নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ২৮ নং উরফি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোজ কান্তি বিশ্বাসকে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির লোকজন ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার কর্তৃক মারধরের ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি। আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি মনোজ কান্তি বিশ্বাসের সাময়িক বরখাস্ত স্থগিতসহ শিক্ষকদের নানান জটিলতা নিরসনের দাবি জানান।
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. আতিকুর রহমান বলেন, বিদ্যালয়ের উন্নয়নকাজের ভাগ না দেওয়ায় প্রধান শিক্ষক মনোজ কান্তি বিশ্বাসকে ৩ ও ৫ অক্টোবর দুই দফায় লাথি, ঘুষি মেরে অমানুষিক নির্যাতন করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শিক্ষক দিবসে উপজেলা শিক্ষা অফিসার গৌতম চন্দ্র রায় জাতির বিবেক শিক্ষকের গায়ে লাথি দিয়ে সব শিক্ষককে অপমান করেছেন। মারধর করেই তাঁরা ক্ষান্ত হননি, তড়িঘড়ি করে মনোজ কান্তি বিশ্বাসকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে মিথ্যা প্রতিবেদন তৈরি করে সাময়িক বরখাস্ত করেছেন।
৩ অক্টোবর মনোজ কান্তি দাসের সন্তানের জন্ম হওয়ায় সেদিন বিদ্যালয় ছুটির আগেই স্ত্রী ও সন্তানকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান জানিয়ে আতিকুর রহমান বলেন, 'স্কুল ছুটির পর ৪টা ১২ মিনিটে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার গৌতম চন্দ্র রায় বিদ্যালয়ে আসেন। এসে তিনি মনোজ কান্তি বিশ্বাসকে ফোন করে ডেকে আনেন। মনোজ কান্তি বিশ্বাস বিদ্যালয়ে আসামাত্রই গৌতম চন্দ্র রায় তাঁকে লাথি, কিল, ঘুষি মারতে থাকেন।'
বক্তারা জানান, ৩ অক্টোবরের পর ৫ অক্টোবর শিক্ষক দিবসে আবারও তাকে বেধড়ক মারধর করেছেন বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির লোকজন। শিক্ষক দিবসে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের ওপর এমন হামলা ন্যক্কারজনক, হৃদয়বিদারক এবং চরম অমানবিক।
সংবাদ সম্মেলন থেকে বক্তারা গোপালগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে প্রত্যাহারসহ দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান, প্রধান শিক্ষক মনোজ কান্তি বিশ্বাসের সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার, প্রাথমিকের ক্যাডার সার্ভিস সৃষ্টি করে সহকারী ও প্রধান শিক্ষকদের এন্ট্রি পদ ধরে শতভাগ পরিচালক পর্যন্ত পদোন্নতি চালু, প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড ও সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড প্রদান, প্রধান শিক্ষকদের টাইম স্কেলের জটিলতা নিরসন, চলতি দায়িত্বে কর্মরত প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতি স্থায়ীকরণ, প্রাথমিক শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতার জটিলতা নিরসনের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলন থেকে ১৭ নভেম্বর সব উপজেলা চত্বরে বিক্ষোভ জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান এবং ১ ডিসেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচির ঘোষণা দেন বক্তারা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমান, সহসভাপতি আছমা খানম, বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা গবেষণা পরিষদের সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান, প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. মিজানুর রহমান প্রমুখ।

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ২৮ নং উরফি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোজ কান্তি বিশ্বাসকে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির লোকজন ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার কর্তৃক মারধরের ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি। আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি মনোজ কান্তি বিশ্বাসের সাময়িক বরখাস্ত স্থগিতসহ শিক্ষকদের নানান জটিলতা নিরসনের দাবি জানান।
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. আতিকুর রহমান বলেন, বিদ্যালয়ের উন্নয়নকাজের ভাগ না দেওয়ায় প্রধান শিক্ষক মনোজ কান্তি বিশ্বাসকে ৩ ও ৫ অক্টোবর দুই দফায় লাথি, ঘুষি মেরে অমানুষিক নির্যাতন করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শিক্ষক দিবসে উপজেলা শিক্ষা অফিসার গৌতম চন্দ্র রায় জাতির বিবেক শিক্ষকের গায়ে লাথি দিয়ে সব শিক্ষককে অপমান করেছেন। মারধর করেই তাঁরা ক্ষান্ত হননি, তড়িঘড়ি করে মনোজ কান্তি বিশ্বাসকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে মিথ্যা প্রতিবেদন তৈরি করে সাময়িক বরখাস্ত করেছেন।
৩ অক্টোবর মনোজ কান্তি দাসের সন্তানের জন্ম হওয়ায় সেদিন বিদ্যালয় ছুটির আগেই স্ত্রী ও সন্তানকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান জানিয়ে আতিকুর রহমান বলেন, 'স্কুল ছুটির পর ৪টা ১২ মিনিটে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার গৌতম চন্দ্র রায় বিদ্যালয়ে আসেন। এসে তিনি মনোজ কান্তি বিশ্বাসকে ফোন করে ডেকে আনেন। মনোজ কান্তি বিশ্বাস বিদ্যালয়ে আসামাত্রই গৌতম চন্দ্র রায় তাঁকে লাথি, কিল, ঘুষি মারতে থাকেন।'
বক্তারা জানান, ৩ অক্টোবরের পর ৫ অক্টোবর শিক্ষক দিবসে আবারও তাকে বেধড়ক মারধর করেছেন বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির লোকজন। শিক্ষক দিবসে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের ওপর এমন হামলা ন্যক্কারজনক, হৃদয়বিদারক এবং চরম অমানবিক।
সংবাদ সম্মেলন থেকে বক্তারা গোপালগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে প্রত্যাহারসহ দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান, প্রধান শিক্ষক মনোজ কান্তি বিশ্বাসের সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার, প্রাথমিকের ক্যাডার সার্ভিস সৃষ্টি করে সহকারী ও প্রধান শিক্ষকদের এন্ট্রি পদ ধরে শতভাগ পরিচালক পর্যন্ত পদোন্নতি চালু, প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড ও সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড প্রদান, প্রধান শিক্ষকদের টাইম স্কেলের জটিলতা নিরসন, চলতি দায়িত্বে কর্মরত প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতি স্থায়ীকরণ, প্রাথমিক শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতার জটিলতা নিরসনের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলন থেকে ১৭ নভেম্বর সব উপজেলা চত্বরে বিক্ষোভ জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান এবং ১ ডিসেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচির ঘোষণা দেন বক্তারা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমান, সহসভাপতি আছমা খানম, বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা গবেষণা পরিষদের সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান, প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. মিজানুর রহমান প্রমুখ।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে