উত্তরা (ঢাকা) প্রতিনিধি

রাজধানীর দক্ষিণখানে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের মীমাংসা করতে গিয়ে গত বৃহস্পতিবার ছুরিকাঘাতে খুন হন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার মোসাব্বির হোসেন চৌধুরী সিফাত (২৬)। এই হত্যার বিচারের দাবিতে আজ রোববার দুপুরে সড়ক অবরোধ করে এলাকাবাসী। হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন তাঁরা।
বেলা ১১টার দিকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবস্থান নেন বিক্ষোভকারীরা। পরে বেলা পৌনে ১২টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উভয় পাশের যান চলাচল বন্ধ করে সড়কে বিক্ষোভ করেন তাঁরা। পুলিশ এসে তাঁদের বুঝিয়ে ১২টার দিকে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেয়। এরপর বিক্ষোভকারীরা ময়মনসিংহ-ঢাকা মহাসড়কের রাজলক্ষ্মী এলাকায় পৌনে ১টা পর্যন্ত মানববন্ধন করেন। তখন পুলিশ খুনিদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিলে এলাকাবাসী চলে যান। মহাসড়ক অবরোধের কারণে উত্তরা এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
‘এলাকার কৃতি সন্তান প্রকৌশলী মোসাব্বির হোসেন চৌধুরী সিফাত-এর নৃশংস হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি’—ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিলটির আয়োজন করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৫০ নং ওয়ার্ডের জনগণ। এতে নিহত সিফাতের বন্ধু, আত্মীয়স্বজন ও এলাকাবাসী অংশ নেন। এতে শতাধিক লোক উপস্থিত ছিলেন।
মহাসড়কে বিক্ষোভকালে খুনিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে নানা স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা। এ সময় তাঁরা স্লোগানে স্লোগানে বলেন—‘আর কোনো মায়ের বুক খালি না হোক, খুনিদের বিচার হোক’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনিরা কেন বাইরে?’, ‘আমাদের শেষ কথা, খুনিদের হাতে হাতকড়া’, ‘ঘাতকদের গ্রেপ্তার কর, বিচার এবার শুরু কর’, ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস, উই ওয়ান্ট জাস্টিস’।
বিক্ষোভকারীরা বলেন, ‘সিফাতকে হত্যার পরও যদি খুনিরা মোবাইল চালাতে পারে, সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় থাকতে পারে। তাহলে পুলিশ কেন তাঁদের গ্রেপ্তার করতে পারে না? আসামি ধরা না পড়লে আমরা আবারও রাস্তায় নামব। খুনি ধরা না পড়া পর্যন্ত আমরা রাস্তায় নামতেই থাকব।’
বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেওয়া নিহত সিফাতের মামা শফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হত্যার পাঁচ দিন চললেও মূল আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পারছে না পুলিশ। অথচ তাঁরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এখনো সক্রিয়।’
তিনি বলেন, ‘পুলিশ আমাদের দুই দিনের মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিয়েছেন। যদি দুই দিনের মধ্যে (৪৮ ঘণ্টা) হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার না করা হয় তাহলে আবারও মহাসড়ক অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে এলাকাবাসী।’
বিক্ষোভ মিছিলের সময় ঘটনাস্থলে থাকা বিমানবন্দর জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ইঞ্জিনিয়ার সিফাত হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে এলাকার লোকজন ১৫ মিনিটের মতো মহাসড়ক অবরোধ করেছিল। পরে আমরা বোঝালে তাঁরা সড়ক থেকে সরে যায়। পরে সড়কের পূর্ব পাশে মানববন্ধন করে।’
তিনি বলেন, ‘মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তাঁরা মানববন্ধন শেষে শান্তিপূর্ণভাবে চলে যায়।’
অপরদিকে দক্ষিণখান জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. তরিকুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ইঞ্জিনিয়ার সিফাতকে হত্যার ঘটনায় ইতিমধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে আনা হয়েছে। তিন দিনের রিমান্ড শেষে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক খুনিদেরও পরিচয় জানা গেছে। তাঁদের গ্রেপ্তারের জন্য চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’
এর আগে দক্ষিণখানের কসাইবাড়ী রেলগেট সংলগ্ন বটতলা এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। পরে তাঁকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহত ইঞ্জিনিয়ারের মা মোছা নাছরিন বেগম বাদী হয়ে দক্ষিণখান থানায় পরদিন শুক্রবার বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন।
ওই মামলায় এজাহারভুক্ত আসামিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে আসে পুলিশ। তাঁরা হলেন—রাজিব (২৩), আশিক (২২) ও নিজাম (২১)।

রাজধানীর দক্ষিণখানে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের মীমাংসা করতে গিয়ে গত বৃহস্পতিবার ছুরিকাঘাতে খুন হন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার মোসাব্বির হোসেন চৌধুরী সিফাত (২৬)। এই হত্যার বিচারের দাবিতে আজ রোববার দুপুরে সড়ক অবরোধ করে এলাকাবাসী। হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন তাঁরা।
বেলা ১১টার দিকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবস্থান নেন বিক্ষোভকারীরা। পরে বেলা পৌনে ১২টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উভয় পাশের যান চলাচল বন্ধ করে সড়কে বিক্ষোভ করেন তাঁরা। পুলিশ এসে তাঁদের বুঝিয়ে ১২টার দিকে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেয়। এরপর বিক্ষোভকারীরা ময়মনসিংহ-ঢাকা মহাসড়কের রাজলক্ষ্মী এলাকায় পৌনে ১টা পর্যন্ত মানববন্ধন করেন। তখন পুলিশ খুনিদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিলে এলাকাবাসী চলে যান। মহাসড়ক অবরোধের কারণে উত্তরা এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
‘এলাকার কৃতি সন্তান প্রকৌশলী মোসাব্বির হোসেন চৌধুরী সিফাত-এর নৃশংস হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি’—ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিলটির আয়োজন করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৫০ নং ওয়ার্ডের জনগণ। এতে নিহত সিফাতের বন্ধু, আত্মীয়স্বজন ও এলাকাবাসী অংশ নেন। এতে শতাধিক লোক উপস্থিত ছিলেন।
মহাসড়কে বিক্ষোভকালে খুনিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে নানা স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা। এ সময় তাঁরা স্লোগানে স্লোগানে বলেন—‘আর কোনো মায়ের বুক খালি না হোক, খুনিদের বিচার হোক’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনিরা কেন বাইরে?’, ‘আমাদের শেষ কথা, খুনিদের হাতে হাতকড়া’, ‘ঘাতকদের গ্রেপ্তার কর, বিচার এবার শুরু কর’, ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস, উই ওয়ান্ট জাস্টিস’।
বিক্ষোভকারীরা বলেন, ‘সিফাতকে হত্যার পরও যদি খুনিরা মোবাইল চালাতে পারে, সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় থাকতে পারে। তাহলে পুলিশ কেন তাঁদের গ্রেপ্তার করতে পারে না? আসামি ধরা না পড়লে আমরা আবারও রাস্তায় নামব। খুনি ধরা না পড়া পর্যন্ত আমরা রাস্তায় নামতেই থাকব।’
বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেওয়া নিহত সিফাতের মামা শফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হত্যার পাঁচ দিন চললেও মূল আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পারছে না পুলিশ। অথচ তাঁরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এখনো সক্রিয়।’
তিনি বলেন, ‘পুলিশ আমাদের দুই দিনের মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিয়েছেন। যদি দুই দিনের মধ্যে (৪৮ ঘণ্টা) হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার না করা হয় তাহলে আবারও মহাসড়ক অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে এলাকাবাসী।’
বিক্ষোভ মিছিলের সময় ঘটনাস্থলে থাকা বিমানবন্দর জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ইঞ্জিনিয়ার সিফাত হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে এলাকার লোকজন ১৫ মিনিটের মতো মহাসড়ক অবরোধ করেছিল। পরে আমরা বোঝালে তাঁরা সড়ক থেকে সরে যায়। পরে সড়কের পূর্ব পাশে মানববন্ধন করে।’
তিনি বলেন, ‘মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তাঁরা মানববন্ধন শেষে শান্তিপূর্ণভাবে চলে যায়।’
অপরদিকে দক্ষিণখান জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. তরিকুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ইঞ্জিনিয়ার সিফাতকে হত্যার ঘটনায় ইতিমধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে আনা হয়েছে। তিন দিনের রিমান্ড শেষে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক খুনিদেরও পরিচয় জানা গেছে। তাঁদের গ্রেপ্তারের জন্য চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’
এর আগে দক্ষিণখানের কসাইবাড়ী রেলগেট সংলগ্ন বটতলা এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। পরে তাঁকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহত ইঞ্জিনিয়ারের মা মোছা নাছরিন বেগম বাদী হয়ে দক্ষিণখান থানায় পরদিন শুক্রবার বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন।
ওই মামলায় এজাহারভুক্ত আসামিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে আসে পুলিশ। তাঁরা হলেন—রাজিব (২৩), আশিক (২২) ও নিজাম (২১)।

ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
৮ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
১ ঘণ্টা আগে
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে জমি বিক্রির টাকা না দেওয়ায় মা-বাবাকে মারধর করে উঠানে কবর খুঁড়ে জ্যান্ত কবর দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে দুই ছেলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ছেলেকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে