ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুর জেলা বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি মো. কামরুল ইসলাম সিদ্দিকীর (৫০) ওপর হামলা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় ধারালো অস্ত্রসহ দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। আজ সোমবার শহরের গোয়ালচামট মডেল মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
কোতোয়ালি মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
আটক ব্যক্তিরা হলেন–শহরের রঘুনন্দনপুরের সাত্তার শেখে ছেলে রিপন শেখ ও রথখোলা এলাকার রাশেদ হাওলাদারের ছেলে সোহাগ হাওলাদার। এর মধ্যে রিপন শেখ জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি ও মোটর ওয়ার্কার্স শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি গোলাম মো. নাছিরের সহযোগী বলে জানান স্থানীয়রা।
জানা যায়, সন্ধ্যায় মডেল মসজিদ থেকে মাগরিবের নামাজ পড়ে বের হন পার্শ্ববর্তী রথখোলা এলাকার বাসিন্দা কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী। মসজিদের গেটে আসা মাত্র চার থেকে পাঁচজন তার ওপর হামলার চেষ্টা চালায়। একজন মাফলার দিয়ে তার গলা পেঁচিয়ে ফেলে।
এ সময় রেজাউল করিম সজল নামে এক ব্যক্তি এগিয়ে আসলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করা হয়। এরপরই মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। লোকজন রিপন শেখকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
আহত রেজাউল করিম বলেন, ‘মাগরিবের নামাজ শেষে হঠাৎ দেখি ওনাকে (কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী) মাফলার দিয়ে গলা পেঁচিয়ে ফেলেছে। তখন আমি ঠেকানোর চেষ্টা করলে ওরা মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দেয়। এরপরই রামদা দিয়ে কোপ দিতে গেলে আমি ধরে ফেলি। তখন আমার হাতর কনুইয়ের অংশ কেটে যায়।’
হামলার শিকার কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী বলেন, ‘হামলাকারীদের মধ্যে চারজনকে চিনতে পেরেছি। রাজনৈতিক কারণে আমার ওপর এই হামলা হয়েছে। আমি সভাপতি হওয়ার পর থেকে বাসস্ট্যান্ড কেন্দ্রিক চাঁদাবাজি বন্ধের চেষ্টা চালিয়ে আসছি। এতে ওরা ক্ষিপ্ত হয়ে আজ এ ঘটনা ঘটায়। পূর্বেও চক্রটি আমাকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছিল।’
জানতে চাইলে ওসি মো. আসাদউজ্জামান বলেন, ‘সন্ধ্যা পরেই বিষয়টি আমি জানতে পারি। তখন পুলিশ পাঠানো হলে স্থানীয়রা একজনকে আটক করে পুলিশে দেয়। পরবর্তীতে আরও একজনকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে রাতেই মামলা হবে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

ফরিদপুর জেলা বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি মো. কামরুল ইসলাম সিদ্দিকীর (৫০) ওপর হামলা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় ধারালো অস্ত্রসহ দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। আজ সোমবার শহরের গোয়ালচামট মডেল মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
কোতোয়ালি মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
আটক ব্যক্তিরা হলেন–শহরের রঘুনন্দনপুরের সাত্তার শেখে ছেলে রিপন শেখ ও রথখোলা এলাকার রাশেদ হাওলাদারের ছেলে সোহাগ হাওলাদার। এর মধ্যে রিপন শেখ জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি ও মোটর ওয়ার্কার্স শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি গোলাম মো. নাছিরের সহযোগী বলে জানান স্থানীয়রা।
জানা যায়, সন্ধ্যায় মডেল মসজিদ থেকে মাগরিবের নামাজ পড়ে বের হন পার্শ্ববর্তী রথখোলা এলাকার বাসিন্দা কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী। মসজিদের গেটে আসা মাত্র চার থেকে পাঁচজন তার ওপর হামলার চেষ্টা চালায়। একজন মাফলার দিয়ে তার গলা পেঁচিয়ে ফেলে।
এ সময় রেজাউল করিম সজল নামে এক ব্যক্তি এগিয়ে আসলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করা হয়। এরপরই মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। লোকজন রিপন শেখকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
আহত রেজাউল করিম বলেন, ‘মাগরিবের নামাজ শেষে হঠাৎ দেখি ওনাকে (কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী) মাফলার দিয়ে গলা পেঁচিয়ে ফেলেছে। তখন আমি ঠেকানোর চেষ্টা করলে ওরা মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দেয়। এরপরই রামদা দিয়ে কোপ দিতে গেলে আমি ধরে ফেলি। তখন আমার হাতর কনুইয়ের অংশ কেটে যায়।’
হামলার শিকার কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী বলেন, ‘হামলাকারীদের মধ্যে চারজনকে চিনতে পেরেছি। রাজনৈতিক কারণে আমার ওপর এই হামলা হয়েছে। আমি সভাপতি হওয়ার পর থেকে বাসস্ট্যান্ড কেন্দ্রিক চাঁদাবাজি বন্ধের চেষ্টা চালিয়ে আসছি। এতে ওরা ক্ষিপ্ত হয়ে আজ এ ঘটনা ঘটায়। পূর্বেও চক্রটি আমাকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছিল।’
জানতে চাইলে ওসি মো. আসাদউজ্জামান বলেন, ‘সন্ধ্যা পরেই বিষয়টি আমি জানতে পারি। তখন পুলিশ পাঠানো হলে স্থানীয়রা একজনকে আটক করে পুলিশে দেয়। পরবর্তীতে আরও একজনকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে রাতেই মামলা হবে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে