নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আর কোনো দিন আওয়ামী লীগের আঙিনায় আপনার জায়গা হবে না। ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলামের উদ্দেশ্যে এমন মন্তব্য করেছেন বারের সম্পাদক আবদুন নূর দুলাল। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে বিক্ষোভ সমাবেশে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাজশাহী বিএনপি নেতা চাঁদের হত্যার হুমকির প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ ওই বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে। বেলা দেড়টার দিকে সমিতির সভাপতি ও সম্পাদকের কক্ষের সামনে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে আবদুন নূর দুলাল বলেন, ‘চুয়াত্তর সালে একবার চিনেছিলাম। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব যাকে চিনেছেন, বঙ্গবন্ধুর মেয়েও তাকে চিনেছেন। ১ / ১১ নামার পরে কী করেছিল? ফাইল ফেরত দিয়েছিলেন। তিনি শেখ হাসিনার মামলা করতে পারবেন না।’
দুলাল আরও বলেন, ‘শেখ ফজলে নূর তাপস কার সম্পর্কে কথা বলেছেন? এস কে সিনহা সম্পর্কে। এস কে সিনহা আর উনি (ব্যারিস্টার আমীর) তো দুই বন্ধু। শেখ ফজলে নূর তাপসের বিরুদ্ধে যে কটূক্তি করবে, তাঁর ক্ষমা আমাদের অভিধানে নেই।’ সমাবেশে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন বক্তব্য রাখেন।
এর আগে’ একজন চিফ জাস্টিসকেও নামিয়ে দিয়েছিলাম’—ঢাকা দক্ষিণের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের দেওয়া এমন বক্তব্য বুধবার আপিল বিভাগের নজরে আনেন সংবিধান প্রণয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য এম আমীর-উল ইসলাম।
পরে আদালত থেকে বের হয়ে ব্যারিস্টার আমীর বলেন, ‘এই বক্তব্যে বিচার বিভাগ শুধু নয়, সারা বাংলাদেশের মানুষ মন ক্ষুণ্ন হয়েছে। সারা দেশের মানুষ তাকিয়ে থাকে এই বিচার ব্যবস্থার জন্য। মেয়র তাপস সুশীল সমাজ সম্পর্কেও কটাক্ষ করে কথা বলেছেন। বারের সিনিয়র আইনজীবীদের নিয়েও কটাক্ষ করেছেন। বিচার বিভাগকে হেয় করেছেন। এই অধিকার তিনি কোথায় পেয়েছেন? এটা অত্যন্ত ঔদ্ধত্যপূর্ণ। তাঁর এ বক্তব্য আদালত অবমাননা।’

আর কোনো দিন আওয়ামী লীগের আঙিনায় আপনার জায়গা হবে না। ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলামের উদ্দেশ্যে এমন মন্তব্য করেছেন বারের সম্পাদক আবদুন নূর দুলাল। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে বিক্ষোভ সমাবেশে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাজশাহী বিএনপি নেতা চাঁদের হত্যার হুমকির প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ ওই বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে। বেলা দেড়টার দিকে সমিতির সভাপতি ও সম্পাদকের কক্ষের সামনে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে আবদুন নূর দুলাল বলেন, ‘চুয়াত্তর সালে একবার চিনেছিলাম। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব যাকে চিনেছেন, বঙ্গবন্ধুর মেয়েও তাকে চিনেছেন। ১ / ১১ নামার পরে কী করেছিল? ফাইল ফেরত দিয়েছিলেন। তিনি শেখ হাসিনার মামলা করতে পারবেন না।’
দুলাল আরও বলেন, ‘শেখ ফজলে নূর তাপস কার সম্পর্কে কথা বলেছেন? এস কে সিনহা সম্পর্কে। এস কে সিনহা আর উনি (ব্যারিস্টার আমীর) তো দুই বন্ধু। শেখ ফজলে নূর তাপসের বিরুদ্ধে যে কটূক্তি করবে, তাঁর ক্ষমা আমাদের অভিধানে নেই।’ সমাবেশে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন বক্তব্য রাখেন।
এর আগে’ একজন চিফ জাস্টিসকেও নামিয়ে দিয়েছিলাম’—ঢাকা দক্ষিণের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের দেওয়া এমন বক্তব্য বুধবার আপিল বিভাগের নজরে আনেন সংবিধান প্রণয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য এম আমীর-উল ইসলাম।
পরে আদালত থেকে বের হয়ে ব্যারিস্টার আমীর বলেন, ‘এই বক্তব্যে বিচার বিভাগ শুধু নয়, সারা বাংলাদেশের মানুষ মন ক্ষুণ্ন হয়েছে। সারা দেশের মানুষ তাকিয়ে থাকে এই বিচার ব্যবস্থার জন্য। মেয়র তাপস সুশীল সমাজ সম্পর্কেও কটাক্ষ করে কথা বলেছেন। বারের সিনিয়র আইনজীবীদের নিয়েও কটাক্ষ করেছেন। বিচার বিভাগকে হেয় করেছেন। এই অধিকার তিনি কোথায় পেয়েছেন? এটা অত্যন্ত ঔদ্ধত্যপূর্ণ। তাঁর এ বক্তব্য আদালত অবমাননা।’

পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
৯ মিনিট আগে
উল্লাসরত নেতা-কর্মীরা বলেন, কমিটি বিলুপ্তির এই সিদ্ধান্ত তাঁদের জন্য নতুন করে কাজ করার সুযোগ তৈরি করেছে। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে দলীয় সাংগঠনিক সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁরা প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাতে পারেননি।
২৪ মিনিট আগে
ধুনট উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আব্দুল করিম জানান, শনিবার বিকেলে এলেঙ্গী বাজারে জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীরা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন।
৩৩ মিনিট আগে
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে একটি ড্রামের ভেতর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। যার আনুমানিক বয়স ৩০ থেকে ৩২ বছর বলে ধারণা করো হচ্ছে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা-পুলিশ গোদনাইল নয়াপাড়া এলাকার হৃদয়মনি স্কুল-সংলগ্ন জালকুড়ি সড়কের খালপাড় থেকে লাশটি উদ্ধার করে।
৩৯ মিনিট আগে