কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে পেটে লাথি দিয়ে হত্যা মামলায় অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। বিগত তিন মাস ধরে বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন তিনি।
গতকাল শনিবার গভীর রাতে নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার সাতাশি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ রোববার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কিশোরগঞ্জ র্যাব-১৪, সিপিসি-২ ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লিডার মো. আশরাফুল কবির।
গ্রেপ্তার আসামির নাম মো. সোহেল মিয়া (৩২)। তিনি নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার চণ্ডীগড় এলাকার মো. হাছেন আলীর ছেলে।
র্যাব অধিনায়ক আশরাফুল কবির জানান, নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার আতকাপাড়া গ্রামের মো. আলাল উদ্দিন চট্টগ্রাম শহরে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। তাঁর মেয়ে সুফিয়া খাতুন (২৭) এবং আট ও ছয় বছর বয়সী দুই নাতি-নাতনিও (সুফিয়া খাতুনের সন্তান) আলাল উদ্দিনের সঙ্গে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার চন্দ্রপুর এলাকার একটি বাসায় থাকতেন। এ সময় সুফিয়ার সঙ্গে পরিচয় গ্রেপ্তার সোহেল মিয়ার। সোহেলও চট্টগ্রামে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। একই জেলার বাসিন্দা হওয়ার সুবাদে সোহেলের সঙ্গে সখ্য গড়ে ওঠে আলাল উদ্দিনের। আলাল উদ্দিনের বাসায় আসা-যাওয়ার সুযোগে দুই সন্তানের মা সুফিয়া খাতুনের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
তিনি আরও জানান, এদিকে রাজমিস্ত্রির কাজ না থাকায় আলাল উদ্দিন তাঁর মেয়ে এবং মেয়ের দুই সন্তানকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে চলে যান। তখনো মো. সোহেল মিয়া প্রায়শই আলাল উদ্দিনের গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে চলে যেতেন। একপর্যায়ে সোহেল মিয়া সুফিয়া খাতুনকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাঁর স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটান। এদিকে বিভিন্ন সময়ে ধর্ষণের ফলে সুফিয়া অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তিনি বিয়ের জন্য সোহেল মিয়াকে চাপ দেন।
পরে সোহেল মিয়া সুফিয়া খাতুনকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান এবং গর্ভের সন্তান নষ্ট করতে চাপ দেন। কিন্তু সুফিয়া খাতুন এতে রাজি হননি। এ কারণে সোহেল মিয়া গত ১৪ আগস্ট বিকেলে সুফিয়ার বাড়িতে গিয়ে পেটে সজোরে লাথি ও পা দিয়া চাপ দিয়ে ধরে রাখেন। এতে সুফিয়ার প্রচুর রক্তক্ষরণ শুরু হলে আত্মীয়স্বজন তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
র্যাব কর্মকর্তা আশরাফুল কবির আরও জানান, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা সুফিয়ার পাঁচ মাসের সন্তানের গর্ভপাতের বিষয়টি র্যাবকে নিশ্চিত করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৫ আগস্ট সুফিয়ার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় সুফিয়ার বাবা আলাল উদ্দিন বাদী হয়ে নেত্রকোনা আদালতে আবেদন করার পর আদালতের আদেশে কলমাকান্দা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু হয়। অন্যদিকে পুলিশ সুফিয়ার লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং ময়নাতদন্ত করায়।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর থানার পুলিশ পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে কলমাকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ র্যাবকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি আরও জানান, এদিকে মো. সোহেল মিয়া গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে চলে যান। তিনি দেশের বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপনে থাকেন। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গতকাল শনিবার গভীর রাতে নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার সাতাশি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাঁকে গ্রেপ্তার করেন র্যাব-১৪ সিপিসি-২ কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের সদস্যরা। মো. সোহেল মিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর পূর্বের স্ত্রী নুরজাহানের দায়ের করা যৌতুক মামলায় ২০১৫ সালে দুই মাসের কারাবাস ছিল। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে দুর্গাপুর থানায় একাধিক মারামারির মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। আসামি সোহেল মিয়ার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কলমাকান্দা থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

কিশোরগঞ্জে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে পেটে লাথি দিয়ে হত্যা মামলায় অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। বিগত তিন মাস ধরে বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন তিনি।
গতকাল শনিবার গভীর রাতে নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার সাতাশি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ রোববার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কিশোরগঞ্জ র্যাব-১৪, সিপিসি-২ ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লিডার মো. আশরাফুল কবির।
গ্রেপ্তার আসামির নাম মো. সোহেল মিয়া (৩২)। তিনি নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার চণ্ডীগড় এলাকার মো. হাছেন আলীর ছেলে।
র্যাব অধিনায়ক আশরাফুল কবির জানান, নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার আতকাপাড়া গ্রামের মো. আলাল উদ্দিন চট্টগ্রাম শহরে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। তাঁর মেয়ে সুফিয়া খাতুন (২৭) এবং আট ও ছয় বছর বয়সী দুই নাতি-নাতনিও (সুফিয়া খাতুনের সন্তান) আলাল উদ্দিনের সঙ্গে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার চন্দ্রপুর এলাকার একটি বাসায় থাকতেন। এ সময় সুফিয়ার সঙ্গে পরিচয় গ্রেপ্তার সোহেল মিয়ার। সোহেলও চট্টগ্রামে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। একই জেলার বাসিন্দা হওয়ার সুবাদে সোহেলের সঙ্গে সখ্য গড়ে ওঠে আলাল উদ্দিনের। আলাল উদ্দিনের বাসায় আসা-যাওয়ার সুযোগে দুই সন্তানের মা সুফিয়া খাতুনের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
তিনি আরও জানান, এদিকে রাজমিস্ত্রির কাজ না থাকায় আলাল উদ্দিন তাঁর মেয়ে এবং মেয়ের দুই সন্তানকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে চলে যান। তখনো মো. সোহেল মিয়া প্রায়শই আলাল উদ্দিনের গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে চলে যেতেন। একপর্যায়ে সোহেল মিয়া সুফিয়া খাতুনকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাঁর স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটান। এদিকে বিভিন্ন সময়ে ধর্ষণের ফলে সুফিয়া অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তিনি বিয়ের জন্য সোহেল মিয়াকে চাপ দেন।
পরে সোহেল মিয়া সুফিয়া খাতুনকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান এবং গর্ভের সন্তান নষ্ট করতে চাপ দেন। কিন্তু সুফিয়া খাতুন এতে রাজি হননি। এ কারণে সোহেল মিয়া গত ১৪ আগস্ট বিকেলে সুফিয়ার বাড়িতে গিয়ে পেটে সজোরে লাথি ও পা দিয়া চাপ দিয়ে ধরে রাখেন। এতে সুফিয়ার প্রচুর রক্তক্ষরণ শুরু হলে আত্মীয়স্বজন তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
র্যাব কর্মকর্তা আশরাফুল কবির আরও জানান, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা সুফিয়ার পাঁচ মাসের সন্তানের গর্ভপাতের বিষয়টি র্যাবকে নিশ্চিত করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৫ আগস্ট সুফিয়ার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় সুফিয়ার বাবা আলাল উদ্দিন বাদী হয়ে নেত্রকোনা আদালতে আবেদন করার পর আদালতের আদেশে কলমাকান্দা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু হয়। অন্যদিকে পুলিশ সুফিয়ার লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং ময়নাতদন্ত করায়।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর থানার পুলিশ পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে কলমাকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ র্যাবকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি আরও জানান, এদিকে মো. সোহেল মিয়া গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে চলে যান। তিনি দেশের বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপনে থাকেন। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গতকাল শনিবার গভীর রাতে নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার সাতাশি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাঁকে গ্রেপ্তার করেন র্যাব-১৪ সিপিসি-২ কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের সদস্যরা। মো. সোহেল মিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর পূর্বের স্ত্রী নুরজাহানের দায়ের করা যৌতুক মামলায় ২০১৫ সালে দুই মাসের কারাবাস ছিল। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে দুর্গাপুর থানায় একাধিক মারামারির মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। আসামি সোহেল মিয়ার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কলমাকান্দা থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বিলম্বের বৃত্ত থেকে বের হতে পারছে না বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন রেলপথ প্রকল্প। ইতিমধ্যে চার দফা মেয়াদ বাড়ানো এই প্রকল্প শেষ করতে আরও দুই বছর মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। প্রায় এক যুগে প্রকল্পের কাজ হয়েছে ৫৪ শতাংশ।
২ ঘণ্টা আগে
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেল এবং হাতিয়া পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছাইফ উদ্দিন আহমদ দীর্ঘদিন হত্যা-বিস্ফোরকসহ একাধিক মামলার আসামি হয়ে জেলা কারাগারে রয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
যুগ যুগ ধরে সমুদ্রের পানি দিয়ে লবণ উৎপাদন করে আসছেন কৃষকেরা। তবে লবণ উৎপাদন কারখানার পরিত্যক্ত পানি দিয়ে আবার লবণ তৈরির সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ দিয়েছেন চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কৃষকেরা।
৩ ঘণ্টা আগে
খুলনা জেলায় খাদ্যশস্য সংগ্রহ মৌসুমে বস্তা কেনায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নতুন বস্তার সঙ্গে পুরোনো বস্তাও সরবরাহ ও ব্যবহার হচ্ছে বলে জানা গেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, পুরোনো নিম্নমানের বস্তা ক্রয় এবং অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে খাদ্যগুদামের অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে। তবে খাদ্য কর্মকর্তাদের দাবি...
৩ ঘণ্টা আগে