মধুখালী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

ফরিদপুরের মধুখালীতে আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ির মন্দিরে ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার বেলা ১১টায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের বাগাট বাজারে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বাগাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান খান ও পূজা উদ্যাপন পরিষদ শাখার আয়োজনে মানববন্ধনে শতাধিক মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন-ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা মনোজ সাহা, মধুখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল হক বকু, উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি সুভাষ রায়, সাধারণ সম্পাদক সুখেন মজুমদার, ফরিদপুর চিনিকল শ্রমজীবী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক কাজল বসু, বাগাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান খান, বাগাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহজাহান মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক দেব প্রসাদ রায় প্রমুখ। এ সময় বক্তারা দেব দেবীর প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
জানা যায়, জেলা পরিষদ সদস্য ও বাগাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দেব প্রসাদ রায়ের বাড়ি বাগাট দাসপাড়াতে নিজস্ব মন্দির রয়েছে। ওই মন্দিরে দুর্গাপূজাসহ বিভিন্ন পূজা উদ্যাপন করা হয়। গত ৭ এপ্রিল দুর্বৃত্তরা কালি প্রতিমার মাথা, চার হাত, মহাদেবের প্রতিমার হাত, সরস্বতী প্রতিমার মাথা, হাত, হাঁসের বিনা ও লক্ষ্মী প্রতিমার হাত ভেঙে ফেলে রেখে যায়। এ ঘটনায় পরদিন বাগাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দেব প্রসাদ রায় বাদী হয়ে মধুখালী থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের নামে মামলা করেন।
মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘মন্দিরে ভাঙচুরের ঘটনায় বাগাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দেব প্রসাদ রায় বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের নামে মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।’

ফরিদপুরের মধুখালীতে আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ির মন্দিরে ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার বেলা ১১টায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের বাগাট বাজারে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বাগাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান খান ও পূজা উদ্যাপন পরিষদ শাখার আয়োজনে মানববন্ধনে শতাধিক মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন-ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা মনোজ সাহা, মধুখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল হক বকু, উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি সুভাষ রায়, সাধারণ সম্পাদক সুখেন মজুমদার, ফরিদপুর চিনিকল শ্রমজীবী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক কাজল বসু, বাগাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান খান, বাগাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহজাহান মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক দেব প্রসাদ রায় প্রমুখ। এ সময় বক্তারা দেব দেবীর প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
জানা যায়, জেলা পরিষদ সদস্য ও বাগাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দেব প্রসাদ রায়ের বাড়ি বাগাট দাসপাড়াতে নিজস্ব মন্দির রয়েছে। ওই মন্দিরে দুর্গাপূজাসহ বিভিন্ন পূজা উদ্যাপন করা হয়। গত ৭ এপ্রিল দুর্বৃত্তরা কালি প্রতিমার মাথা, চার হাত, মহাদেবের প্রতিমার হাত, সরস্বতী প্রতিমার মাথা, হাত, হাঁসের বিনা ও লক্ষ্মী প্রতিমার হাত ভেঙে ফেলে রেখে যায়। এ ঘটনায় পরদিন বাগাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দেব প্রসাদ রায় বাদী হয়ে মধুখালী থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের নামে মামলা করেন।
মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘মন্দিরে ভাঙচুরের ঘটনায় বাগাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দেব প্রসাদ রায় বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের নামে মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে