খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

দিনাজপুরের খানসামায় ২২ বছর পলাতক থাকা ধর্ষণ মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি তসলিম উদ্দিনকে (৫২) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব এলিট ফোর্স।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে খানসামা থানা-পুলিশ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। গ্রেপ্তার তসলিম উদ্দিন উপজেলার ৬ নম্বর গোয়ালডিহি ইউনিয়নের দুবলিয়ার আমিজ উদ্দিনের ছেলে।
এর আগে গতকাল বুধবার নারায়ণগঞ্জের গাউসিয়া মার্কেটসংলগ্ন ফলপট্টি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, তসলিম উদ্দিন ২০০০ সালে খানসামার খামারপাড়া ইউনিয়নে ‘প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ’ নামের একটি এনজিওতে সুপারভাইজার হিসেবে চাকরি করতেন। তিনি খামারপাড়া ইউনিয়নের সাতটি বিদ্যালয়ের প্রায় ১৪ জন শিক্ষকের সুপারভাইজার ছিলেন। ওই ১৪ জনের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকাও ছিলেন।
একই কর্মসূচির আওতায় চাকরিরত থাকার সুবাদে তাঁদের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। তবে তসলিম বিবাহিত ও দুই সন্তানের জনক ছিল। এ কথা ভুক্তভোগী শিক্ষিকা জানতেন না। একপর্যায়ে তসলিম বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ করেন। ভুক্তভোগী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।
বিষয়টি তসলিমকে জানালে তিনি অস্বীকার করেন ও গর্ভের ভ্রূণ নষ্ট করার জন্য চাপ দেন। ভুক্তভোগী শিক্ষিকা সম্মত না হয়ে বিয়ের জন্য চাপ দেন। এমনকি তসলিমের পরিবারকে বিষয়টি জানান। এর প্রতিশোধ নিতে প্রতারণা করে ভুক্তভোগীকে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের কথা বলে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে গর্ভপাত করান। এ সময় তিনি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষিকার পরিবার ২০০২ সালে তসলিমের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে খানসামা থানায় মামলা দায়ের করেন। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৩ সালে দিনাজপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন। মামলার হওয়ার পর থেকেই গ্রেপ্তার তসলিম স্ত্রী-সন্তান নিয়ে নিজ এলাকা ত্যাগ করে ঢাকায় চলে যান। তিনি আত্মগোপনে চলে যান।
খানসামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাহারুল ইসলাম বলেন, ধর্ষণ মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি তসলিম ২২ বছর পলাতক ছিলেন। র্যাবের সহায়তায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে আজ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

দিনাজপুরের খানসামায় ২২ বছর পলাতক থাকা ধর্ষণ মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি তসলিম উদ্দিনকে (৫২) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব এলিট ফোর্স।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে খানসামা থানা-পুলিশ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। গ্রেপ্তার তসলিম উদ্দিন উপজেলার ৬ নম্বর গোয়ালডিহি ইউনিয়নের দুবলিয়ার আমিজ উদ্দিনের ছেলে।
এর আগে গতকাল বুধবার নারায়ণগঞ্জের গাউসিয়া মার্কেটসংলগ্ন ফলপট্টি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, তসলিম উদ্দিন ২০০০ সালে খানসামার খামারপাড়া ইউনিয়নে ‘প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ’ নামের একটি এনজিওতে সুপারভাইজার হিসেবে চাকরি করতেন। তিনি খামারপাড়া ইউনিয়নের সাতটি বিদ্যালয়ের প্রায় ১৪ জন শিক্ষকের সুপারভাইজার ছিলেন। ওই ১৪ জনের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকাও ছিলেন।
একই কর্মসূচির আওতায় চাকরিরত থাকার সুবাদে তাঁদের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। তবে তসলিম বিবাহিত ও দুই সন্তানের জনক ছিল। এ কথা ভুক্তভোগী শিক্ষিকা জানতেন না। একপর্যায়ে তসলিম বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ করেন। ভুক্তভোগী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।
বিষয়টি তসলিমকে জানালে তিনি অস্বীকার করেন ও গর্ভের ভ্রূণ নষ্ট করার জন্য চাপ দেন। ভুক্তভোগী শিক্ষিকা সম্মত না হয়ে বিয়ের জন্য চাপ দেন। এমনকি তসলিমের পরিবারকে বিষয়টি জানান। এর প্রতিশোধ নিতে প্রতারণা করে ভুক্তভোগীকে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের কথা বলে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে গর্ভপাত করান। এ সময় তিনি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষিকার পরিবার ২০০২ সালে তসলিমের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে খানসামা থানায় মামলা দায়ের করেন। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৩ সালে দিনাজপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন। মামলার হওয়ার পর থেকেই গ্রেপ্তার তসলিম স্ত্রী-সন্তান নিয়ে নিজ এলাকা ত্যাগ করে ঢাকায় চলে যান। তিনি আত্মগোপনে চলে যান।
খানসামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাহারুল ইসলাম বলেন, ধর্ষণ মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি তসলিম ২২ বছর পলাতক ছিলেন। র্যাবের সহায়তায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে আজ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৬ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে