দিনাজপুর প্রতিনিধি

পঞ্চগড় বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম স্টেশন থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া একতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। আজ শনিবার ভোর ৫টার দিকে জয়পুরহাটের তিলকপুর স্টেশনে পৌঁছালে এ ঘটনা ঘটে। এতে ওই ট্রেনের চারটি চাকা লাইনচ্যুত হয়। ফলে ঢাকার সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। সব ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় হওয়ায় যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন।
দিনাজপুর ও পার্বতীপুর রেলওয়ের স্টেশনমাস্টার অফিস সূত্রে জানা গেছে, একতা এক্সপ্রেসের লাইনচ্যুতের ঘটনায় ঢাকাগামী সব ট্রেন বিভিন্ন স্টেশনে আটকা পড়ে। এসব ট্রেনের মধ্যে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস, পঞ্চগড় এক্সপ্রেস, দ্রুতযান এক্সপ্রেস অন্যতম। এ ছাড়া ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ট্রেনগুলোও শিডিউল বিপর্যয়ে পড়েছে।
অন্যদিকে, খুলনা থেকে ছেড়ে আসা সীমান্ত এক্সপ্রেসসহ বিভিন্ন লোকাল ট্রেনের একই অবস্থা হয়। সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।
এদিকে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ভোর ৪টায়, পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ভোর ৫টা ৫০ মিনিটে, দ্রুতযান এক্সপ্রেস ভোর ৩টা ১৫ মিনিটে ও সীমান্ত এক্সপ্রেস ৪টা ৪৫ মিনিটে পার্বতীপুর রেলস্টেশনে পৌঁছানোর কথা থাকলেও বেলা সাড়ে ৩ টায়ও এসে পৌঁছায়নি।
এদিকে দুর্ঘটনার শিকার হওয়া ট্রেনটি দিনাজপুরে পৌঁছানোর আগেই অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই ছিল বলে জানা গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ছাদে যাত্রী না ওঠার ব্যাপারে তৎপর থাকলেও এত বেশি যাত্রী নিয়ে ট্রেনটি শুক্রবার রাতে দিনাজপুরে পৌঁছায় যে তা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল। শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে দিনাজপুর থেকে ঢাকাগামী পঞ্চগড় একপ্রেস ট্রেনের যাত্রীদের নির্ধারিত সময় বেলা ২টার পরিবর্তে রাত ৮টায় স্টেশনে আসার জন্য প্ল্যাটফর্মে অবস্থানরত যাত্রীদের মাইকিং করে জানানো হয়। ঈদের এক সপ্তাহ পরও রেলের এই শিডিউল বিপর্যয়ে দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারীসহ বেশ কয়েকটি জেলার যাত্রীরা চরম বিপাকে পড়েন।
দুর্ঘটনার শিকার হওয়া একতা এক্সপ্রেসের যাত্রী সাদমান সাকিবের বাবা দিনাজপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ওয়াহেদুল আলম আর্টিস্ট জানান, তাঁর ছেলে কয়েকজন সহপাঠীসহ ওই ট্রেনের যাত্রী ছিলেন। তিনি তাঁর ছেলেকে স্টেশনে তুলে দিতে যান। ট্রেনটি আগে থেকেই অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই ছিল। এমনকি ট্রেনের ছাদেও যাত্রী বোঝাই হয়ে ছিল। টিকিট থাকা সত্ত্বেও অনেকে ট্রেনে উঠতেই পারেননি বলে জানান তিনি।
দ্রুতযান এক্সপ্রেসের যাত্রী পারভীন আক্তার জানান, তিনি ঢাকায় একটি কোম্পানিতে কাজ করেন। রাতে তাঁর ডিউটি থাকলেও শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে এখন পর্যন্ত তিনি অর্ধেক রাস্তায়ও যেতে পারেননি।
কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রী আলভি শিকদার বলেন, ‘সকাল সাড়ে ৯টায় এ ট্রেন পার্বতীপুর ছেড়ে যায়। সেখানে আজ যাচ্ছে বেলা ৩টার পর। এমনিতেই টাইম ঠিক নেই। তার ওপর অতিরিক্ত যাত্রী। গরমের ভেতরে আমরা যাত্রীরা সেদ্ধ হয়ে যাচ্ছি।’
ট্রেনের শিডিউলের বিষয়ে জানতে চাইলে দিনাজপুরের স্টেশন সুপারিনটেনডেন্ট এ বি এম জিয়াউর রহমান বলেন, প্রায় সব কটি ট্রেনই নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দেরিতে চলাচল করছে। ঢাকা থেকে পঞ্চগড়গামী দ্রুতযান এক্সপ্রেস ট্রেনটি এখনো ফেরেনি। এটি ফিরলে তবে পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।

পঞ্চগড় বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম স্টেশন থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া একতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। আজ শনিবার ভোর ৫টার দিকে জয়পুরহাটের তিলকপুর স্টেশনে পৌঁছালে এ ঘটনা ঘটে। এতে ওই ট্রেনের চারটি চাকা লাইনচ্যুত হয়। ফলে ঢাকার সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। সব ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় হওয়ায় যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন।
দিনাজপুর ও পার্বতীপুর রেলওয়ের স্টেশনমাস্টার অফিস সূত্রে জানা গেছে, একতা এক্সপ্রেসের লাইনচ্যুতের ঘটনায় ঢাকাগামী সব ট্রেন বিভিন্ন স্টেশনে আটকা পড়ে। এসব ট্রেনের মধ্যে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস, পঞ্চগড় এক্সপ্রেস, দ্রুতযান এক্সপ্রেস অন্যতম। এ ছাড়া ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ট্রেনগুলোও শিডিউল বিপর্যয়ে পড়েছে।
অন্যদিকে, খুলনা থেকে ছেড়ে আসা সীমান্ত এক্সপ্রেসসহ বিভিন্ন লোকাল ট্রেনের একই অবস্থা হয়। সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।
এদিকে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ভোর ৪টায়, পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ভোর ৫টা ৫০ মিনিটে, দ্রুতযান এক্সপ্রেস ভোর ৩টা ১৫ মিনিটে ও সীমান্ত এক্সপ্রেস ৪টা ৪৫ মিনিটে পার্বতীপুর রেলস্টেশনে পৌঁছানোর কথা থাকলেও বেলা সাড়ে ৩ টায়ও এসে পৌঁছায়নি।
এদিকে দুর্ঘটনার শিকার হওয়া ট্রেনটি দিনাজপুরে পৌঁছানোর আগেই অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই ছিল বলে জানা গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ছাদে যাত্রী না ওঠার ব্যাপারে তৎপর থাকলেও এত বেশি যাত্রী নিয়ে ট্রেনটি শুক্রবার রাতে দিনাজপুরে পৌঁছায় যে তা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল। শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে দিনাজপুর থেকে ঢাকাগামী পঞ্চগড় একপ্রেস ট্রেনের যাত্রীদের নির্ধারিত সময় বেলা ২টার পরিবর্তে রাত ৮টায় স্টেশনে আসার জন্য প্ল্যাটফর্মে অবস্থানরত যাত্রীদের মাইকিং করে জানানো হয়। ঈদের এক সপ্তাহ পরও রেলের এই শিডিউল বিপর্যয়ে দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারীসহ বেশ কয়েকটি জেলার যাত্রীরা চরম বিপাকে পড়েন।
দুর্ঘটনার শিকার হওয়া একতা এক্সপ্রেসের যাত্রী সাদমান সাকিবের বাবা দিনাজপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ওয়াহেদুল আলম আর্টিস্ট জানান, তাঁর ছেলে কয়েকজন সহপাঠীসহ ওই ট্রেনের যাত্রী ছিলেন। তিনি তাঁর ছেলেকে স্টেশনে তুলে দিতে যান। ট্রেনটি আগে থেকেই অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই ছিল। এমনকি ট্রেনের ছাদেও যাত্রী বোঝাই হয়ে ছিল। টিকিট থাকা সত্ত্বেও অনেকে ট্রেনে উঠতেই পারেননি বলে জানান তিনি।
দ্রুতযান এক্সপ্রেসের যাত্রী পারভীন আক্তার জানান, তিনি ঢাকায় একটি কোম্পানিতে কাজ করেন। রাতে তাঁর ডিউটি থাকলেও শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে এখন পর্যন্ত তিনি অর্ধেক রাস্তায়ও যেতে পারেননি।
কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রী আলভি শিকদার বলেন, ‘সকাল সাড়ে ৯টায় এ ট্রেন পার্বতীপুর ছেড়ে যায়। সেখানে আজ যাচ্ছে বেলা ৩টার পর। এমনিতেই টাইম ঠিক নেই। তার ওপর অতিরিক্ত যাত্রী। গরমের ভেতরে আমরা যাত্রীরা সেদ্ধ হয়ে যাচ্ছি।’
ট্রেনের শিডিউলের বিষয়ে জানতে চাইলে দিনাজপুরের স্টেশন সুপারিনটেনডেন্ট এ বি এম জিয়াউর রহমান বলেন, প্রায় সব কটি ট্রেনই নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দেরিতে চলাচল করছে। ঢাকা থেকে পঞ্চগড়গামী দ্রুতযান এক্সপ্রেস ট্রেনটি এখনো ফেরেনি। এটি ফিরলে তবে পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।

উল্লাসরত নেতা-কর্মীরা বলেন, কমিটি বিলুপ্তির এই সিদ্ধান্ত তাঁদের জন্য নতুন করে কাজ করার সুযোগ তৈরি করেছে। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে দলীয় সাংগঠনিক সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁরা প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাতে পারেননি।
১৫ মিনিট আগে
ধুনট উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আব্দুল করিম জানান, শনিবার বিকেলে এলেঙ্গী বাজারে জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীরা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন।
২৪ মিনিট আগে
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে একটি ড্রামের ভেতর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। যার আনুমানিক বয়স ৩০ থেকে ৩২ বছর বলে ধারণা করো হচ্ছে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা-পুলিশ গোদনাইল নয়াপাড়া এলাকার হৃদয়মনি স্কুল-সংলগ্ন জালকুড়ি সড়কের খালপাড় থেকে লাশটি উদ্ধার করে।
৩০ মিনিট আগে
ভুক্তভোগী সোহান বলেন, ‘তিন বছরের ভিসায় কিরগিজস্তানে মাসিক ৫০ হাজার টাকা বেতনে টেক্সটাইল কারখানায় চাকরির কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু আমাকে দেওয়া হয় মাত্র দুই মাসের ভিসা। বিদেশে পৌঁছানোর পর কাগজপত্র নিয়ে আমাকে একটি ঘরে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। বাধ্য হয়ে আরও টাকা দিলে রাস্তায় ছেড়ে দেয়। পরে দেশে ফিরে আসি।’
১ ঘণ্টা আগে