দিনাজপুর প্রতিনিধি

প্রায় তিন মাস পর পরীক্ষামূলক উত্তোলন শুরুর তিন দিনের মাথায় করোনার সংক্রমণে ফের উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি কর্তৃপক্ষ। খনিতে কর্মরত চীনা ও বাংলাদেশি ৫২ জন শ্রমিক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় ব্যাপকভাবে সংক্রমণ ঠেকাতে খনি কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নেয় বলে জানা গেছে।
কয়লাখনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে জানান, শনিবার সকাল থেকে পরীক্ষামূলক কয়লা উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। করোনা আক্রান্তদের মধ্যে অধিকাংশই চীনা শ্রমিক, তবে দুজন দেশি শ্রমিকও রয়েছেন।
এর আগে ২৭ জুলাই সকাল থেকে পরীক্ষামূলকভাবে কয়লা উত্তোলন শুরু করা হয়। পরীক্ষামূলক উত্তোলনের এক সপ্তাহের মধ্যেই পূর্ণাঙ্গ উত্তোলনের প্রস্তুতি নিতে কাজ করছিলেন শ্রমিকেরা। এর মধ্যেই করোনায় আবারও উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হলো খনি কর্তৃপক্ষ।
খনি সূত্রে জানা গেছে, ২৭ জুলাই বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির নতুন কূপে কয়লা উত্তোলন কার্যক্রম শুরু করে কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে ২৬ জুলাই ১৪৩ জন চীনা শ্রমিকের নমুনা পরীক্ষা করা হলে ১৬ জনের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। ২৮ জুলাই ৩০৫ জন শ্রমিকের করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে চীনা শ্রমিক ২৯২ জনের মধ্যে ৩৪ জনের করোনা পজিটিভ ও ১৩ জন বাংলাদেশি শ্রমিকের করোনা পরীক্ষা করা হলে দুজনের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। শনিবার আরও ২৫৩ জন চীনা শ্রমিকের নমুনা পরীক্ষা করা হবে।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুল ইসলাম আরও বলেন, ‘যারা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং যারা সংক্রমিতদের সঙ্গে ছিলেন, তাদের খনির বাইরে পাঠিয়ে দিয়ে যারা খনির বাইরে আছেন, তাদের করোনা পরীক্ষা করে নতুন করে খনিতে প্রবেশ করানো হবে। আর যেসব বাংলাদেশি শ্রমিক বিভিন্ন ওয়ার্কশপে ছোট গ্রুপে অবস্থান করছে কিন্তু কারও সংস্পর্শে যায়নি, এমন ১০০ জন শ্রমিক খনিতে যারা করোনা আক্রান্ত হননি এবং কোয়ারেন্টিনে আছে আরও ৯১ জন তাদের রেখে প্রাথমিক কাজগুলো চালু রাখা হবে। আমরা আশা করছি পরিস্থিতি সামাল দিয়ে আগামী সাত থেকে দশ দিনের মধ্যে আবারও উৎপাদন শুরু করা হবে।’
উল্লেখ্য, ২৭ জুলাই সকাল সাড়ে ৯টায় খনির নতুন ফেজ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে কয়লা উত্তোলন শুরু করে কর্তৃপক্ষ। এর আগে গত ৩০ এপ্রিল ১৩১০ নম্বর ফেজ থেকে মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় প্রায় তিন মাস পর ১৩০৬ নম্বর ফেজ থেকে কয়লা উত্তোলন প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।

প্রায় তিন মাস পর পরীক্ষামূলক উত্তোলন শুরুর তিন দিনের মাথায় করোনার সংক্রমণে ফের উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি কর্তৃপক্ষ। খনিতে কর্মরত চীনা ও বাংলাদেশি ৫২ জন শ্রমিক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় ব্যাপকভাবে সংক্রমণ ঠেকাতে খনি কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নেয় বলে জানা গেছে।
কয়লাখনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে জানান, শনিবার সকাল থেকে পরীক্ষামূলক কয়লা উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। করোনা আক্রান্তদের মধ্যে অধিকাংশই চীনা শ্রমিক, তবে দুজন দেশি শ্রমিকও রয়েছেন।
এর আগে ২৭ জুলাই সকাল থেকে পরীক্ষামূলকভাবে কয়লা উত্তোলন শুরু করা হয়। পরীক্ষামূলক উত্তোলনের এক সপ্তাহের মধ্যেই পূর্ণাঙ্গ উত্তোলনের প্রস্তুতি নিতে কাজ করছিলেন শ্রমিকেরা। এর মধ্যেই করোনায় আবারও উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হলো খনি কর্তৃপক্ষ।
খনি সূত্রে জানা গেছে, ২৭ জুলাই বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির নতুন কূপে কয়লা উত্তোলন কার্যক্রম শুরু করে কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে ২৬ জুলাই ১৪৩ জন চীনা শ্রমিকের নমুনা পরীক্ষা করা হলে ১৬ জনের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। ২৮ জুলাই ৩০৫ জন শ্রমিকের করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে চীনা শ্রমিক ২৯২ জনের মধ্যে ৩৪ জনের করোনা পজিটিভ ও ১৩ জন বাংলাদেশি শ্রমিকের করোনা পরীক্ষা করা হলে দুজনের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। শনিবার আরও ২৫৩ জন চীনা শ্রমিকের নমুনা পরীক্ষা করা হবে।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুল ইসলাম আরও বলেন, ‘যারা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং যারা সংক্রমিতদের সঙ্গে ছিলেন, তাদের খনির বাইরে পাঠিয়ে দিয়ে যারা খনির বাইরে আছেন, তাদের করোনা পরীক্ষা করে নতুন করে খনিতে প্রবেশ করানো হবে। আর যেসব বাংলাদেশি শ্রমিক বিভিন্ন ওয়ার্কশপে ছোট গ্রুপে অবস্থান করছে কিন্তু কারও সংস্পর্শে যায়নি, এমন ১০০ জন শ্রমিক খনিতে যারা করোনা আক্রান্ত হননি এবং কোয়ারেন্টিনে আছে আরও ৯১ জন তাদের রেখে প্রাথমিক কাজগুলো চালু রাখা হবে। আমরা আশা করছি পরিস্থিতি সামাল দিয়ে আগামী সাত থেকে দশ দিনের মধ্যে আবারও উৎপাদন শুরু করা হবে।’
উল্লেখ্য, ২৭ জুলাই সকাল সাড়ে ৯টায় খনির নতুন ফেজ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে কয়লা উত্তোলন শুরু করে কর্তৃপক্ষ। এর আগে গত ৩০ এপ্রিল ১৩১০ নম্বর ফেজ থেকে মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় প্রায় তিন মাস পর ১৩০৬ নম্বর ফেজ থেকে কয়লা উত্তোলন প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।

পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২০ মিনিট আগে
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রতিবছর সুন্দরবনে অনেক বন্য প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্য প্রাণীদের নিরাপদে রাখতে বানানো হয়েছে সাতটি টাইগার টিলা (উঁচু কিল্লা)। বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসব বানানো হয়েছে। এ ছাড়া টিলার পাশে বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানি সরবরাহে খনন করা হয়েছে মিষ্টি পানির পুকুর।
২৪ মিনিট আগে
দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলাবস্থা কাটিয়ে ২০ জানুয়ারিতে হতে যাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে যেন শঙ্কা কাটছে না। নির্বাচনে দুবার তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থগিত করা শেষে এখন ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
২৬ মিনিট আগে
সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় গত বছর থেকে সরকার পর্যটক নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়। পর্যটক সীমিত করার পাশাপাশি দ্বীপে নিষিদ্ধ পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পণ্য বহন রোধ করাসহ ভ্রমণে ১২টি নির্দেশনা বা শর্ত আরোপ করে।
২৯ মিনিট আগে