ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় দুলাল সর্দার নামে এক গ্রাম পুলিশের বাড়ি থেকে সরকারি ৮০০ কেজি চাল জব্দ করেছে প্রশাসন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল সোমবার রাতে উপজেলার নুরুল্লাগঞ্জ ইউনিয়নের বাকপুরা গ্রাম থেকে চালগুলো উদ্ধার করা হয়। এ সময় চালসহ একটি একতলা ভবন সিলগালা করে দেওয়া হয়।
আজ মঙ্গলবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তর জন্য তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কুদরত এ খুদা। তিনি তদন্ত কমিটিকে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সম্প্রতি ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট (ভিডব্লিউবি) প্রকল্পের নুরুল্লাগঞ্জ ইউনিয়নের ১৭১ জন সুবিধাভোগীর জন প্রতি ৩০ কেজি করে চাল উত্তোলন করেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ শাহীন আলম সাহাবুর। ওই চাল থেকে সোমবার গভীর রাতে ৮০০ কেজি গ্রাম পুলিশ দুলাল সর্দারের বাড়িতে সরিয়ে রাখা হয়।
রাতে গ্রাম পুলিশের বাড়িতে ভ্যান থেকে চাল নামানোর ঘটনাটি টের পেয়ে এলাকাবাসী উপজেলা প্রশাসনকে খবর দেয়। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে থানা-পুলিশ চালগুলো জব্দ করে। সরকারি চাল জব্দের খবরটি জানাজানি হলে আজ (মঙ্গলবার) উৎসুক মানুষ ওই বাড়িতে ভিড় জমায়।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত গ্রাম পুলিশ দুলাল সর্দার জানান, ‘ইউপি চেয়ারম্যান আমাকে ৮০০ কেজি চাল দিয়ে বলেছেন, স্থানীয় একটি এতিমখানায় দেওয়ার জন্য। আমি সেখানে রাতের বেলায় না দিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসি দিনের বেলায় দেওয়ার জন্য।’
একই কথা জানান ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ শাহীন আলম সাহাবুর। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার গ্রাম পুলিশকে দিয়ে একটি এতিমখানার জন্য ওই চাল আমি পাঠিয়েছি। পরদিন দিনের বেলায় চালগুলো এতিমখানায় দিয়ে দেওয়া হতো।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কুদরত এ খুদা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সমগ্র বিষয়টির মধ্যে অপরাধ দৃশ্যমান রয়েছে। আমি তদন্ত টিম করে দিয়েছি, তাদের তদন্তের ওপর ভিত্তি করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অপরাধী যেই হোক, তাকে কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে।’

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় দুলাল সর্দার নামে এক গ্রাম পুলিশের বাড়ি থেকে সরকারি ৮০০ কেজি চাল জব্দ করেছে প্রশাসন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল সোমবার রাতে উপজেলার নুরুল্লাগঞ্জ ইউনিয়নের বাকপুরা গ্রাম থেকে চালগুলো উদ্ধার করা হয়। এ সময় চালসহ একটি একতলা ভবন সিলগালা করে দেওয়া হয়।
আজ মঙ্গলবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তর জন্য তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কুদরত এ খুদা। তিনি তদন্ত কমিটিকে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সম্প্রতি ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট (ভিডব্লিউবি) প্রকল্পের নুরুল্লাগঞ্জ ইউনিয়নের ১৭১ জন সুবিধাভোগীর জন প্রতি ৩০ কেজি করে চাল উত্তোলন করেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ শাহীন আলম সাহাবুর। ওই চাল থেকে সোমবার গভীর রাতে ৮০০ কেজি গ্রাম পুলিশ দুলাল সর্দারের বাড়িতে সরিয়ে রাখা হয়।
রাতে গ্রাম পুলিশের বাড়িতে ভ্যান থেকে চাল নামানোর ঘটনাটি টের পেয়ে এলাকাবাসী উপজেলা প্রশাসনকে খবর দেয়। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে থানা-পুলিশ চালগুলো জব্দ করে। সরকারি চাল জব্দের খবরটি জানাজানি হলে আজ (মঙ্গলবার) উৎসুক মানুষ ওই বাড়িতে ভিড় জমায়।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত গ্রাম পুলিশ দুলাল সর্দার জানান, ‘ইউপি চেয়ারম্যান আমাকে ৮০০ কেজি চাল দিয়ে বলেছেন, স্থানীয় একটি এতিমখানায় দেওয়ার জন্য। আমি সেখানে রাতের বেলায় না দিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসি দিনের বেলায় দেওয়ার জন্য।’
একই কথা জানান ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ শাহীন আলম সাহাবুর। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার গ্রাম পুলিশকে দিয়ে একটি এতিমখানার জন্য ওই চাল আমি পাঠিয়েছি। পরদিন দিনের বেলায় চালগুলো এতিমখানায় দিয়ে দেওয়া হতো।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কুদরত এ খুদা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সমগ্র বিষয়টির মধ্যে অপরাধ দৃশ্যমান রয়েছে। আমি তদন্ত টিম করে দিয়েছি, তাদের তদন্তের ওপর ভিত্তি করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অপরাধী যেই হোক, তাকে কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে