ফরিদপুর প্রতিনিধি

এলাকায় সকলের কাছে সুমন রাফি নামে পরিচিত তিনি। পুরো নাম মো. হেদায়েতুর রাফি সুমন (৩৫)। অসহায়, হতদরিদ্র মানুষ ও পশুপাখির সেবা করা তাঁর নেশা। এলাকার বিভিন্ন সেবামূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন তিনি।
সুমন ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার পৌর সদরের ছোলনা গ্রামের বাসিন্দা। বাবা অবসরপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক মো. শওকত হোসেন মিয়া। তিন ভাইবোনের মধ্যে সকলের ছোট তিনি। বড় ভাই হায়াতুর রাফি নয়ন একজন স্বর্ণ ব্যবসায়ী। রাজধানীতে এই ব্যবসা পরিচালনা করেন তাঁরা দুই ভাই। এই ব্যবসার আয় থেকে নিজের চাহিদা পূরণ করে বাকি টাকা মানবকল্যাণে ব্যয় করেন সুমন।
২০০৯ সালে ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন সুমন। বাবার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে শিক্ষাজীবন শেষে চাকরি না করে ব্যবসা ও মানবসেবামূলক কাজ করে আসছেন। ছোটবেলা থেকেই মানুষের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার পণ করেন তিনি।
২০০২ সাল থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০ হাজার মানুষ বিভিন্নভাবে উপকৃত হয়েছেন সুমন রাফির মাধ্যমে। প্রায় ৬ হাজার মানুষকে রক্তের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। কারও রক্ত লাগবে জানা মাত্রই পাগলের মতো ছুটে যান। নিজেও নিয়মিত রক্ত দিয়ে আসছেন। সাধ্য অনুযায়ী সমাজের অসহায়, হতদরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসার ব্যবস্থা করে আসছেন। অসুস্থ পশুপাখিকে সুস্থ করে অবমুক্তও করে দেন। বোয়ালমারী উপজেলার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, সরকারি জায়গায় ১৫ থেকে ২০ হাজার বনজ ও ফলদ বৃক্ষ রোপণ করেছেন।
অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার, মসজিদ নির্মাণে সহযোগিতা, গরিবের মাঝে কম্বল ও মাংস বিতরণ, দুস্থ মানুষের ঘর নির্মাণ, যুবকদের ক্রীড়াসামগ্রী বিতরণ, প্রতিবন্ধী-মানসিক রোগীর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বই প্রদান, হারানো শিশুদের উদ্ধারে সহায়তা, পঙ্গুদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণসহ বিভিন্ন ধরনের কাজে তাঁর অংশগ্রহণের দৃষ্টান্ত রয়েছে।
নিজের কাজের বিষয়ে সুমন রাফি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ইসলামি আদর্শ ও মানবতার প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে ২০০২ সাল থেকে মানবসেবামূলক কাজ করা শুরু করি। ছোটবেলা থেকেই আমার জনসেবামূলক কাজ করার ইচ্ছা ছিল। তাই সুযোগ পেলেই স্বল্প পরিসরে লোকজনকে সহায়তা করতাম। সেই থেকে বিভিন্ন সেবামূলক কাজ করে আসছি। আশা করি, ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখব।’
সুমন রাফি আরও বলেন, এই জনসেবামূলক কাজ ব্যাপক আকারে করার চেষ্টা চালাচ্ছি। জনপ্রতিনিধি না হয়েও বোয়ালমারীতে জনসেবামূলক কাজ করব। এটাই আমার মূল উদ্দেশ্য, আর কোনো উদ্দেশ্য নেই। বাকি জীবনে এই কাজই করে যেতে চাই।’
সুমন রাফির কাজের প্রশংসা করেন বোয়ালমারী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এম মোশাররফ হোসেন মুশা মিয়া। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ওর বাবা একজন স্কুলশিক্ষক ছিলেন। ওরে দেখি, মানুষের বিভিন্ন সমস্যায় সাহায্য করে থাকে। এটা খুবই প্রশংসনীয় কাজ।’

এলাকায় সকলের কাছে সুমন রাফি নামে পরিচিত তিনি। পুরো নাম মো. হেদায়েতুর রাফি সুমন (৩৫)। অসহায়, হতদরিদ্র মানুষ ও পশুপাখির সেবা করা তাঁর নেশা। এলাকার বিভিন্ন সেবামূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন তিনি।
সুমন ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার পৌর সদরের ছোলনা গ্রামের বাসিন্দা। বাবা অবসরপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক মো. শওকত হোসেন মিয়া। তিন ভাইবোনের মধ্যে সকলের ছোট তিনি। বড় ভাই হায়াতুর রাফি নয়ন একজন স্বর্ণ ব্যবসায়ী। রাজধানীতে এই ব্যবসা পরিচালনা করেন তাঁরা দুই ভাই। এই ব্যবসার আয় থেকে নিজের চাহিদা পূরণ করে বাকি টাকা মানবকল্যাণে ব্যয় করেন সুমন।
২০০৯ সালে ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন সুমন। বাবার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে শিক্ষাজীবন শেষে চাকরি না করে ব্যবসা ও মানবসেবামূলক কাজ করে আসছেন। ছোটবেলা থেকেই মানুষের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার পণ করেন তিনি।
২০০২ সাল থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০ হাজার মানুষ বিভিন্নভাবে উপকৃত হয়েছেন সুমন রাফির মাধ্যমে। প্রায় ৬ হাজার মানুষকে রক্তের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। কারও রক্ত লাগবে জানা মাত্রই পাগলের মতো ছুটে যান। নিজেও নিয়মিত রক্ত দিয়ে আসছেন। সাধ্য অনুযায়ী সমাজের অসহায়, হতদরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসার ব্যবস্থা করে আসছেন। অসুস্থ পশুপাখিকে সুস্থ করে অবমুক্তও করে দেন। বোয়ালমারী উপজেলার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, সরকারি জায়গায় ১৫ থেকে ২০ হাজার বনজ ও ফলদ বৃক্ষ রোপণ করেছেন।
অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার, মসজিদ নির্মাণে সহযোগিতা, গরিবের মাঝে কম্বল ও মাংস বিতরণ, দুস্থ মানুষের ঘর নির্মাণ, যুবকদের ক্রীড়াসামগ্রী বিতরণ, প্রতিবন্ধী-মানসিক রোগীর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বই প্রদান, হারানো শিশুদের উদ্ধারে সহায়তা, পঙ্গুদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণসহ বিভিন্ন ধরনের কাজে তাঁর অংশগ্রহণের দৃষ্টান্ত রয়েছে।
নিজের কাজের বিষয়ে সুমন রাফি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ইসলামি আদর্শ ও মানবতার প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে ২০০২ সাল থেকে মানবসেবামূলক কাজ করা শুরু করি। ছোটবেলা থেকেই আমার জনসেবামূলক কাজ করার ইচ্ছা ছিল। তাই সুযোগ পেলেই স্বল্প পরিসরে লোকজনকে সহায়তা করতাম। সেই থেকে বিভিন্ন সেবামূলক কাজ করে আসছি। আশা করি, ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখব।’
সুমন রাফি আরও বলেন, এই জনসেবামূলক কাজ ব্যাপক আকারে করার চেষ্টা চালাচ্ছি। জনপ্রতিনিধি না হয়েও বোয়ালমারীতে জনসেবামূলক কাজ করব। এটাই আমার মূল উদ্দেশ্য, আর কোনো উদ্দেশ্য নেই। বাকি জীবনে এই কাজই করে যেতে চাই।’
সুমন রাফির কাজের প্রশংসা করেন বোয়ালমারী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এম মোশাররফ হোসেন মুশা মিয়া। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ওর বাবা একজন স্কুলশিক্ষক ছিলেন। ওরে দেখি, মানুষের বিভিন্ন সমস্যায় সাহায্য করে থাকে। এটা খুবই প্রশংসনীয় কাজ।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে