জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে, এতে সিটি করপোরেশনকে গালি খেতে হয় বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘তারা অভিযোগ করেন, যখনই জন্ম নিবন্ধনের কোনো কাজের জন্য যাচ্ছেন তখনই বলা হচ্ছে সার্ভার ডাউন। ফলে গালি খেতে হচ্ছে সিটি করপোরেশনকে।’
শুক্রবার (৬ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস-২০২৩’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
রেজিস্ট্রার জেনারেলকে উদ্দেশ্য করে ডিএনসিসি মেয়র বলেন, ‘রেজিস্ট্রার জেনারেল সাহেব আপনি স্বীকার করুন যে আমাদের সমস্যা আছে। আপনার কথায় সব ঠিক আছে, ঠিক আছে, ঠিক আছে। তাহলে কেন এত সমস্যা? আপনারা সার্ভারের ক্যাপাসিটি বাড়ান।’
মেয়র আতিকুল ইসলাম আরও বলেন, ‘প্রতিদিন বহু মানুষ আমাদের কাছে তাদের ভোগান্তির কথা জানাচ্ছে। এখানে বললেন সার্ভার নাকি ঠিকঠাক কাজ করছে। যেটা সত্য সেটা বলতে হবে। গালি খেতে হচ্ছে আমাদের। পাসওয়ার্ড দিয়ে ওয়েবসাইটে ঢোকার চেষ্টা করলেও হচ্ছে না। আমরা কেন বদনাম নেব। আপনারা না পারলে আমাদের ক্ষমতা দিন, আমরা করব। সেটিও করবেন না, আমরা গালি খাব সেটি হবে না।’
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। এ সময় তিনি বলেন, ‘সার্ভার সমস্যার অভিযোগ আমাদের কাছে আসছে। শিগগিরই সভা করে এ সমস্যা নিরসনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ফেনীতে মেডিকেল কলেজ স্থাপন ফেনীবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি হলেও এ দাবিকে কেন্দ্র করে কিছু মহল ‘মব’ সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ৪ এপ্রিল ফেনী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এবি পার্টির এক নারীনেত্রীর বক্তব্যকে তিনি ‘অরুচিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে উল্লেখ করেন।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, স্নাতক (পাস) তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা অটোপাসের দাবিতে বিভিন্ন সময়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের মূল ফটকে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করে আসছেন। তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। আজ সোমবার স্বল্পসংখ্যক শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের মূল ফটকে দাঁড়িয়ে
২ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরবের মদিনা শহরে বুলডোজারের চাকায় আহত হয়ে এক প্রবাসী মারা গেছেন। তাঁর নাম আহমদ হোসেন (৫৮)। গতকাল রোববার রাত ২টার দিকে (সৌদি আরবের সময়) মদিনা শহরের চানাইয়া নামের এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
৩ ঘণ্টা আগে
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ও অতিরিক্ত ফি আদায় করা হলে সেটা গ্রহণযোগ্য হবে না। যারা করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কারণ আমাদের টাকায় শিক্ষকদের বেতন হয়। শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে যেন অযাচিত কিছু চাপিয়ে না দেওয়া হয়, সে বিষয়ে কাজ চলছে।’
৩ ঘণ্টা আগে