নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশে নারীদের মজুরিবিহীন গৃহস্থালি কাজের আর্থিক মূল্য নিরূপণ, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠাসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম। আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব দাবি করা হয়।
ফোরামের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, স্বামী পরিত্যক্তা, বয়স্ক ও দুস্থ নারীদের ভাতা না দিয়ে তাদের পুনর্বাসন এবং একে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। সরকারিভাবে গ্রাম-শহরে এলাকাভিত্তিক মানসম্পন্ন ডে-কেয়ার সেন্টার নির্মাণ এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কর্মজীবী নারীদের জন্য হোস্টেল নির্মাণে বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ, নারীর স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
সভায় বক্তারা বলেন, গৃহস্থালি কাজ ছাড়া কোনো পরিবার ও সমাজ কল্পনা করা যায় না। আর গৃহস্থালি কাজের সিংহভাগই করে থাকেন পরিবারের নারী সদস্যরা। গৃহস্থালি কাজ ছাড়া মানুষের শারীরিক, মানসিক, সাংস্কৃতিক জীবন বিকশিত হওয়া তো দূরের কথা, টিকিয়ে রাখাই কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু এ কাজে কোনো স্বীকৃতি নেই, মর্যাদা নেই। এমনকি এ কাজকে সব সময় তাচ্ছিল্য করা হয়।
মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন গবেষণাপত্রের বরাত দিয়ে বক্তারা বলেন, গবেষণা সংস্থা সানেমের তথ্য অনুযায়ী যদি গৃহস্থালি কাজের আর্থিক মূল্য হিসাব করা যায়, তাহলে তা দাঁড়াবে নারীর ক্ষেত্রে জিডিপির ৩৯.৫৫ শতাংশ এবং পুরুষের ক্ষেত্রে ৯ শতাংশ। সিপিডির গবেষণায় দেখা গেছে, নারীর কাজের ৭৮-৮৭ শতাংশই অর্থনৈতিক হিসাবে আসে না।
মতবিনিময় সভায় আলোচকেরা দাবি করেন, অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ, নৈতিক অবস্থান, নারীর অধিকার ও সামাজিক মর্যাদার প্রশ্নে তো বটেই, সামাজিক ন্যায্যতার কারণেও নারীর কাজের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দরকার।
সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের সভাপতি শম্পা বসুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশিদ ফিরোজ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আনু মোহাম্মদ, বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. মনীষা চক্রবর্তী, অধ্যাপক শারমিন নীলিমা, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের সাধারণ সম্পাদক দিলরুবা নুরী প্রমুখ।

দেশে নারীদের মজুরিবিহীন গৃহস্থালি কাজের আর্থিক মূল্য নিরূপণ, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠাসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম। আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব দাবি করা হয়।
ফোরামের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, স্বামী পরিত্যক্তা, বয়স্ক ও দুস্থ নারীদের ভাতা না দিয়ে তাদের পুনর্বাসন এবং একে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। সরকারিভাবে গ্রাম-শহরে এলাকাভিত্তিক মানসম্পন্ন ডে-কেয়ার সেন্টার নির্মাণ এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কর্মজীবী নারীদের জন্য হোস্টেল নির্মাণে বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ, নারীর স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
সভায় বক্তারা বলেন, গৃহস্থালি কাজ ছাড়া কোনো পরিবার ও সমাজ কল্পনা করা যায় না। আর গৃহস্থালি কাজের সিংহভাগই করে থাকেন পরিবারের নারী সদস্যরা। গৃহস্থালি কাজ ছাড়া মানুষের শারীরিক, মানসিক, সাংস্কৃতিক জীবন বিকশিত হওয়া তো দূরের কথা, টিকিয়ে রাখাই কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু এ কাজে কোনো স্বীকৃতি নেই, মর্যাদা নেই। এমনকি এ কাজকে সব সময় তাচ্ছিল্য করা হয়।
মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন গবেষণাপত্রের বরাত দিয়ে বক্তারা বলেন, গবেষণা সংস্থা সানেমের তথ্য অনুযায়ী যদি গৃহস্থালি কাজের আর্থিক মূল্য হিসাব করা যায়, তাহলে তা দাঁড়াবে নারীর ক্ষেত্রে জিডিপির ৩৯.৫৫ শতাংশ এবং পুরুষের ক্ষেত্রে ৯ শতাংশ। সিপিডির গবেষণায় দেখা গেছে, নারীর কাজের ৭৮-৮৭ শতাংশই অর্থনৈতিক হিসাবে আসে না।
মতবিনিময় সভায় আলোচকেরা দাবি করেন, অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ, নৈতিক অবস্থান, নারীর অধিকার ও সামাজিক মর্যাদার প্রশ্নে তো বটেই, সামাজিক ন্যায্যতার কারণেও নারীর কাজের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দরকার।
সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের সভাপতি শম্পা বসুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশিদ ফিরোজ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আনু মোহাম্মদ, বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. মনীষা চক্রবর্তী, অধ্যাপক শারমিন নীলিমা, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের সাধারণ সম্পাদক দিলরুবা নুরী প্রমুখ।

যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৫ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য রাঙামাটি আসনের ভোটে বড় ফ্যাক্টর আঞ্চলিক দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) অংশ নিচ্ছে না। এতে জয়ের পাল্লা ভারী হয়েছে বিএনপির। এদিকে জেএসএসের রাজনীতিতে একসময় যুক্ত থাকা স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমাও আছেন আলোচনায়।
৫ ঘণ্টা আগে