়ে তাঁর মনোনয়ন বাতিল করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
যাঁদের মনোনয়ন বাতিল বহাল
ফরিদপুর-৩ আসনে স্বতন্ত্র মোরশেদুল ইসলাম আসিফ, রাজশাহী-৩-এ স্বতন্ত্র হাবিবা বেগম, শেরপুর-১-এ স্বতন্ত্র ইলিয়াছ উদ্দিন, ভোলা-২-এ স্বতন্ত্র মিস তাছলিমা বেগম, রংপুর-৪-এ স্বতন্ত্র জয়নুল আবেদিন, খুলনা-৪-এ স্বতন্ত্র এস এম আজমল হোসেন ও ময়মনসিংহ-৯-এ খেলাফত মজলিসের শামসুল ইসলাম।
যাঁদের আপিল পেন্ডিং
ভোলা-২ আসনে স্বতন্ত্র মহিবুল্যাহ খোকন, ফরিদপুর-৪-এ স্বতন্ত্র আবদুল কাদের মিয়া, রাজশাহী-৫-এ স্বতন্ত্র রায়হান কাওসার, ময়মনসিংহ-৪-এ ন্যাশনাল পিপলস পার্টির হামিদুল ইসলাম, খুলনা-১-এ স্বতন্ত্র গোবিন্দ হালদার ও যশোর-২-এ বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামীর মোহাম্মদ মোসলেহউদ্দিন ফরিদ।

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়ে নির্বাচনী মাঠে ফিরলেন আরও ৫৮ প্রার্থী। রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আপিল শুনানির দ্বিতীয় দিন আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, জামায়াতের চাঁদপুর-২ ও জামালপুর-৩ আসনের প্রার্থী রয়েছেন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে নির্বাচন কমিশন আজ ৭১টি আপিলের শুনানি করে। এর মধ্যে ৫৮টি আপিল মঞ্জুর, সাতটি খারিজ এবং ছয়টি আপিল পরে নিষ্পত্তির জন্য মুলতবি রাখা হয়েছে বলে জানান ইসির জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক।
এর আগের দিনে আপিল শুনানিতে প্রার্থিতা ফিরে পান ৫১ জন। এ নিয়ে দুদিনে ১৩২টি শুনানি শেষে ১০৯ জন প্রার্থী তাঁদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধরা ইসিতে ৬৪৫টি আপিল করেছেন। সেগুলো ১৮ জানুয়ারির মধ্যে শুনানি ও নিষ্পত্তি করবে কমিশন।
যাঁরা প্রার্থিতা ফিরে পেলেন
চাঁদপুর-২ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল মুবিন, জামালপুর-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মজিবুর রহমান আজাদী, কুড়িগ্রাম-২-এ বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির আতিকুর রহমান, গাজীপুর-২-এ খেলাফতে মজলিসের খন্দকার রুহুল আমিন, টাঙ্গাইল-৫-এ খেলাফতে মজলিসের হাসনাত আল আমীন, টাঙ্গাইল-৮-এ খেলাফতে মজলিসের শহীদুল ইসলাম, টাঙ্গাইল-৭-এ খেলাফতে মজলিসের মোহাম্মদ আবু তাহের, বগুড়া-২-এ স্বতন্ত্র রেজাউল করিম তালু, জয়পুরহাট-২-এ এবি পার্টির এস এ জাহিদ, রাঙামাটির স্বতন্ত্র পহেল চাকমা, জয়পুরহাট-১-এ এবি পার্টির সুলতান মোহাম্মদ শামছুজ্জামান, কুমিল্লা-১-এ জাতীয় পার্টির ইফতেখার আহসান ও ঢাকা-১-এ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নুরুল ইসলাম।
কুমিল্লা-৬ আসনে বাসদের কামরুন্নাহার সাথী, কুমিল্লা-৮-এ বাসদের আলী আশ্রাফ, নেত্রকোনা-১-এ জেএসডির বেলাল হোসেন, হবিগঞ্জ-৩-এ মুক্তিজোটের শাহিনুর রহমান, নড়াইল-২-এ গণঅধিকার পরিষদের নূরল ইসলাম, হবিগঞ্জ-৪-এ মুক্তিজোটের রাশেদুল ইসলাম খোকন, লক্ষ্মীপুর-২-এ বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির ফরহাদ মিয়া, সাতক্ষীরা-৩-এ স্বতন্ত্র শহীদুল আলম, বগুড়া-২-এ জাতীয় পার্টির শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ, লক্ষ্মীপুর-২-এ গণঅধিকার পরিষদের আবুল বাশার, চাঁদপুর-১-এ গণঅধিকার পরিষদের এনায়েত হোসেন, মাদারীপুর-৩-এ বাসদের আমিনুল ইসলাম, যশোর-২-এ স্বতন্ত্র জহুরুল ইসলাম, ঢাকা-৮-এ জনতার দলের গোলাম সরোয়ার, ঢাকা-১০-এ জনতার দলের জাকির হোসেন, নারায়ণগঞ্জ-৪-এ বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির সেলিম আহমেদ, চাঁদপুর-২-এ রিপাবলিকান পার্টির ফয়জুননুর, নারায়ণগঞ্জ-৪-এ গণঅধিকার পরিষদের আরিফ ভূঁইয়া ও নারায়ণগঞ্জ-৫-এ গণঅধিকার পরিষদের নাহিদ হোসেন।
টাঙ্গাইল-৮-এ আমজনতার দলের আলমগীর হোসেন, বগুড়া-৬-এ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মামুনুর রশীদ, রাজগঞ্জ-১-এ নাগরিক ঐক্যের নাজমুস সাকিব, ঢাকা-১৮-এ ন্যাশনাল পিপলস পার্টির সাবিনা জাবেদ, বগুড়া-২-এ নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, ঝালকাঠি-১-এ গণঅধিকার পরিষদের শাহাদৎ হোসেন, ঢাকা-১৫-এ সুপ্রিম পার্টির মোবারক হোসেন, নীলফামারী-৪-এ স্বতন্ত্র রিয়াদ আরফান সরকার, সুনামগঞ্জ-১-এ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের হাজী মুখলেছুর রহমান, জামালপুর-৩-এ স্বতন্ত্র সাদিকুর রহমান, ঝালকাঠি-২-এ স্বতন্ত্র নুরুদ্দীন সরদার, জয়পুরহাট-১-এ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আনোয়ার হোসেন, হবিগঞ্জ-৪-এ স্বতন্ত্র মিজানুর রহমান চৌধুরী, ঢাকা-১৮-এ লিবারেশন ডেমোক্রেটিক পার্টির মফিজুল ইসলাম, ঢাকা-৭-এ বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মাকসুদুর রহমান, নড়াইল-১-এ স্বতন্ত্র এস এম সাজ্জাদ হোসেন, বগুড়া-৫-এ এলডিপির খান কুদরদ ই সাকলায়েন, গাইবান্ধা-২-এ খেলাফতে মজলিসের এ কে এম গোলাম আযম, গাইবান্ধা-৩-এ জনতার দলের মঞ্জুরুল হক, ফেনী-৩-এ খেলফত মজলিসের মোহাম্মদ আলী, মাগুরা-১-এ গণফোরামের মিজানুর রহমান, যশোর-৪-এ জাতীয় পার্টির জহরুল হক, যশোর-৫-এ জাতীয় পার্টির এম এ হালিম, যশোর-৬-এ জাতীয় পার্টির জি এম হাসান ও রাজশাহী-৬-এ জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন।
এদিকে প্রথম দিন গতকাল শনিবারে শুনানি হলেও আজ মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনে স্বতন্ত্র মো. মহিউদ্দিনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে ইসি। ঋণখেলাপির কারণ দেখিয়ে তাঁর মনোনয়ন বাতিল করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
যাঁদের মনোনয়ন বাতিল বহাল
ফরিদপুর-৩ আসনে স্বতন্ত্র মোরশেদুল ইসলাম আসিফ, রাজশাহী-৩-এ স্বতন্ত্র হাবিবা বেগম, শেরপুর-১-এ স্বতন্ত্র ইলিয়াছ উদ্দিন, ভোলা-২-এ স্বতন্ত্র মিস তাছলিমা বেগম, রংপুর-৪-এ স্বতন্ত্র জয়নুল আবেদিন, খুলনা-৪-এ স্বতন্ত্র এস এম আজমল হোসেন ও ময়মনসিংহ-৯-এ খেলাফত মজলিসের শামসুল ইসলাম।
যাঁদের আপিল পেন্ডিং
ভোলা-২ আসনে স্বতন্ত্র মহিবুল্যাহ খোকন, ফরিদপুর-৪-এ স্বতন্ত্র আবদুল কাদের মিয়া, রাজশাহী-৫-এ স্বতন্ত্র রায়হান কাওসার, ময়মনসিংহ-৪-এ ন্যাশনাল পিপলস পার্টির হামিদুল ইসলাম, খুলনা-১-এ স্বতন্ত্র গোবিন্দ হালদার ও যশোর-২-এ বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামীর মোহাম্মদ মোসলেহউদ্দিন ফরিদ।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহকারী একান্ত সচিব-২ গাজী হাফিজুর রহমান লিকুর স্ত্রী রহিমা আক্তারের নামে থাকা একটি ১০ তলা ভবন ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ গজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই নির্দেশ দেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দুদক জানিয়েছে, সাতজন নিম্ন আয়ের মানুষের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে কাগুজে প্রতিষ্ঠান খুলে মোট ৪৬ কোটি ৭৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে একটি চক্র। সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও রুকমিলা জামান ক্ষমতার অপব্যবহার করে এসব ঋণ জালিয়াতিতে সহায়তা করেন। এ ঘটনায় সাইফুজ্জামানের ভাই ও ইউসিবির সাবেক পরিচালক আনিসুজ্জামান
৪ ঘণ্টা আগে
বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনী পরিবেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য কমিশন থেকে সমন্বয় সেল, ভিজিল্যান্স টিম, মনিটরিং টিমসহ রিটার্নিং কর্মকর্তার সমন্বয়ে অনেকগুলো কমিটি রয়েছে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারসহ নানা ধরনের নির্দেশনা আগের আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক সভায় দেওয়া হয়েছিল।
৫ ঘণ্টা আগে
সিআইডির অনুসন্ধান অনুযায়ী, চক্রটি ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, গুলশান শাখার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা করে নিয়মিত চাঁদা আদায় করত। অভিযোগসংশ্লিষ্ট মো. কামরুজ্জামান ২০১৫ সালে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে যোগদান করেন।
৫ ঘণ্টা আগে