
দেশে আসন্ন পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে লাইটার জাহাজ সংকট নিরসনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। আমদানিকারকদের একটি অংশ কর্তৃক অভ্যন্তরীণ নৌপথে ব্যবহৃত লাইটার জাহাজগুলোকে অবৈধভাবে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার করায় সৃষ্টি হওয়া সংকট মোকাবিলায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন নৌপরিবহন অধিদপ্তর।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) নৌপরিবহন অধিদপ্তর থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সম্প্রতি লক্ষ করা যাচ্ছে যে কয়েকজন আমদানিকারক লাইটার জাহাজে পণ্য খালাস না করে দীর্ঘদিন আটকে রাখছেন এবং সেগুলোকে কার্যত ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার করছেন। এ ছাড়া রমজান মাসকে সামনে রেখে আমদানিকারককে একসঙ্গে অনেক বেশি বাণিজ্যিক জাহাজে করে পণ্য আমদানি করেছেন। তাই হঠাৎ বহির্নোঙরে বাণিজ্যিক জাহাজের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় সমুদ্রবন্দর থেকে পণ্য খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় লাইটার জাহাজের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এতে আমদানি করা পণ্য খালাসে বিলম্ব হচ্ছে, স্বাভাবিক পণ্য সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে নারায়ণগঞ্জ, যশোর, নোয়াপাড়া এবং দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ এলাকায় অনতিবিলম্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহৃত জাহাজে থাকা পণ্যের আমদানিকারক ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, অভিযানের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ছয় সদস্যবিশিষ্ট একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। টাস্কফোর্সে নৌপরিবহন অধিদপ্তর, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ এবং অভ্যন্তরীণ নৌযান পরিদর্শন দপ্তরের প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।
এ ছাড়া, অভিযানের সময় জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের অনুরোধ জানানো হয়েছে। টাস্কফোর্সের কার্যক্রম সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবেন নৌপরিবহন অধিদপ্তরের প্রধান পরিদর্শক।

যশোরের মনিরামপুরে আরিফ হোসেন (১৭) নামে এক কিশোরকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে লাশ মাছের ঘেরে ফেলে রেখেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (১ মার্চ) দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলার বালিধা এলাকার মাঠে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সকালে মনিরামপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছে।
৩ মিনিট আগে
নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে