উত্তরা (ঢাকা) প্রতিনিধি

রাজধানীর উত্তরায় পূর্বঘোষণা ছাড়া আজমপুরের আমির কমপ্লেক্সের পেছনের সড়কে আওয়ামী লীগ ‘শান্তি সমাবেশ’ করেছে। সমাবেশ থেকে দরিদ্র মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হলেও ‘টোকেন’ নিয়ে এসে অনেকেই কম্বল না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে গেছেন। এ ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেছেন উত্তরা পশ্চিম থানা আওয়ামী লীগের মহিলা নেত্রী শিমু নুর।
সরেজমিন দেখা যায়, সমাবেশ শেষে শীতবস্ত্র নিতে আসা দরিদ্র মানুষেরা একটি কম্বলের জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়েন। আগে থেকে বাছাই করে টোকেনের মাধ্যমে কম্বল বিতরণ করলেও এমন অনেকেই কম্বল পাননি বলে আক্ষেপ করেন। আবার কাউকে একসঙ্গে একাধিক কম্বল দিতে দেখা যায়। কম্বল নিয়ে টানাহেঁচড়া করতেও দেখা যায় অনেককে।
পথচারীদের অভিযোগ, হঠাৎ এই সড়কে মঞ্চ করে সমাবেশ করা হয়। ফলে পথচারীরা রাস্তা বন্ধ থাকার বিষয়টি জানতে পারেনি। তাই যারা এই সড়কে এসেছে, তারা আবার ঘুরে অন্য সড়ক দিয়ে গন্তব্যে গিয়েছে। আমির কমপ্লেক্সের পেছনের আজমপুর থেকে রাজলক্ষ্মী যাওয়ার সড়কের মাঝে মঞ্চ তৈরি করায় দুই পাশ বন্ধ হয়ে যায়। চারপাশের দোকানপাটগুলোকে বন্ধ দেখা যায়।
সমাবেশে যোগ দিতে বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা দলে দলে মিছিল নিয়ে আসেন। ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য হাবিব হাসানের আয়োজনে সভায় দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, উপপ্রচার সম্পাদক সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম, আওয়ামী লীগের সদস্য সানজিদা খানম উপস্থিত ছিলেন।
তুরাগের বটতলা থেকে আগত শতবর্ষী মোছা. মোমেনা খাতুন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাবা আমি ঘুরেফিরে খাই। শীতের রাইতে ঘুমাইতে পারি না। কম্বল দিতাছে বলে ঘুরতে ঘুরতে এখানে আইছি। কিন্তু কম্বল পাই নাই।’ তাঁর সঙ্গে থাকা পাঁচ-ছয়জন নারীও একই কথা বলেন।
তাঁদের মধ্যে একজন টোকেন দেখিয়ে বলেন, ‘স্লিপ পেয়েছি ঠিকই। কিন্তু কম্বল পাইনি। নেতাদের পরিচিত অনেকেই স্লিপ ছাড়াও কম্বল নিয়ে গেছে।’
তুরাগের প্রত্যাশা থেকে আগত শিশু রাসেল বলেন, ‘কম্বলের স্লিপ পেয়েছি। কিন্তু এসে দেখি কম্বল নাই। অনেক কষ্ট করে আইছিলাম, কিন্তু ভাগ্যে কম্বল জুটল না।’
কম্বল নিতে আসা পঙ্গু ভুট্টু বলেন, ‘আমি স্লিপ পাইছিলাম। ওই স্লিপ কম্বলের জন্য দিলে চশমা পড়া ম্যাডাম (শিমু) ছিঁড়া ফালাইয়্যা দিয়েছে। পরে আর কম্বল দেয়নি।’
এদিকে মঞ্চের পাশেই কয়েকজন নারীর একেকজনের কাছে বেশ কয়েকটি করে কম্বল নিয়ে বসে থাকতে দেখা যায়। তাঁরা একেকজন একাধিক কম্বল পেয়েছেন কীভাবে জানতে চাইলে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।
তাঁদের পাশেই বসে থাকা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ব্যবসায়ী বলেন, ‘যারা কম্বল দিচ্ছে, তাঁদের ওয়ার্ডের লোকজনকে ১০টা করে কম্বল দিলেও সমস্যা নেই। অন্যরা না পাইলেও কিছু নাই।’
সমাবেশস্থলের পাশের একটি বাড়ির গৃহপরিচারিকা কুলসুম। তিনি বলেন, ‘আমি বাসাবাড়িতে কাজ করি। এখানে কম্বল দেয় শুনে এসেছিলাম। আগে স্লিপ দিয়ে পরে কম্বল দিচ্ছে, সেটা আমি জানতামই না।’
অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উত্তরা পশ্চিম থানা আওয়ামী লীগের মহিলা নেত্রী শিমু নুর আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আসলে আমি বুঝতে পারিনি। তাই দুঃখিত।’
এই পথ দিয়ে মোটরসাইকেল নিয়ে যেতে এসে ঘুরে যাওয়া শাহরিয়ার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টর থেকে ব্যবসায়িক কাজে এসেছিলাম। আরেকবার রাস্তার অপর মাথা থেকেও ঘুরে গিয়েছি। আসলে কী কারণে রাস্তা বন্ধ রয়েছে, তা এখনো জানি না।’
এসিআই লিমিটেডে কর্মরত মেহেদী হাসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রাজলক্ষ্মী মোড় হয়ে মেইন রোডে যাওয়ার জন্য এসেছিলাম। এসে দেখি এখানে রাস্তা বন্ধ করে সমাবেশ হচ্ছে।’
রিকশায় এসে ঘুরে যাওয়া প্রবাসী রুবি বলেন, ‘আমি উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরে যাচ্ছিলাম। কিন্তু রাস্তা বন্ধ, সেটা জানতাম না। এখন ঘুরে অন্য রাস্তায় যাচ্ছি।’ উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরে বসবাসকারী ব্যবসায়ী তমাল বলেন, ‘হঠাৎ করে এই পথে এসে দেখি রাস্তা বন্ধ করা। যেতে দিচ্ছে না।’
সমাবেশের অনুমতি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ডিএমপির ট্রাফিক পুলিশের উত্তরা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) নাবিদ কামাল শৈবাল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সমাবেশের অনুমতি নিতে হলে পুলিশ কমিশনারের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হয়। আর তা ক্রাইম বিভাগের সংশ্লিষ্ট ডিসিকে জানিয়ে দেওয়া হয়। তাই এ বিষয়ে আমি অবগত নই।’
অপর দিকে উত্তরা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি-ক্রাইম) মো. মোর্শেদ আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সমাবেশটি মহাসড়কে হয়নি, ভেতরের সড়কে হয়েছে। সেখানে কোনো ঝামেলা হয়নি। আর সমাবেশ হলে সামান্য কিছু দুর্ভোগ তো হবেই। তবে অনুমতির বিষয়ে জানা নেই।’
এসব অভিযোগের বিষয়ে ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য হাবিব হাসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মহিলা নেত্রী শিমুর বিষয়টি আমার মাথায় রয়েছে। আমি বিষয়টি দেখব। আর যারা কম্বল পায়নি, তারা আসলে আমি তাদের কম্বল দিয়ে দেব। আমার কাছে অনেক কম্বল রয়েছে। তাদের বলেন স্লিপ নিয়ে আমার কাছে আসতে।’

রাজধানীর উত্তরায় পূর্বঘোষণা ছাড়া আজমপুরের আমির কমপ্লেক্সের পেছনের সড়কে আওয়ামী লীগ ‘শান্তি সমাবেশ’ করেছে। সমাবেশ থেকে দরিদ্র মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হলেও ‘টোকেন’ নিয়ে এসে অনেকেই কম্বল না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে গেছেন। এ ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেছেন উত্তরা পশ্চিম থানা আওয়ামী লীগের মহিলা নেত্রী শিমু নুর।
সরেজমিন দেখা যায়, সমাবেশ শেষে শীতবস্ত্র নিতে আসা দরিদ্র মানুষেরা একটি কম্বলের জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়েন। আগে থেকে বাছাই করে টোকেনের মাধ্যমে কম্বল বিতরণ করলেও এমন অনেকেই কম্বল পাননি বলে আক্ষেপ করেন। আবার কাউকে একসঙ্গে একাধিক কম্বল দিতে দেখা যায়। কম্বল নিয়ে টানাহেঁচড়া করতেও দেখা যায় অনেককে।
পথচারীদের অভিযোগ, হঠাৎ এই সড়কে মঞ্চ করে সমাবেশ করা হয়। ফলে পথচারীরা রাস্তা বন্ধ থাকার বিষয়টি জানতে পারেনি। তাই যারা এই সড়কে এসেছে, তারা আবার ঘুরে অন্য সড়ক দিয়ে গন্তব্যে গিয়েছে। আমির কমপ্লেক্সের পেছনের আজমপুর থেকে রাজলক্ষ্মী যাওয়ার সড়কের মাঝে মঞ্চ তৈরি করায় দুই পাশ বন্ধ হয়ে যায়। চারপাশের দোকানপাটগুলোকে বন্ধ দেখা যায়।
সমাবেশে যোগ দিতে বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা দলে দলে মিছিল নিয়ে আসেন। ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য হাবিব হাসানের আয়োজনে সভায় দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, উপপ্রচার সম্পাদক সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম, আওয়ামী লীগের সদস্য সানজিদা খানম উপস্থিত ছিলেন।
তুরাগের বটতলা থেকে আগত শতবর্ষী মোছা. মোমেনা খাতুন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাবা আমি ঘুরেফিরে খাই। শীতের রাইতে ঘুমাইতে পারি না। কম্বল দিতাছে বলে ঘুরতে ঘুরতে এখানে আইছি। কিন্তু কম্বল পাই নাই।’ তাঁর সঙ্গে থাকা পাঁচ-ছয়জন নারীও একই কথা বলেন।
তাঁদের মধ্যে একজন টোকেন দেখিয়ে বলেন, ‘স্লিপ পেয়েছি ঠিকই। কিন্তু কম্বল পাইনি। নেতাদের পরিচিত অনেকেই স্লিপ ছাড়াও কম্বল নিয়ে গেছে।’
তুরাগের প্রত্যাশা থেকে আগত শিশু রাসেল বলেন, ‘কম্বলের স্লিপ পেয়েছি। কিন্তু এসে দেখি কম্বল নাই। অনেক কষ্ট করে আইছিলাম, কিন্তু ভাগ্যে কম্বল জুটল না।’
কম্বল নিতে আসা পঙ্গু ভুট্টু বলেন, ‘আমি স্লিপ পাইছিলাম। ওই স্লিপ কম্বলের জন্য দিলে চশমা পড়া ম্যাডাম (শিমু) ছিঁড়া ফালাইয়্যা দিয়েছে। পরে আর কম্বল দেয়নি।’
এদিকে মঞ্চের পাশেই কয়েকজন নারীর একেকজনের কাছে বেশ কয়েকটি করে কম্বল নিয়ে বসে থাকতে দেখা যায়। তাঁরা একেকজন একাধিক কম্বল পেয়েছেন কীভাবে জানতে চাইলে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।
তাঁদের পাশেই বসে থাকা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ব্যবসায়ী বলেন, ‘যারা কম্বল দিচ্ছে, তাঁদের ওয়ার্ডের লোকজনকে ১০টা করে কম্বল দিলেও সমস্যা নেই। অন্যরা না পাইলেও কিছু নাই।’
সমাবেশস্থলের পাশের একটি বাড়ির গৃহপরিচারিকা কুলসুম। তিনি বলেন, ‘আমি বাসাবাড়িতে কাজ করি। এখানে কম্বল দেয় শুনে এসেছিলাম। আগে স্লিপ দিয়ে পরে কম্বল দিচ্ছে, সেটা আমি জানতামই না।’
অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উত্তরা পশ্চিম থানা আওয়ামী লীগের মহিলা নেত্রী শিমু নুর আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আসলে আমি বুঝতে পারিনি। তাই দুঃখিত।’
এই পথ দিয়ে মোটরসাইকেল নিয়ে যেতে এসে ঘুরে যাওয়া শাহরিয়ার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টর থেকে ব্যবসায়িক কাজে এসেছিলাম। আরেকবার রাস্তার অপর মাথা থেকেও ঘুরে গিয়েছি। আসলে কী কারণে রাস্তা বন্ধ রয়েছে, তা এখনো জানি না।’
এসিআই লিমিটেডে কর্মরত মেহেদী হাসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রাজলক্ষ্মী মোড় হয়ে মেইন রোডে যাওয়ার জন্য এসেছিলাম। এসে দেখি এখানে রাস্তা বন্ধ করে সমাবেশ হচ্ছে।’
রিকশায় এসে ঘুরে যাওয়া প্রবাসী রুবি বলেন, ‘আমি উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরে যাচ্ছিলাম। কিন্তু রাস্তা বন্ধ, সেটা জানতাম না। এখন ঘুরে অন্য রাস্তায় যাচ্ছি।’ উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরে বসবাসকারী ব্যবসায়ী তমাল বলেন, ‘হঠাৎ করে এই পথে এসে দেখি রাস্তা বন্ধ করা। যেতে দিচ্ছে না।’
সমাবেশের অনুমতি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ডিএমপির ট্রাফিক পুলিশের উত্তরা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) নাবিদ কামাল শৈবাল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সমাবেশের অনুমতি নিতে হলে পুলিশ কমিশনারের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হয়। আর তা ক্রাইম বিভাগের সংশ্লিষ্ট ডিসিকে জানিয়ে দেওয়া হয়। তাই এ বিষয়ে আমি অবগত নই।’
অপর দিকে উত্তরা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি-ক্রাইম) মো. মোর্শেদ আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সমাবেশটি মহাসড়কে হয়নি, ভেতরের সড়কে হয়েছে। সেখানে কোনো ঝামেলা হয়নি। আর সমাবেশ হলে সামান্য কিছু দুর্ভোগ তো হবেই। তবে অনুমতির বিষয়ে জানা নেই।’
এসব অভিযোগের বিষয়ে ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য হাবিব হাসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মহিলা নেত্রী শিমুর বিষয়টি আমার মাথায় রয়েছে। আমি বিষয়টি দেখব। আর যারা কম্বল পায়নি, তারা আসলে আমি তাদের কম্বল দিয়ে দেব। আমার কাছে অনেক কম্বল রয়েছে। তাদের বলেন স্লিপ নিয়ে আমার কাছে আসতে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৬ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৬ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৬ ঘণ্টা আগে