ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে। এলাকার আটটি বসতবাড়ি, একটি দোকানে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। পেঁয়াজের বীজসহ বাড়ি ঘরে লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ঘারুয়া ইউনিয়নের গংগাধরদী গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এক পক্ষের নেতৃত্ব দেন ঘারুয়া ইউনিয়নের গংগাধরদী গ্রামের মতিয়ার রহমান। অপর পক্ষের নেতৃত্ব দেন একই গ্রামের মান্নান মোল্লা।
গতকাল শুক্রবার গংগাধরদী গ্রামের মৃত চুন্নু মুন্সীর ফয়তা উপলক্ষে তাঁর পরিবার এলাকার লোকজনের জন্য দুপুরের খাবারের আয়োজন করে। দাওয়াত খেয়ে ফেরার পথে মান্নান মোল্লার পক্ষের ইয়াছিন নামের এক ব্যক্তিকে মতিয়ারের পক্ষের লোকজন মারধর করে। এ নিয়ে গ্রামে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শুক্রবার সন্ধ্যার পরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে পাঁচজন আহত হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজ শনিবার সকাল ৭টার দিকে দু’পক্ষের শত শত লোক ঢাল, সড়কিসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ সময় অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়। সংঘর্ষের সময় মান্নান মোল্লা, মামুন শেখ, শাজাহান শেখ, জলিল চোকদারের বাড়িসহ বেশ কয়েকটি বাড়ি, সুজন চোকদারের মোটরসাইকেল, পিকআপ, জসিম মিয়ার দোকান ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
শাজাহান শেখ জানান, তাঁর বাড়ি থেকে কমপক্ষে ২০ লাখ টাকা মূল্যের ২৫ মন পেঁয়াজের বীজ লুট করা হয়েছে।
ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, শনিবারের সংঘর্ষের ঘটনায় ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৫ জন আহত রোগী ভর্তি হয়। এদের মধ্যে গুরুতর আহত তিনজনকে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এরা হলেন-জসিম শেখ (৩২), লুৎফর মিয়া (৪৫) ও সুজন মোল্লা (২৪)।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেলিম রেজা বলেন, ‘আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ এলাকায় গিয়ে সংঘর্ষ থামিয়েছে। শনিবার দুপুর পর্যন্ত এ ব্যাপারে থানায় কেউ অভিযোগ করেনি।’

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে। এলাকার আটটি বসতবাড়ি, একটি দোকানে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। পেঁয়াজের বীজসহ বাড়ি ঘরে লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ঘারুয়া ইউনিয়নের গংগাধরদী গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এক পক্ষের নেতৃত্ব দেন ঘারুয়া ইউনিয়নের গংগাধরদী গ্রামের মতিয়ার রহমান। অপর পক্ষের নেতৃত্ব দেন একই গ্রামের মান্নান মোল্লা।
গতকাল শুক্রবার গংগাধরদী গ্রামের মৃত চুন্নু মুন্সীর ফয়তা উপলক্ষে তাঁর পরিবার এলাকার লোকজনের জন্য দুপুরের খাবারের আয়োজন করে। দাওয়াত খেয়ে ফেরার পথে মান্নান মোল্লার পক্ষের ইয়াছিন নামের এক ব্যক্তিকে মতিয়ারের পক্ষের লোকজন মারধর করে। এ নিয়ে গ্রামে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শুক্রবার সন্ধ্যার পরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে পাঁচজন আহত হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজ শনিবার সকাল ৭টার দিকে দু’পক্ষের শত শত লোক ঢাল, সড়কিসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ সময় অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়। সংঘর্ষের সময় মান্নান মোল্লা, মামুন শেখ, শাজাহান শেখ, জলিল চোকদারের বাড়িসহ বেশ কয়েকটি বাড়ি, সুজন চোকদারের মোটরসাইকেল, পিকআপ, জসিম মিয়ার দোকান ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
শাজাহান শেখ জানান, তাঁর বাড়ি থেকে কমপক্ষে ২০ লাখ টাকা মূল্যের ২৫ মন পেঁয়াজের বীজ লুট করা হয়েছে।
ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, শনিবারের সংঘর্ষের ঘটনায় ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৫ জন আহত রোগী ভর্তি হয়। এদের মধ্যে গুরুতর আহত তিনজনকে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এরা হলেন-জসিম শেখ (৩২), লুৎফর মিয়া (৪৫) ও সুজন মোল্লা (২৪)।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেলিম রেজা বলেন, ‘আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ এলাকায় গিয়ে সংঘর্ষ থামিয়েছে। শনিবার দুপুর পর্যন্ত এ ব্যাপারে থানায় কেউ অভিযোগ করেনি।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে