হিলি স্থলবন্দর, প্রতিনিধি

কাঁচা মরিচের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ৯ মাস বন্ধ থাকার পর দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতিপত্র বা আইপি দেওয়া হয়েছে। হিলি স্থলবন্দরের সততা বাণিজ্যালয় ও হিলি শিপিং ট্রেডার্স নামের দুটি আমদানি কারক প্রতিষ্ঠান প্রাথমিকভাবে ১ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি পত্র বা আইপি পেয়েছে। আজ শনিবার দুপুরের পর বন্দর দিয়ে ৫ ট্রাকে প্রায় ৪২ মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ আমদানি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
ভারতের কুচবিহার ও বিহার থেকে এসব কাঁচা মরিচ দেশে প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে আমদানিকারক এ দুটি প্রতিষ্ঠান।
আমদানিকারক বাবলু রহমান জানান, সরকার কাঁচা মরিচ আমদানি অনুমতি পত্র দেওয়ার পর তারা ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি করছেন। দেশের বাজারে কাঁচা মরিচের দাম ২০০ থেকে ২৫০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি স্বাভাবিক থাকলে কাঁচা মরিচের দাম অচিরেই কমে আসবে। শনিবার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পাঁচটি ট্রাকে ৪২ মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে। বন্দরে পাইকারপত্র কম থাকায় আমদানি করা এসব কাঁচা মরিচ নিজ চালানে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করছেন তারা। তারা আশা করছেন দুই চার দিনের ভেতরে কাঁচামরিচের দাম অনেকটাই কমে আসবে।
কাঁচামরিচ কিনতে আসা শফিকুল ইসলাম জানান, পাইকার পত্র কম থাকায় আমদানিকারকেরা এসব কাঁচা মরিচ বন্দরে বিক্রি না করে নিজ চালানে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সরবরাহ করছেন। আমদানি করা এসব কাঁচামরিচ বাজারে সরবরাহ হলে মরিচের দাম অনেকটা কমে আসবে।
পানামা হিলি পোর্ট জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন মল্লিক জানান, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। শনিবার ৫ ট্রাকে প্রায় ৪২ মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে। আমদানি করা এসব পণ্য ব্যবসায়ীরা যাতে দ্রুত খালাস করে নিয়ে যেতে পারে, এ জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষ বাড়তি ব্যবস্থা করে রেখেছে।

কাঁচা মরিচের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ৯ মাস বন্ধ থাকার পর দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতিপত্র বা আইপি দেওয়া হয়েছে। হিলি স্থলবন্দরের সততা বাণিজ্যালয় ও হিলি শিপিং ট্রেডার্স নামের দুটি আমদানি কারক প্রতিষ্ঠান প্রাথমিকভাবে ১ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি পত্র বা আইপি পেয়েছে। আজ শনিবার দুপুরের পর বন্দর দিয়ে ৫ ট্রাকে প্রায় ৪২ মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ আমদানি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
ভারতের কুচবিহার ও বিহার থেকে এসব কাঁচা মরিচ দেশে প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে আমদানিকারক এ দুটি প্রতিষ্ঠান।
আমদানিকারক বাবলু রহমান জানান, সরকার কাঁচা মরিচ আমদানি অনুমতি পত্র দেওয়ার পর তারা ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি করছেন। দেশের বাজারে কাঁচা মরিচের দাম ২০০ থেকে ২৫০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি স্বাভাবিক থাকলে কাঁচা মরিচের দাম অচিরেই কমে আসবে। শনিবার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পাঁচটি ট্রাকে ৪২ মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে। বন্দরে পাইকারপত্র কম থাকায় আমদানি করা এসব কাঁচা মরিচ নিজ চালানে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করছেন তারা। তারা আশা করছেন দুই চার দিনের ভেতরে কাঁচামরিচের দাম অনেকটাই কমে আসবে।
কাঁচামরিচ কিনতে আসা শফিকুল ইসলাম জানান, পাইকার পত্র কম থাকায় আমদানিকারকেরা এসব কাঁচা মরিচ বন্দরে বিক্রি না করে নিজ চালানে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সরবরাহ করছেন। আমদানি করা এসব কাঁচামরিচ বাজারে সরবরাহ হলে মরিচের দাম অনেকটা কমে আসবে।
পানামা হিলি পোর্ট জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন মল্লিক জানান, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। শনিবার ৫ ট্রাকে প্রায় ৪২ মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে। আমদানি করা এসব পণ্য ব্যবসায়ীরা যাতে দ্রুত খালাস করে নিয়ে যেতে পারে, এ জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষ বাড়তি ব্যবস্থা করে রেখেছে।

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
১০ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৮ ঘণ্টা আগে