কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে দুর্বৃত্তের ইটের আঘাতে রজব আলী নামের খাদেম নিহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার রাতে উপজেলা কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের পোড়া শাহ পাগলার মাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রজব আলী একই ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়া এলাকার মৃত সিরাজ মিয়ার ছেলে এবং পোড়া শাহ পাগলার মাজারের খাদেম।
স্থানীয়রা জানান, রজব আলী এক মাজারভক্ত লোক ছিলেন। একসময় তিনি জুতার ব্যবসা করতেন। দীর্ঘ পাঁচ বছর যাবৎ মাজারের পাশে একটি টিনশেড ঘরে বসবাস করছেন। মাজার কর্তৃপক্ষ তাঁকে মাজারে চাবি দিয়ে রেখেছেন। তিনি মাজারে সার্বিক বিষয়ে তদারকি করতেন। নিহতের পরিবার সিলেটের মেন্দিবাগ এলাকায় বসবাস করেন। তাঁর চারজন ছেলেসন্তান রয়েছে। রজব আলী ভৈরব থেকে সিলেটে পরিবারের কাছে মাঝেমধ্যে গিয়ে থাকতেন।
৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য জাহান মিয়া বলেন, ‘রজব আলী ভালো মানুষ ছিলেন। তাঁর কোনো শত্রু ছিল না। সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে দেখি কে বা কারা তাঁকে ইট দিয়ে আঘাত করে হত্যা করেছে।’
নিহতের বড় ভাই জনাব আলী বলেন, ‘রাত ১১টায় আমার সঙ্গে খেয়ে এসেছে। বাড়িতে ভাইয়ের বসতঘর নির্মাণের জন্য আমার সঙ্গে কথা হয়েছে। সকালে ভাইকে নিয়ে ছোট বোনের জামাইর কাছে বাড়ি করার টাকা আনতে যাওয়ার কথা ছিল। কে বা কারা আমার ভাইকে হত্যা করেছে। আমি দোষীদের শনাক্ত করে শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’
নিহতের চাচাতো ভাই দুলাল মিয়া বলেন, ‘রাত দেড়টায় ভাইকে নিয়ে মাজারে একসঙ্গে চা খেয়েছি। এ সময় রুমান মিয়া, কট্রা পাগলা, আবুল মিয়া, এরশাদ মিয়া নামের চারজন লোক আমাদের সঙ্গে ছিল। আমি চলে যাওয়ার সময় তাদের মাজারে রেখে যাই। ভোরে শুনতে পায় কে বা কারা আমার ভাইকে হত্যা করেছে। তবে ঘটনার পর থেকে রাতে যাদের সঙ্গে দেখে গেলাম, কাউকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।’
মাজার কমিটির সভাপতি বসির উদ্দিন জানান, মাজারপন্থী যাঁরা আছেন, তাঁদের সঙ্গেই মিশত রজব আলী। তাঁদের মধ্যেই কোনো একটি ঘটনায় রজব আলীকে হত্যা করে থাকতে পারে। তবে পারিবারিক ও স্থানীয়ভাবে রজব আলীর কোনো শত্রু ছিল না।
ভৈরব থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে, ইটের এলোপাতাড়ি আঘাতে রজব আলীর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া শরীরে কয়েকটি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারে অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে দুর্বৃত্তের ইটের আঘাতে রজব আলী নামের খাদেম নিহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার রাতে উপজেলা কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের পোড়া শাহ পাগলার মাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রজব আলী একই ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়া এলাকার মৃত সিরাজ মিয়ার ছেলে এবং পোড়া শাহ পাগলার মাজারের খাদেম।
স্থানীয়রা জানান, রজব আলী এক মাজারভক্ত লোক ছিলেন। একসময় তিনি জুতার ব্যবসা করতেন। দীর্ঘ পাঁচ বছর যাবৎ মাজারের পাশে একটি টিনশেড ঘরে বসবাস করছেন। মাজার কর্তৃপক্ষ তাঁকে মাজারে চাবি দিয়ে রেখেছেন। তিনি মাজারে সার্বিক বিষয়ে তদারকি করতেন। নিহতের পরিবার সিলেটের মেন্দিবাগ এলাকায় বসবাস করেন। তাঁর চারজন ছেলেসন্তান রয়েছে। রজব আলী ভৈরব থেকে সিলেটে পরিবারের কাছে মাঝেমধ্যে গিয়ে থাকতেন।
৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য জাহান মিয়া বলেন, ‘রজব আলী ভালো মানুষ ছিলেন। তাঁর কোনো শত্রু ছিল না। সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে দেখি কে বা কারা তাঁকে ইট দিয়ে আঘাত করে হত্যা করেছে।’
নিহতের বড় ভাই জনাব আলী বলেন, ‘রাত ১১টায় আমার সঙ্গে খেয়ে এসেছে। বাড়িতে ভাইয়ের বসতঘর নির্মাণের জন্য আমার সঙ্গে কথা হয়েছে। সকালে ভাইকে নিয়ে ছোট বোনের জামাইর কাছে বাড়ি করার টাকা আনতে যাওয়ার কথা ছিল। কে বা কারা আমার ভাইকে হত্যা করেছে। আমি দোষীদের শনাক্ত করে শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’
নিহতের চাচাতো ভাই দুলাল মিয়া বলেন, ‘রাত দেড়টায় ভাইকে নিয়ে মাজারে একসঙ্গে চা খেয়েছি। এ সময় রুমান মিয়া, কট্রা পাগলা, আবুল মিয়া, এরশাদ মিয়া নামের চারজন লোক আমাদের সঙ্গে ছিল। আমি চলে যাওয়ার সময় তাদের মাজারে রেখে যাই। ভোরে শুনতে পায় কে বা কারা আমার ভাইকে হত্যা করেছে। তবে ঘটনার পর থেকে রাতে যাদের সঙ্গে দেখে গেলাম, কাউকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।’
মাজার কমিটির সভাপতি বসির উদ্দিন জানান, মাজারপন্থী যাঁরা আছেন, তাঁদের সঙ্গেই মিশত রজব আলী। তাঁদের মধ্যেই কোনো একটি ঘটনায় রজব আলীকে হত্যা করে থাকতে পারে। তবে পারিবারিক ও স্থানীয়ভাবে রজব আলীর কোনো শত্রু ছিল না।
ভৈরব থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে, ইটের এলোপাতাড়ি আঘাতে রজব আলীর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া শরীরে কয়েকটি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারে অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
২ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে