ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুর সদর হাসপাতালে ঢুকে রোগীর স্বজনকে প্রকাশ্যে কোপানোর মামলায় খালাস পেয়েছেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি দেবাশীষ নয়ন। উভয় পক্ষের আপসে এ খালাস প্রদান করা হয়।
আজ রোববার সকাল ১১টায় ফরিদপুরের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের বিচারক তরুণ বাছাড় এ রায় দেন। সন্ধ্যায় বিবাদী পক্ষের আইনজীবী শফিকুর রহমান উজ্জ্বল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিবাদী পক্ষের আইনজীবী বলেন, বিবাদী পক্ষের সঙ্গে বাদী পক্ষের আপসের ভিত্তিতে বিচারক সাবেক ছাত্রলীগ নেতা দেবাশীষ নয়নসহ এ মামলার সঙ্গে জড়িত সকল আসামিকে খালাস দেন।
এর আগে এ আলোচিত মামলায় ছাত্রলীগের এ নেতা উচ্চ আদালত থেকে ২১ দিনের আগাম জামিনে ছিলেন। পরে ফরিদপুরের ১ নম্বর আমলি আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে তাঁর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে একই আদালত থেকে জামিনে ছিলেন তিনি। পরে আজ রোববার বিবাদী পক্ষের সঙ্গে আপসের মাধ্যমে আদালত থেকে খালাস পেলেন।
দেবাশীষ নয়ন (৩২) ফরিদপুর শহরের দক্ষিণ ঝিলটুলী মহল্লায় বসবাস করেন। তাঁর বাড়ি সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের আটঘর গ্রামে। তিনি ফরিদপুর সিটি কলেজ থেকে এইচএসসি (প্রাইভেট) পাস করেন। তিনি জেলা ছাত্রলীগের পুরোনো কমিটির সহসভাপতি ছিলেন।
প্রসঙ্গত, ফরিদপুর শহরের হরিসভা এলাকার বাসিন্দা ফাহিম আহমেদের স্ত্রী হীরা বেগম ফরিদপুর জেনারেল (সদর) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত ২৩ ফেব্রুয়ারির রাতে কর্তব্যরত নার্স ইলার শিকদারের সঙ্গে ফাহিম আহমেদের কথা-কাটাকাটি হয়। এর জেরে নার্স দেবাশীষ নয়নকে খবর দিয়ে ডেকে আনেন। দেবাশীষ নয়ন হাসপাতালে এসে ফাহিম আহমেদের বুকে ছুরিকাঘাত করে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীর পরিবার। পরে ইলা ও দেবাশীষ নয়ন পালিয়ে যান বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
এরপর মারাত্মক আহত অবস্থায় ফাহিম আহমেদকে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় ফাহিম আহমেদ বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় নার্স ইলা শিকদার ও দেবাশীষ নয়নকে আসামি করে মামলা করেন। পরে উভয় পক্ষের আপসের মাধ্যমে আজ রোববার আদালতের মাধ্যমে খালাস পেলেন ছাত্রলীগ নেতা দেবাশীষ নয়নসহ এর সঙ্গে জড়িতের অভিযোগ ওঠা হাসপাতালটির নার্স ইলা শিকদার।

ফরিদপুর সদর হাসপাতালে ঢুকে রোগীর স্বজনকে প্রকাশ্যে কোপানোর মামলায় খালাস পেয়েছেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি দেবাশীষ নয়ন। উভয় পক্ষের আপসে এ খালাস প্রদান করা হয়।
আজ রোববার সকাল ১১টায় ফরিদপুরের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের বিচারক তরুণ বাছাড় এ রায় দেন। সন্ধ্যায় বিবাদী পক্ষের আইনজীবী শফিকুর রহমান উজ্জ্বল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিবাদী পক্ষের আইনজীবী বলেন, বিবাদী পক্ষের সঙ্গে বাদী পক্ষের আপসের ভিত্তিতে বিচারক সাবেক ছাত্রলীগ নেতা দেবাশীষ নয়নসহ এ মামলার সঙ্গে জড়িত সকল আসামিকে খালাস দেন।
এর আগে এ আলোচিত মামলায় ছাত্রলীগের এ নেতা উচ্চ আদালত থেকে ২১ দিনের আগাম জামিনে ছিলেন। পরে ফরিদপুরের ১ নম্বর আমলি আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে তাঁর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে একই আদালত থেকে জামিনে ছিলেন তিনি। পরে আজ রোববার বিবাদী পক্ষের সঙ্গে আপসের মাধ্যমে আদালত থেকে খালাস পেলেন।
দেবাশীষ নয়ন (৩২) ফরিদপুর শহরের দক্ষিণ ঝিলটুলী মহল্লায় বসবাস করেন। তাঁর বাড়ি সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের আটঘর গ্রামে। তিনি ফরিদপুর সিটি কলেজ থেকে এইচএসসি (প্রাইভেট) পাস করেন। তিনি জেলা ছাত্রলীগের পুরোনো কমিটির সহসভাপতি ছিলেন।
প্রসঙ্গত, ফরিদপুর শহরের হরিসভা এলাকার বাসিন্দা ফাহিম আহমেদের স্ত্রী হীরা বেগম ফরিদপুর জেনারেল (সদর) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত ২৩ ফেব্রুয়ারির রাতে কর্তব্যরত নার্স ইলার শিকদারের সঙ্গে ফাহিম আহমেদের কথা-কাটাকাটি হয়। এর জেরে নার্স দেবাশীষ নয়নকে খবর দিয়ে ডেকে আনেন। দেবাশীষ নয়ন হাসপাতালে এসে ফাহিম আহমেদের বুকে ছুরিকাঘাত করে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীর পরিবার। পরে ইলা ও দেবাশীষ নয়ন পালিয়ে যান বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
এরপর মারাত্মক আহত অবস্থায় ফাহিম আহমেদকে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় ফাহিম আহমেদ বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় নার্স ইলা শিকদার ও দেবাশীষ নয়নকে আসামি করে মামলা করেন। পরে উভয় পক্ষের আপসের মাধ্যমে আজ রোববার আদালতের মাধ্যমে খালাস পেলেন ছাত্রলীগ নেতা দেবাশীষ নয়নসহ এর সঙ্গে জড়িতের অভিযোগ ওঠা হাসপাতালটির নার্স ইলা শিকদার।

নেত্রকোনায় চলন্ত ট্রেন থেকে ছিটকে পড়ে ইয়াসিন আহমেদ সিয়াম (১৮) নামের এক কলেজছাত্র নিহত হয়েছেন। আজ রোববার সকাল ৯টার দিকে জেলা শহরের রাজুরবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
১১ মিনিট আগে
ময়মনসিংহের নান্দাইলে নারিকেলগাছের নিচে চাপা পড়ে আরাফাত রহমান (৪) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার রাজগাতি ইউনিয়নের রাজগাতি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আরাফাত রহমান ওই গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে।
১৮ মিনিট আগে
জরায়ুমুখ ক্যানসার নির্মূলের লক্ষ্য অর্জনে তিনটি বিষয় একসঙ্গে বাস্তবায়ন জরুরি। এগুলো হচ্ছে টিকা, পরীক্ষা এবং তারপর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা। টিকায় ভালো অগ্রগতি হলেও বিকিরণ চিকিৎসায় এক বছরের বেশি অপেক্ষা করতে হয়, যা গ্রহণযোগ্য নয়। গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এই অভিমত দেন সংশ্ল
২৩ মিনিট আগে
আলী রীয়াজ বলেন, অনেকে বলে, গণভোটের মার্কা কী? উত্তর হচ্ছে, গণভোটের মার্কা হচ্ছে টিক চিহ্ন। ওইটাই গণভোটের মার্কা। যদি আপনি ‘হ্যাঁ’ বলতে চান, তাহলে ওই মার্কায় ভোট দিতে হবে। আপনাদের রাজনৈতিক মতপার্থক্য, বিশ্বাস, ভিন্ন দল থাকবে, সেটার জন্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সাদা রঙের ব্যালট।
৩৮ মিনিট আগে