আয়নাল হোসেন, ঢাকা

খাদ্যদ্রব্যের মান প্রণয়ন ও সনদ দেওয়ার দায়িত্ব নিতে চায় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। যদিও ৪৭ বছর ধরে জাতীয় মান সংস্থা বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এ দায়িত্ব পালন করছে। কোন সংস্থাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হবে তা নির্ধারণের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মতামত চাওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে এ নিয়ে আন্তমন্ত্রণালয় আইনগত বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটি গঠন এবং কয়েকটি সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সূত্র জানায়, গত ১০ এপ্রিল আন্তমন্ত্রণালয় আইনগত বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। আন্তর্জাতিক মান প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান কোডেক্স অ্যালিমেন্টারিয়াস কমিশনের ফোকাল পয়েন্ট কে হবে, তা নির্ধারণে সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার প্রস্তাব অনুযায়ী কোডেক্স অ্যালিমেন্টারিয়াস কমিশনের ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ, খাদ্যসামগ্রীর মান নির্ধারণের দায়িত্ব বিএসটিআইয়ের পরিবর্তে বিএফএসএর ওপর ন্যস্তকরণ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মতামতের জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি।
জানতে চাইলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জনস্বাস্থ্য বিভাগের অধ্যাপক ও বিএফএসএর কো-চেয়ারম্যান অধ্যাপক বিল্লাল হোসেন বলেন, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে লাইসেন্স দেওয়ার দায়িত্ব আইনে দেওয়া হয়নি। যেসব সংস্থা লাইসেন্স দিচ্ছে, তাদের তদারকি ও মান প্রণয়নে সহায়তা করবে অথরিটি।
এ প্রসঙ্গে বিএসটিআইয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশে কোডেক্সের দায়িত্ব মান সংস্থা কর্তৃক পরিচালিত হচ্ছে। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের দক্ষ জনবল ও ল্যাব নেই। আইনে তাদের সার্টিফিকেশন বা মান প্রণয়নের ক্ষমতাও দেওয়া হয়নি। এরপরও তারা জোরপূর্বক দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করছে।
এ ব্যাপারে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য অধ্যাপক আবদুল আলীম বলেন, ‘আইনে সার্টিফিকেশনের দায়িত্ব আমাদের দেওয়া হয়নি। কিন্তু দেশের সরকার চাইছে সব ধরনের সেবা একই ছাতার নিচে থাকুক। রপ্তানিকারকদের চাহিদার ভিত্তিতে খাদ্যের মান প্রণয়ন ও সার্টিফিকেশন তারা করতে চায়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে আমাদের পক্ষে মতামত দেবে।’ এ জন্য আইন সংশোধন করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম আজকের পত্রিকা'কে বলেন, ‘খাদ্যপণ্যের মান প্রণয়ন ও সনদ বিএসটিআই নাকি বিএফএসএ দেবে সে বিষয়টি মতামতের জন্য আমার কাছে এসেছে। দেখা যাক কী হয়।’
বিএসটিআই সম্পর্কিত খবর পেতে - এখানে ক্লিক করুন
এদিকে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, খাদ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রেরিত জাতীয় নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা পরিষদের চতুর্থ সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন সম্পর্কে বলা হয়, কোডেক্স অ্যালিমেন্টারিয়াস কমিশনের ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণের বিবেচনার যৌক্তিকতা তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, ১৯৭৪ সাল থেকে পণ্যের মান প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করে আসছে বিএসটিআই। বিভিন্ন সংস্থাকে বিএসটিআই থেকে রেজিস্ট্রেশন নিয়ে কোডেক্স সভায় যোগ দিতে হয়। তবে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের বিষয়ে বলা আছে, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ দেশের একমাত্র খাদ্য সম্পর্কিত বিধি-প্রবিধানমালা জারি করে। কোডেক্স ও বিএফএসএর কাজ সামঞ্জস্যপূর্ণ।

খাদ্যদ্রব্যের মান প্রণয়ন ও সনদ দেওয়ার দায়িত্ব নিতে চায় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। যদিও ৪৭ বছর ধরে জাতীয় মান সংস্থা বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এ দায়িত্ব পালন করছে। কোন সংস্থাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হবে তা নির্ধারণের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মতামত চাওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে এ নিয়ে আন্তমন্ত্রণালয় আইনগত বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটি গঠন এবং কয়েকটি সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সূত্র জানায়, গত ১০ এপ্রিল আন্তমন্ত্রণালয় আইনগত বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। আন্তর্জাতিক মান প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান কোডেক্স অ্যালিমেন্টারিয়াস কমিশনের ফোকাল পয়েন্ট কে হবে, তা নির্ধারণে সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার প্রস্তাব অনুযায়ী কোডেক্স অ্যালিমেন্টারিয়াস কমিশনের ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ, খাদ্যসামগ্রীর মান নির্ধারণের দায়িত্ব বিএসটিআইয়ের পরিবর্তে বিএফএসএর ওপর ন্যস্তকরণ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মতামতের জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি।
জানতে চাইলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জনস্বাস্থ্য বিভাগের অধ্যাপক ও বিএফএসএর কো-চেয়ারম্যান অধ্যাপক বিল্লাল হোসেন বলেন, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে লাইসেন্স দেওয়ার দায়িত্ব আইনে দেওয়া হয়নি। যেসব সংস্থা লাইসেন্স দিচ্ছে, তাদের তদারকি ও মান প্রণয়নে সহায়তা করবে অথরিটি।
এ প্রসঙ্গে বিএসটিআইয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশে কোডেক্সের দায়িত্ব মান সংস্থা কর্তৃক পরিচালিত হচ্ছে। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের দক্ষ জনবল ও ল্যাব নেই। আইনে তাদের সার্টিফিকেশন বা মান প্রণয়নের ক্ষমতাও দেওয়া হয়নি। এরপরও তারা জোরপূর্বক দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করছে।
এ ব্যাপারে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য অধ্যাপক আবদুল আলীম বলেন, ‘আইনে সার্টিফিকেশনের দায়িত্ব আমাদের দেওয়া হয়নি। কিন্তু দেশের সরকার চাইছে সব ধরনের সেবা একই ছাতার নিচে থাকুক। রপ্তানিকারকদের চাহিদার ভিত্তিতে খাদ্যের মান প্রণয়ন ও সার্টিফিকেশন তারা করতে চায়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে আমাদের পক্ষে মতামত দেবে।’ এ জন্য আইন সংশোধন করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম আজকের পত্রিকা'কে বলেন, ‘খাদ্যপণ্যের মান প্রণয়ন ও সনদ বিএসটিআই নাকি বিএফএসএ দেবে সে বিষয়টি মতামতের জন্য আমার কাছে এসেছে। দেখা যাক কী হয়।’
বিএসটিআই সম্পর্কিত খবর পেতে - এখানে ক্লিক করুন
এদিকে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, খাদ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রেরিত জাতীয় নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা পরিষদের চতুর্থ সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন সম্পর্কে বলা হয়, কোডেক্স অ্যালিমেন্টারিয়াস কমিশনের ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণের বিবেচনার যৌক্তিকতা তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, ১৯৭৪ সাল থেকে পণ্যের মান প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করে আসছে বিএসটিআই। বিভিন্ন সংস্থাকে বিএসটিআই থেকে রেজিস্ট্রেশন নিয়ে কোডেক্স সভায় যোগ দিতে হয়। তবে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের বিষয়ে বলা আছে, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ দেশের একমাত্র খাদ্য সম্পর্কিত বিধি-প্রবিধানমালা জারি করে। কোডেক্স ও বিএফএসএর কাজ সামঞ্জস্যপূর্ণ।

সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) ও কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগমের বাড়ি ও জমি ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ আদেশ দেন দেন।
৭ মিনিট আগে
ময়মনসিংহ নগরীতে পুলিশ সদস্যদের কুপিয়ে ও পিটিয়ে হাতকড়াসহ আরিফুল ইসলাম নামের এক আসামিকে ছিনিয়ে নিয়েছেন তাঁর স্বজনেরা। হামলায় পাঁচ পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে নগরীর দিগারকান্দা ফিশারিজ মোড় এলাকায় এ ঘটনা
৯ মিনিট আগে
তিন দিন ধরে রাজবাড়ীর পদ্মা নদীতে কুমির বিচরণ করতে দেখা গেছে। এতে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তীরবর্তী এলাকায় নদীতে কখনো সকালে, কখনো দুপুরে কুমির ভেসে উঠছে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন। হঠাৎ পদ্মায় কুমির বিচরণের খবর শুনে তা দেখতে নদীতীরে ভিড় করছে উৎসুক জনতা।
২৭ মিনিট আগে
দীর্ঘ এক দশকের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে হাসি ফিরেছে সুমন-এনি দম্পতির ঘরে। আজ মঙ্গলবার একসঙ্গে জন্ম নেওয়া পাঁচ নবজাতককে নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন তাঁরা। এর আগে গত বৃহস্পতিবার ওই প্রসূতি পাঁচ সন্তান জন্ম দেন। তার মধ্যে তিনজন মেয়ে ও দুজন ছেলে।
১ ঘণ্টা আগে